সরকারি জমি দখল ও নয়নজুলি ভরাটের অভিযোগে চাঞ্চল্য ধূপগুড়িতে

নতুন পয়গাম, প্রীতিময় সরখেল, ধূপগুড়ি: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ সত্ত্বেও সরকারি জমি দখল ও নয়নজুলি ভরাট বন্ধ হয়নি; এমনই অভিযোগ উঠল ধূপগুড়ি মহকুমার বারঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কুমলাই নদী সংলগ্ন রাস্তার ধারে থাকা জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদ-এর খাস জমি অবৈধভাবে দখল করে নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি জমিতে থাকা নয়নজুলিতে ডাম্পারে করে বালি ফেলে ভরাটের কাজও চলছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সবকিছুই হচ্ছে প্রকাশ্যে এবং পুলিশ প্রশাসনের নাকের ডগায়। ইতিমধ্যেই সেখানে একটি পাকা নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার সরকারি জমি চিহ্নিত করে দখলমুক্ত করার নির্দেশ দিলেও দিনের আলোয় কীভাবে এই বেদখল চলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।
বারঘরিয়া কদমতলা এলাকা থেকে জলঢাকা যাওয়ার রাস্তার পাশেই, কুমলাই সেতু সংলগ্ন এলাকায় চলছে এই ভরাটের কাজ। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, বর্ষাকালে ওই নয়নজুলি দিয়েই অতিরিক্ত জল নেমে কুমলাই নদীতে গিয়ে পড়ে। ফলে জলাভূমি ভরাট হয়ে গেলে গোটা এলাকা জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন স্থানীয় পাটচাষিরাও। কারণ পাট জাঁক দেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই এই নয়নজুলির জল ব্যবহার করে আসছেন তাঁরা। জলাভূমি নষ্ট হলে চাষের কাজেও প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা।
ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফুঁসছেন পরিবেশপ্রেমীরা। বিরোধীদের প্রশ্ন, কার মদতে এত সাহস পাচ্ছে জমি মাফিয়ারা? বেআইনি নির্মাণ ও ভরাট রোখার দায়িত্ব যাদের, সেই পুলিশ প্রশাসন ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর কেন নীরব- তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার সুযোগেই অবাধে চলছে এই কাজ। এমনকি শাসকদলের প্রভাবেই বেআইনি কাজগুলি অলিখিত ছাড়পত্র পাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে এলাকায়।























































































































