পুলিশের ধাওয়ায় মাঝ নদীতে পাথরবোঝাই ট্রাক্টর ফেলে চম্পট

দৈনিক জনকণ্ঠ, প্রীতিময় সরখেল, মালবাজারঃ পুলিশের ধাওয়া খেয়ে খরস্রোতা নদীর মাঝেই পাথরবোঝাই ট্রাক্টর ফেলে পালাল দুষ্কৃতিরা। বৃহস্পতিবার মালবাজার থানার ওদলাবাড়ির ঘিস নদী এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। পরে পুলিশ একটি আর্থ মুভারের সাহায্যে নদী থেকে ট্রাক্টরটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। নদীতে আটকে পড়া ট্রাক্টর দেখতে ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারা।
পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে, ওদলাবাড়ির ঘিস নদী থেকে একটি ট্রাক্টরে অবৈধভাবে পাথর তোলা হচ্ছে। খবর পেয়েই মালবাজার থানার টহলদারি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিশকে দেখে ট্রাক্টর নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে চালক ও তার সঙ্গীরা। ধাওয়া খেয়ে তারা নদীপথে পালাতে গেলে খরস্রোতা ঘিস নদীর জলে ট্রাক্টরটি আটকে যায়। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে ট্রাক্টর ফেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। এরপর পুলিশ একটি আর্থ মুভারের সাহায্যে নদীতে আটকে থাকা ট্রাক্টরটি উদ্ধার করে মালবাজার থানায় নিয়ে আসে। ঘটনায় জড়িতদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া পাথর এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের কড়াকড়ি সত্ত্বেও গোপনে এখনও বিভিন্ন নদী থেকে অবৈধভাবে বালি ও পাথর তোলা এবং পাচারের চেষ্টা চলছে। তবে বালি-পাথর মাফিয়াদের ভয়ে অধিকাংশই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাননি। তাঁদের দাবি, অবৈধ খনন ও পাচার রুখতে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। এনিয়ে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বাপি গোস্বামী বলেন, “ওদের বহুদিনের চুরির অভ্যাস, তাই এই অবৈধ ব্যবসা ছাড়তে পারছে না। আমরা এই অবৈধ ব্যবসা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করব।”
মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুদীপ্ত সরকার জানান, “অবৈধভাবে বালি বা পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে পুলিশ কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। বৈধ রয়্যালটি ছাড়া কেউ বালি বা পাথর তুললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গোটা বিষয়টির ওপর আমরা সজাগ দৃষ্টি রেখেছি।”















































































































