BREAKING:
চরম নির্যাতন ও দারিদ্র্যকে হারিয়ে সোনা, অদম্য ইচ্ছাশক্তির নতুন নাম শর্মিলা ধনকর মোহনবাগান-ইউনাইটেড নাটকীয় ম্যাচে ২ লাল কার্ড! সুহেলের গোলে জয় মোহনবাগানের ডুরান্ডে উড়ন্ত সূচনা মহামেডানের গ্লাসগোর রিং ও বারবেলে ভারতের জয়গাথা ফুটবলের রাজা এবার পর্দায়, নতুন ড্রামা সিরিজে সিআরসেভেন-আঁরি জুটি দিল্লিতে আফগানদের ‘হোম’ সিরিজ অনিশ্চিত, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের হাতে মাছ ধরার ছিপে জড়িয়ে ব্যাধপাড়ার জীবন-জীবিকা বর্ষায় বেহাল ক্যানিং জামতলা রাজ্য সড়ক ডেঙ্গু রুখতে রানাঘাট পৌরসভার অভিনব উদ্যোগ, বিদ্যালয়ে কর্মশালা ও কুইজ প্রতিযোগিতা তৃনমূল নেতার পুকুর থেকে উদ্ধার একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র জাল পরিচয়পত্র-সহ সাগরদিঘীতে ধৃত বাংলাদেশি যুবক ফেনসিডিল পাচারের আগেই সীমান্তে আটক চক্র আবগারি কর্মী সেজে চায়ের দোকানে হানা অনাস্থায় অপসারিত জঙ্গিপুরের পুরপ্রধান ঘরে বসে টাকা নিচ্ছেন তৃণমূল নেতা, মালদহে ‘প্রতিজ্ঞা অভিযান’-এর সূচনা, উচ্চশিক্ষা-পেশা নির্বাচনে পড়ুয়াদের পাশে জেলা প্রশাসন বিপ্লবী কানাইলাল ভট্টাচার্যের ৯৬তম আত্মাহুতি দিবস পালন জয়নগরে  চুঁচুড়ায় পঞ্চায়েত মন্ত্রী, ভিবি-জি রামজী প্রকল্প ও বন্যা মোকাবিলায় বৈঠক ডুরান্ডে নতুন চ্যালেঞ্জ! সোমবার যুবভারতীতে এফসি বেনারস ভাগপতের বিরুদ্ধে নামছে মহামেডান বিশ্বকাপ আউট, ক্লাব ইন: বেজে গেল ক্লাব ফুটবলের দামামা, আগস্টে লড়াই শুরু কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের জয়যাত্রা: মীরাবাই ও ঋষিকান্তের রেকর্ড গড়া পারফরম্যান্স বৈভবের ব্যাটে আগুন! জিম্বাবুয়েকে ৩-০-তে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ ভারতের ‘জাগ্রত প্রহরী’ প্রকাশে নতুন অধ্যায়, ২২তম সাহিত্য সেতুতে সম্মানিত গুণীজন লোহরপুরের প্রখ্যাত আলেম মাওলানা নুরুল ইসলাম কাশেমী আর নেই হাবড়ায় ২ চানাচুর কারখানায় খাদ্য সুরক্ষা দফতরের হানা, বাজেয়াপ্ত বিপুল সামগ্রী রায়চকে বিশ্ব ম্যানগ্রোভ দিবস উদযাপন ও কুলতলীতে আন্তর্জাতিক বাদাবন দিবস পালন শঙ্করপুর ট্রলার দুর্ঘটনায় নিহত মৎস্যজীবীদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা সহায়তা মুখ্যমন্ত্রীর বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সামশেরগঞ্জের বিধায়ক নুর আলম রবীন্দ্র নজরুল জন্ম শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান ও বিনামূল্যে বিশ্বমানের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পরিষেবা মৎস্য কর্মাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও মারধরের অভিযোগ বারুইপুর থানায় ম্যানগ্রোভ রক্ষায় পর্যটনের ভূমিকা, কান্দি মহকুমা হাসপাতালে চালু ‘মা আহার’, ৫ টাকায় মিলছে মাছ-ভাত অবশেষে গ্রেফতার  উপপ্রধান নির্মল ঘোষ  শ্রাবণের দ্বিতীয় সোমবারে তারকেশ্বরমুখী পুণ্যার্থীদের ঢল, কড়া নিরাপত্তা বার নজির, জগদগুরু কৃপা সেবা মিশনের প্রথম রক্তদান শিবিরে ব্যাপক সাড়া ভয়েস পাবলিক স্কুলে আন্তঃক্যাম্পাস ইলোকিউশন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সবজি বিক্রেতা থেকে কমনওয়েলথে পদক! ডার্বির রঙ সবুজ মেরুন, সাহালের গোলে ফ্যাকাশে লাল হলুদ ঈশান-ঝড়ে উড়ে গেল জিম্বাবুয়ে, বোলিংয়ে নজর কাড়লেন অভিষেক অপরাজেয় সুফিয়া: বীর জওয়ানদের উৎসর্গ করে ৫ হাজার কিমি পথ জয়ের লক্ষ্যে ১০টি খেলাতেও ১০০টা স্বপ্ন: লভলিনা-নীরজদের হাত ধরে ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে ভারত নিজ ভূমে পরবাসী! দিল্লিতে ভারতের বিরুদ্ধেই ‘হোম’ সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান গ্লাসগোর গ্যালারিতে ভারতের নতুন অধ্যায়: কমনওয়েলথ গেমসের রোমাঞ্চকর সূচনা ২০২৬ বিশ্বকাপের স্বপ্নের একাদশে মেসি-সহ আর কারা এশিয়ান গেমস ক্রিকেট: সরাসরি নকআউটে ভারত- পাকিস্তান, অপেক্ষায় আফগানিস্তান আজ জিতলেই সিরিজ পকেটে; নজরে বৈভব,মায়াঙ্ক, প্রিন্সরা ‘লাভ জিহাদ’ এর নামে হেনস্থা ও প্রাণনাশের হুমকি গুন্ডা দমন আইন ও বিচার-বহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে কলকাতায় নাগরিক কনভেনশন গাড়ির ব্যাটারি চুরি চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার ৫ অভিযুক্ত সুন্দরবনে মাছ ধরার নৌকায় অস্ত্র পাচারের ঘটনায় গ্রেফতার চার, উদ্ধার বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসস্ত্র  দীঘা জগন্নাথ মন্দিরে উল্টো রথযাত্রা ঘিরে ভক্তদের ঢল, ভক্তিমুখর পরিবেশে পালিত মহোৎসব উল্টোরথের রশিতে প্রথম টান গুপ্তিপাড়ায়, ভক্তসমাগমে মুখর ৩৬ ফুটের ঐতিহ্যের রথযাত্রা ওন্দায় তৃণমূল নেতাকে ‘ডিম থেরাপি’ ‘লাভ জিহাদ’ এর নামে হেনস্থা ও প্রাণনাশের হুমকি, জনগণনার কাজে যুক্ত হলে ‘অন্ ডিউটি ‘ হবে কিনা ধন্দে সরকারি কর্মী ও শিক্ষকরা গুন্ডা দমন আইন ও বিচার-বহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে কলকাতায় নাগরিক কনভেনশন নীতি আয়োগের তালিকায় নদীয়া: সেপ্টেম্বরেই শুরু মূল্যায়ন, সেরা হলে মিলবে ১০ কোটির বিশেষ ফান্ড গাড়ির ব্যাটারি চুরি চক্রের পর্দাফাঁস, মোট পাঁচ অভিযুক্ত গ্রেফতার, উদ্ধার ১৫টি চুরি যাওয়া ব্যাটারি সুন্দরবনে মাছ ধরার নৌকায় অস্ত্র পাচারের ঘটনায় গ্রেফতার চার, উদ্ধার বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসস্ত্র  কুমলাই নদী থেকে উদ্ধার বিজেপি কর্মীর দেহ, রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য পুলিশের ধাওয়ায় মাঝ নদীতে পাথরবোঝাই ট্রাক্টর ফেলে চম্পট জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রের নথি খতিয়ে দেখতে হুগলি-চুঁচুড়া ও বৈদ্যবাটি পুরসভায় পুলিশি অভিযান হেরিটেজ কলেজের রক্তদান শিবির ও গুণীজন সংবর্ধনা  গোবিন্দপুর রেল দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণ তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, দিলেন চাকরির আশ্বাস মেজর সত্য গুপ্ত: নেতাজীর বিপ্লবী অভিযাত্রার এক অবিস্মরণীয় সহযোদ্ধা যন্তরমন্তরে ৬ বছরের শিশুর মন্তব্য ঘিরে আলোচনা লাঠির ঘায়ে কি আস্থা ফেরে? নিট বিতর্ক: গণতন্ত্রের কঠিন পরীক্ষা ক্ষমতার অহংকার ইতিহাসের কাছে কখনো জয়ী হয়নি অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পেয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতে বিক্ষোভ, সহায়ককে মারধরের অভিযোগ সেবকে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা! নন্দী সেতুর নিচে পড়ল গাড়ি, নিহত ২, আহত ৩ নিটে ৬২১ নম্বর, অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক ৪৮৭৪: চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নপূরণের পথে রায়নার কৃষক-কন্যা বিপাশা হারারেতে টি-টোয়েন্টি যুদ্ধ, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ভারতের প্রথম পরীক্ষা রানাঘাট বিজ্ঞান মঞ্চের উদ্যোগে সফলভাবে পালিত হলো অরণ্য সপ্তাহ কর্মসূচি চন্দননগরে ৭০ হাজার চারা বিতরণের দাবি বন দপ্তরের বাঁকুড়ায় এসএফআই-এর প্রতীকী অনশন, শিক্ষা ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের দাবি বাঘ সংরক্ষণ বিষয়ক কর্মশালা  নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ছাত্র-যুবদের প্রতীকী অনশন চাকরি বিক্রির অভিযোগে অনুব্রত মণ্ডল-সহ ৬ জনের নামে মামলা ধুলিয়ানে সম্প্রীতির মঞ্চে নানা ধর্মের প্রতিনিধিরা, ঐক্য-সৌহার্দ্যের বার্তা সদ্ভাবনা মঞ্চের সময়ের ক্যানভাসে স্বপ্নের তুলি, নিউ জার্সিতে ফেরান তোরেসের মহাকাব্যিক অমরত্ব ট্রফি জয়ের পাশাপাশি একগুচ্ছ ব্যক্তিগত পুরষ্কার জিতলেন স্পেনের খেলোয়াড়রা গলি থেকে রাজপথ-লামিনে ইয়ামালের উত্থানের গল্প দৈনিক জনকণ্ঠের পাতায় দাম পেল না রোহিতের দুরন্ত শতরান, ইংল্যান্ডের কাছে ম্যাচ ও সিরিজ হারলো ভারত মালদা মুসলিম ইনস্টিটিউটে সভা ও বই প্রকাশ প্রথম বছরেই নিটে সাফল্য, কালিয়াচক ক্রিসেন্ট অ্যাকাডেমির জোড়া কৃতিত্ব কুলপির নাসিফার স্বর্ণপদক জয় মদ্যপ গেটম্যানের গাফিলতিতে রেল দুর্ঘটনা, চার শিশু-সহ নিহত ৫ অবসান হল একটি যুগের, জীবনাবসান স্যর গ্যারি সোবার্সের পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার অন্ধকার, ডোপ টেস্টে ধরা পড়লেন মহম্মদ নওয়াজ একগুচ্ছ রেকর্ডের সামনে ফুটবলের বরপুত্র, ফাইনালেই গড়তে পারেন ১১ রেকর্ড! রিশাদের ঘূর্নি আর তানজিদ, তামিমের ব্যাটিংয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল টাইগাররা কাজে এল না বিরাটের দারুন ব্যাটিং, রুটের ব্যাটে হার ভারতের, সিরিজে সমতা ফেরাল ব্রিটিশরা গ্রন্থাগারিক দিবসের প্রাক্কালে ‘রবীন্দ্র দৃষ্টিতে গ্রন্থাগার’ শীর্ষক আলোচনা সভা জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে আজ আবারও মাঠে সাদাকালো শিবির, সামনে এরিয়ান রুক্ষ মাটিতে মিয়াওয়াকি বনাঞ্চল, ছায়া ঘেরা স্কুলেই চলছে পাঠ মেহতাবের কাছে আটকাল মোহনবাগান,পয়েন্ট ভাগাভাগি খিদিরপুরের সাথে খারেজী মাদ্রাসার বর্তমান অবস্থা, সমস্যা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বারুইপুরের সূর্যপুরের স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে প্রতিবাদ মিছিল জয়নগরে জন্ম শতবর্ষের আলোয় মহানায়ক উত্তমকুমার  সৃজন সাথী শিল্পী চর্চা কেন্দ্রের চিকিৎসক দিবস ও উত্তমকুমার স্মৃতি সম্মান প্রদান অনুষ্ঠান

মুখ ঢেকে যায় প্রশ্নে

প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২৫, দুপুর ১২:৩৫ | আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৫, দুপুর ১২:৩৫
Business man cover face with question board

আমরা যদি মানুষ না হয়ে এক কোষি অ্যামিবা হতাম। ধরা যাক, আমাদের হাত পায়ে যদি আঙুল না থাকত। বা আঙুলগুলো যদি ভাঁজ না হয়ে লাঠির মতো সোজা হয়ে থাকত। পায়ে হাঁটু, গোড়ালি আর হাতে কনুই, কব্জি যদি না থাকত। মাথা বা ঘাড় যদি কোনদিকে না ঘুরত, ফিক্সড হয়ে থাকত।

আরও পড়ুন:

শরীরের কোথাও কেটে গেলে বা ফেটে গেলে যদি রক্ত বন্ধ না হতো, ফিনকি দিয়ে বেরতেই থাকত। প্রস্রাব পায়খানা যদি না পেত বা না হতো। কিংবা পেলে বা হলে যদি আর বন্ধ না হতো। চক্ষু যুগল যদি পায়ে কিংবা বুকে বসানো থাকত। মাথাটা যদি কোমরের ওপর লাগানো থাকত।

আরও পড়ুন:

ঘুম নামক কোনো বিষয় যদি আমাদের রোজনামচায় না থাকত। জিভে যদি স্বাদকোরক না থাকত। দাঁত বলে যদি কিছু না থাকত। হাসি, খুশি, আনন্দ, বেদনা, রাগ, অনুরাগ, মান, অভিমান যদি কিছুই না থাকত। যদি এমন হত, তবে কেমন হত?

আরও পড়ুন:

আচ্ছা যদি এমন হত, ধরা যাক কান দিয়ে খেতে হত বা শ্বাস নিতে হত। মুখ দিয়ে শুনতে হতো, নাক দিয়ে কথা বলতে হত। হাত দিয়ে হাঁটাচলা করতে হত। আর শ্রীচরণ যুগল যদি শীর্ষসন হয়ে থাকত এবং সেই পা দিয়ে হাতের কাজ করতে হত। তবে কেমন হত?

আরও পড়ুন:

আচ্ছা এই সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কি নিজ নিজ ধর্ম পালন করছে না? যদি ব্যতিক্রম হত? এই সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কার নির্দেশে পরিচালিত বা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে ? এগুলো কি আপনি আমি চালাচ্ছি ?

আরও পড়ুন:

ভাবুন তো, দাঁত যদি কক্ষচ্যুত বা লক্ষ্যচ্যুত হত, তাহলে আমাদের স্বাদের জিভ কি আর আস্ত থাকত, নাকি কেটে কুচিকুচি হয়ে যেত? হার্ট, কিডনি, লাংস, লিভার, ইন্টেস্টাইন, পাঙ্ক্রিয়াস ইত্যাদি ভাইটাল অর্গানগুলো যদি আমাদের দেহের বাইরে যেমন পেটে, বুকে, কাঁধে, পিঠে অবস্থান করতো, তবে কেমন হত?

আরও পড়ুন:

যারা ঈশ্বর আল্লাহ কিছুই মানেন না। বা যারা মানেন, কিন্তু ঐশ্বরিক বিধি নিষেধ মানেন না, যারা নিজেদের মর্জি মাফিক জীবন অতিবাহিত করতেই পছন্দ করেন। ভাবেন, আমি তো এত বছর ধরে নিজের মন মতো পথেই চলছি, কই আমার তো তেমন কোনো বড় ধরনের ক্ষতি বা বিপদ হয়নি। আমি তো দিব্যি আছি সর্বনাশে। কই ঈশ্বর আল্লাহ তো আমার প্রতি বিরূপ বা বিরাগভাজন হননি।

আরও পড়ুন:

Face Covered Question Mark Stock Photos - Free & Royalty-Free Stock Photos  from Dreamstime

আসলে আমরা মনে করি কে ঈশ্বর আল্লাহ, কী তার পরিচয়, কোথায় তার ঠিকানা, কী তার ক্ষমতা, তার সঙ্গে আমাদের সম্পর্কই বা কী — ইত্যাদি প্রভৃতি।

আরও পড়ুন:

কবে মরণ হবে, তারপর স্বর্গ নরক বা জান্নাত জাহান্নাম বলে আদৌ কিছু আছে কিনা ? ওসব তখন দেখা যাবে। ঈশ্বর আল্লাহর সঙ্গে আমি বা আমরা যে যার মতো করে বোঝাপড়া করে নেব। তোমাকে অকারণ মাথা ঘামাতে হবে না।

আরও পড়ুন:

কিন্তু একবার ভাবুন তো, আপনি আমি অন্ধ নই, হাবাববা নই, হাত আছে, পাও আছে, খোঁড়া নই, পঙ্গু নই, প্রতিবন্ধী নই। কিন্তু চোখ মেলে দেখুন কত মানুষ প্রতিবন্ধী হয়ে অভিশপ্ত জীবন কাটাচ্ছে। তাহলে আপনাকে আমাকে কে সেই মহান সত্তা পূর্ণাঙ্গ অবয়বে নিপুণ সৃজনপূর্ণ মানুষ করে ধরাধামে পাঠালেন? তিনি তো ইচ্ছে করলেই আমাদেরকেও নুলো, খোঁড়া, কানা, হাবা, বধির কিংবা পাগল করে পাঠাতে পারতেন। এসব থেকে আমাদের শিক্ষণীয় কিছুই কি নেই? ভাবনার কিছুই কি নেই?

আরও পড়ুন:

আপনার আমার চেনা জানা অনেক দম্পতি আছেন, যারা নিঃসন্তান। আবার অনেকের বাচ্চা হয়েও কিছুদিন বা কয়েকমাস বা কয়েক বছর পর মারা গিয়েছে। কারও শিশু আবার ভ্রূণ অবস্থায় গর্ভেই মারা গেছে। আপনি আমি যদি ঐসব ক্ষণজন্মার তালিকায় থাকতাম।

আরও পড়ুন:

এমনও দেখা যায় একটাই শরীরে দুই শিশু। কারও মাথা আকারে খুব বেশি বড়। কারও একটা বা দুটো চোখ নেই। কারও হাত নেই, কারওবা পা নেই। আরো কত কী না হতে পারতো বা হয়। আমরা যদি এরকম নেই রাজ্যের বাসিন্দা হতাম!! তবে কেমন হতো? আমরা কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে এসবের কোনোটাই নয়। এ কী আপনা হতেই হয়ে গেল? এ সবের নেপথ্যে কারও সার্বভৌমত্ব ক্ষমতা কাজ করছে না?

আরও পড়ুন:

আসুন আমরা এসব নিয়ে একটু ভাবতে শুরু করি। ২৪ ঘন্টা রোজ কেটে যাচ্ছে। এই সময়ে কত কিছু দেখছি, শুনছি, বলছি, পড়ছি, জানছি, বুঝছি। এই সবের মধ্য দিয়ে বরফ কিংবা মোমবাতির মত গলে যাচ্ছে সময়। রোজ একটু একটু করে আমাদের জীবন থেকে মাইনাস হয়ে যাচ্ছে সময়।

আরও পড়ুন:

আমরা স্বীকার করি বয়স বাড়ছে। কিন্তু না বন্ধু, আসলে বয়স কমছে। আমাদের জন্য বরাদ্দ সময় দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এখনও সময় আছে। ঘুম ভাঙলে সকাল, না ভাঙলে পরকাল। কাল হো না হো কেউ বলতে পারবে না। তাই আসুন ভাবনা চিন্তার অভিমুখ একটু বদলাই। আপনার জীবনবোধ বা জীবনদর্শন যাই হোক। সেটা আপনার স্বাধীনচেতা মনোভাবের পরিচয়। সেটাই আপনার স্বতন্ত্রতা। আমার চিন্তা ভাবনার সঙ্গে আপনি একমত নাই হতে পারেন। সবাইকে যে আমার মত করেই ভাবতে হবে, এমন দিব্যি কেউ দেয়নি। আপনি আপনার মতই ভাবুন। তাতে কিছু যায় আসে না। কিন্তু নতুন কিছু ভাবুন।

আরও পড়ুন:

58 Lady Question Mark Face Photos, Pictures And Background Images For Free  Download - Pngtree

মনে রাখতে হবে, নিজের ভালো পাগলেও বোঝে। আর আমরা সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী হয়ে কেন আমাদের ভাবনার পরিধিকে বাঁধা গতেই সীমাবদ্ধ রাখব? মস্তিষ্কের ল্যাবরেটরিতে জীবনটাকে এক্সপেরিমেন্ট করি আসুন। বেলা ফুরোবার আগে একটু ভিন্ন খাতে ভাবতে চেষ্টা করি আসুন। নইলে সামনে গভীর অন্ধকার। সুতরাং সাধু সাবধান। কিন্তু বিশ্রাম নিলে হবে না। চরৈবেতি।

আরও পড়ুন:

আমরা যে হাত দিয়ে কাউকে চড় থাপ্পড় মেরে থাকি, সেই হাতটা নেই বলে কেউ হয়ত তার সন্তানকে আদর করে বুকে জড়িয়ে ধরতে পারছেনা! রাগের মাথায় আমরা যে পা দিয়ে কাউকে লাথি মারি, সেই পা দুখানা না থাকার কারণে হয়ত কেউ স্কুলে যেতে পারছে না! ভিক্ষা করছে! যে চোখ দিয়ে পর্ণগ্রাফি বা আশ্লীল হারাম জিনিস দেখা হয়, সেই চোখে দৃষ্টিশক্তি না থাকায় কেউ হয়ত তার জন্মদাতা মা-বাবাকে এবং রঙিন পৃথিবীটাকে কোনোদিন দেখতেই পায়নি। যে মস্তিষ্ক দিয়ে অন্যকে ঠকাবার বা কাউকে কষ্ট দেবার ছক কষা হয়, সেই ব্রেন-বুদ্ধির অভাবে অনেকেই খ্যাপা হয়ে ভবঘুরের মতো শত ছিন্ন কাপড় পরে অর্ধ উলংগ হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কিংবা পাগলা গারদে শিকল বন্দী জবন কাটাচ্ছে! যে মুখ দিয়ে মিথ্যা কথা বলি, পরনিন্দা পরচর্চা গীবত করি, কাউকে খিস্তি গালাগালি করা হয়, সেই জিভ না থাকায় অনেকে কথাই বলতে পারে না। গায়ের ফর্সা রং রূপ ও চেহারার জন্য যারা অহংকার করে, দম্ভ ঔদ্ধত্য দেখায়, তারা একবার ভেবে দেখে না যে, কুৎসিত খর্বাকার কত মানুষ হীনমন্যতায় ভোগে, কিংবা আপনার থেকে অনেক বেশি সুন্দর রূপ চেহারা নিয়ে অহংকারের কারণেই ধ্বংস হয়ে গেছে, অথবা কবরে আযাব পাচ্ছে।

আরও পড়ুন:

আমরা কিন্তু ভেবে দেখি না যে, এই সবকিছুই আল্লাহর নিয়ামত। আমাদের শরীর, চেহারা, রং, রূপ, জ্ঞান, বুদ্ধি সবকিছুই আল্লাহর দেওয়া নিয়ামত। আর এসব নিয়ামত সমগ্র দিয়ে আমাদেরকে আল্লাহ্ করেছেন এবং আমাদের কাছেই আমাদেরকে আমানত হিসেবে জমা রেখেছেন। মৃত্যুর পর এই সকল নিয়ামত ও আমানতের জন্য আমাদেরকে জওয়াব দিতে হবে।

আরও পড়ুন:

এইসব নিয়ামত থেকে আমাদের মতো কত মানুষ বঞ্চিত হয়ে প্রতিবন্ধী হয়ে দুর্বিষহ জীবন অতিবাহিত করছে। আমরা যদি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় না করি এবং আল্লাহর বিধি বিধান মেনে না চলি, তাহলে আল্লাহ যেকোনো দিন আমাদের শরীর থেকে যেকোনো নিয়ামত ছিনিয়ে নিতে পারেন। তখন কী হবে? আল্লাহর পক্ষে এটা করা কি অসম্ভব? দুনিয়ায় আমরা মুসাফির। আমাদের এই জীবন কচুপাতার ওপর একফোঁটা পানির মতো। জীবনের অস্তিত্ব যদি এমন নশ্বর হয়, তাহলে হাত, পা, চোখ, মাথার মত অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কীভাবে চিরস্থায়ী হতে পারে? এসবের তো লয়, ক্ষয় আছে।

আরও পড়ুন:

প্রতিদিন কত মানুষ পৃথিবীর গাড়ি থেকে নেমে যাচ্ছে। কত লোক নিত্যদিন দুনিয়ার সফর শেষ করে আল্লাহর ডাকে লাব্বাইক বলে বিদায় নিচ্ছে। চেনা জানা পরিচিত আত্মীয় স্বজন সবাই চলে যাচ্ছে। আমরা কেবল ইন্না লিল্লাহে পড়েই চলেছি। কেউ ভাবছি না যে, একদিন যেকোনো দিন মসজিদের মাইক থেকে আমাদের নামও অ্যালান হবে। খাটিয়া চলে আসবে আমার বাড়ির সদর দরজায়। সেদিন আমি, আমার পরিচয়, আমার রূপের গর্ব, লেখাপড়া ও চাকরির অহংকার, জ্ঞানের অহমিকা কোথায় চলে যাবে!

আরও পড়ুন
Copyright © Jano Kantho
Developed by eTech Builder