উদ্ধার শতাব্দী প্রাচীন বিলুপ্ত রথের ‘সারথি’

সেখ মইদুল আলি, নতুন পয়গাম, আমতা:
হাওড়া আমতার উদং- এর কাঁড়ার বাড়ির রথ সুপ্রাচীন।একশো বছরেরও বেশি পুরনো এই রথ।উদং বাজারে বসে বড় রথের মেলা।অবশ্য এখন আগের কাঠের বিশাল রথটি আর নেই। কালের আগ্রাসনে তা প্রায় পাঁচ দশক আগেই ধ্বংস প্রাপ্ত হয়েছে। এখন স্থান গ্রহণ করেছে ছোট একটি টিনের রথ।তার মধ্য দিয়েই বহমান বৃহদাকার অতীত রথের ঐতিহ্য। সেই পুরোনো রথের একটি সারথি- র সন্ধান মিলেছে কাঁড়ার বাড়িতে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে।রথের সামনে শোভা পেত দুটি বিশাল কাঠের ঘোড়া। সেই ঘোড়াদ্বয়কে পরিচালনা করত কাঠের একজন সারথি। সেই সারথিকে কাঁড়ার বাড়ীর নব্বই ছুঁই ছুঁই শ্যামসুন্দর কাঁড়ার তুলে দিলেন সংগ্রাহক প্রদীপ রঞ্জন রীত – এর কাছে। তিনি বলেন -” আমার পূর্ব পুরুষরা রথটি তৈরি করিয়েছিলেন তৎকালীন সময়ের বিশিষ্ট রথের কারিগরদের দ্বারা। ঝাড়খণ্ড থেকে নদীপথে নৌকা করে আনানো হয়েছিল কাঠ।সবই বহু বছর আগে নষ্ট হয়ে গিয়েছে।এই সারথিটি জীর্ণ অবস্থায় কিছুটা পাওয়া গিয়েছে।প্রদীপবাবু পুরানো জিনিসের সংগ্রহশালা তৈরি করছেন। সেখানেই আমরা এটি দান করলাম। একটুকরো ইতিহাস সংগ্রহশালার এককোণে বেঁচে থাকুক- এটাই আমাদের কামনা। ঘুণপোকা সারথিটিকে জীর্ণ করেছে। প্রদীপ বাবুকে অনুরোধ প্রয়োজনীয় সংরক্ষণ মূলক ব্যবস্থা নেবেন।” প্রদীপবাবু বলেন -” এই সুপ্রাচীন সামগ্রী টি পেয়ে আমরা খুব খুশি। সংগ্রহশালার গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রদর্শ হিসাবে এটি শোভা পাবে। এলাকার বয়স্কদের মুখে মুখে আজো ফেরে কাঁড়ার বাড়ির সেই বৃহদাকার শিল্পসুষমামন্ডিত রথের কথা। সৌভাগ্যবশত তারই একটি শিল্পনমুনা পাওয়া গেছে।একে বলা যেতে পারে লুপ্ত ইতিহাসের পুনরুদ্ধার। এখনকার মানুষ জন হারিয়ে যাওয়া রথের একটি অংশবিশেষ প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পেল।





















































































































