রাখির বন্ধনে সম্প্রীতির বার্তা, দৃষ্টিহীন ও বিশেষভাবে সক্ষমদের মুখে হাসি

দৈনিক জনকণ্ঠ, আব্দুল গফফার, হুগলি: রাখির বন্ধন শুধু ভাই-বোনের সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, ভালোবাসা, মানবিকতা ও সম্প্রীতির বন্ধনও যে সমাজকে আরও সুন্দর করে তুলতে পারে, তারই অনন্য নজির দেখা গেল চুঁচুড়ায়। প্রতি বছরের মতো এবারও চুঁচুড়া ঘড়ির মোড়ে বিশেষভাবে সক্ষম, বিশেষ করে দৃষ্টিহীন মানুষদের মুখে হাসি ফোটাতে রাখি বন্ধন উৎসবের আয়োজন করলেন কাকা রবি পাল ও পুলিশ কর্মী তথা সমাজকর্মী সুকুমার উপাধ্যায়।
আনন্দ ও উৎসাহের সঙ্গে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে পথচারী থেকে শুরু করে পুলিশ আধিকারিক সকলকেই রাখি পরিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি মিষ্টিমুখ করিয়ে সকলের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেন বিশেষভাবে সক্ষম মানুষেরা।
এদিন, এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের সঙ্গে মানুষের ভালোবাসার সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার বার্তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি দীপ্তরুপ ব্যান্ডের সঙ্গীতের মাধ্যমে বিশেষভাবে সক্ষম ও দৃষ্টিহীন মানুষদের সঙ্গে রাখির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তাঁদের মুখে হাসি ফোটানোই ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। পথ চলতি মানুষও এই উদ্যোগে সামিল হয়ে উৎসবের আনন্দে অংশ নেন। পুলিশের আধিকারিকদেরও রাখি পরিয়ে তাঁদের সঙ্গে সৌহার্দ্যের বন্ধন তৈরি করেন উদ্যোক্তারা। তাদের কথায়, রাখি শুধু একটি সুতো নয়, এটি ভালোবাসা, নিরাপত্তা, সহমর্মিতা ও মানবিকতার প্রতীক। সমাজের প্রান্তিক ও বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মধ্য দিয়েই এই উৎসবের প্রকৃত সার্থকতা।
চুঁচুড়া ঘড়ির মোড়ের এই রাখি বন্ধন উৎসব তাই একদিনের আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে হয়ে উঠল মানবিকতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ। হাসি, মিষ্টিমুখ ও ভালোবাসার বন্ধনে মিলেমিশে গেলেন সাধারণ মানুষ, পুলিশ এবং বিশেষভাবে সক্ষমরা।























































































































