প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিস্ফোরক বিকাশ ভট্টাচার্য

নতুন পয়গাম,
কলকাতা, ২২ সেপ্টেম্বর: প্রাথমিকের ৩২ হাজার চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলার শুনানি হল সোমবার। এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানিতে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য দাবি করেন, শুধু আর্থিক লেনদেনই নয়, ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সিস্টেমেটিক জালিয়াতি হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬-র নোটিসে ৪২ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু মেরিট লিস্ট, প্যানেল বা স্কোরকার্ড প্রকাশ করা হয়নি। কিছু প্রার্থীর নাম প্যানেলে না থাকলেও তাদেরকে ডাকা হয়েছিল। তাছাড়া বিধায়ক ও সাংসদদের নাম জড়িত থাকার অভিযোগও ওঠে।
বিকাশ ভট্টাচার্যের আরও দাবি, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ফলাফল প্রকাশের পরও কাউকে মেরিট লিস্ট বা স্কোরকার্ড দেওয়া হয়নি। রাজনীতিকদের নাম জড়িয়েছে টাকা নেওয়ার অভিযোগে। বিধায়ক-সাংসদদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির আঙুল উঠেছে।
এদিন বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী শুনানির সময় প্রশ্ন করেন, ২০১৬ সালের নিয়োগ নিয়ে যদি প্রশ্ন থাকে, সে বিষয়টি কোথায় উল্লেখ করা হয়েছে? বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, বোর্ড নিজস্ব নিয়মও মানেনি। ডিপিএসসি-র বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সিবিআই তদন্ত ও চার্জশিটের প্রসঙ্গ টেনে তাঁর দাবি, দুর্নীতি ক্যান্সারের আকার নিয়েছে; সরকারের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি বাসা বেঁধেছে। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে ধ্বংস ডেকে আনবে।
আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য আরও বলেন, ডিপিএসসি ও বোর্ড সিলেকশন কমিটি গঠন করাই হয়নি। নিয়োগের সময় নিয়ম ঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি। সিবিআই ইতিমধ্যেই চার্জশিট ফাইল করেছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৯ অক্টোবর।






































































































