ফেনসিডিল পাচারের আগেই সীমান্তে আটক চক্র

দৈনিক জনকণ্ঠ, জঙ্গিপুর: সীমান্তে ফের সক্রিয় আন্তর্জাতিক ও আন্তঃরাজ্য পাচার চক্র। তবে শেষ রক্ষা হল না। বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ফেনসিডিল পাচারের আগেই পুলিশের জালে ধরা পড়ল এক পাচারকারী। সোমবার গভীর রাতে সূতি থানার পুলিশি অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ৩০০ বোতল নিষিদ্ধ ফেনসিডিল। গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক যুবককে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম মাইমুল হক। সে ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ জেলার শিরকুণ্ডার বাসিন্দা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ঝাড়খণ্ড থেকেই এই বিপুল পরিমাণ মাদক নিয়ে এসে সূতির সীমান্ত এলাকা দিয়ে ওপারে পাঠাবার ছক কষা হয়েছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়েই সোমবার গভীর রাতে সূতির নূরপুর কাঁঠালতলা এলাকায় অভিযান চালায় তদন্তকারীরা। ওই পথ ধরে আন্তর্জাতিক সীমান্তে মাদক পাচার করার পরিকল্পনা ছিল। তথ্য মেলার পরপরই এলাকাটিকে ঘিরে ফেলেন পুলিশকর্মীরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি সন্দেহভাজন টোটোকে আসতে দেখে সেটিকে দাঁড় করায় পুলিশ। চালাক টোটো চালককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে তাঁর কথাবার্তায় একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এর পরেই সন্দেহ জোরালো হওয়ায় তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। ব্যাগ খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ পুলিশকর্মীদের! ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় সার সার সাজানো নিষিদ্ধ ফেনসিডিলের বোতল। গণনায় দেখা যায়, ব্যাগে প্রায় ৩০০ বোতল ফেনসিডিল ছিল। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে মাদক বাজেয়াপ্ত করে সূতি থানার পুলিশ।
ধৃতের বিরুদ্ধে মাদকবিরোধী সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ধৃতকে জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে পেশ করে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হলে বিচারক পাঁচ দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দেন। এই আন্তঃরাজ্য ও আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের নেপথ্যে আর কারা জড়িয়ে রয়েছে এবং ঝাড়খণ্ড থেকে সীমান্ত পর্যন্ত এই সংযোগ ব্যবস্থার মূল পাণ্ডার খোঁজে ধৃতকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে।






















































































































