এসআইআর সম্পর্কিত খুঁটিনাটি

নতুন পয়গাম, নতুন দিল্লি:
ভারতীয় সংবিধানের ৩/২৪/সি ধারায় বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করার দায়িত্ব রাজ্যের। কর্মী জোগান দেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বও তাদের।
অসমের এনআরসি প্রায় শেষের পথে। তাছাড়া উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের নিজস্ব বিধানও রয়েছে। তাই এই বিজেপি শাসিত রাজ্যে এসআইআর হচ্ছে না বলে জানান জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।
বাংলা-সহ ছত্তিশগড়, গুজরাট, কেরল, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, গোয়া এবং আন্দামান ও নিকোবর, লাক্ষাদ্বীপ, পুদুচেরি – এই তিন কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলেও মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া।

২৮ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত বিএলও-দের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ৪ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর বাড়ি বাড়ি এনুমারেশন ফর্ম বিলি করা হবে। ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে। ৯ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ৯ ডিসেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন শোনা ও খতিয়ে দেখার কাজ চলবে। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে।
আন্দামান ও নিকোবর, বাংলা, ছত্তিশগড়, গোয়া, মধ্যপ্রদেশ, পুদুচেরিতে প্রায় ৫ লক্ষাধিক বিএলএ কাজে যোগ দেবেন। অযোগ্যদের নাম যাতে তালিকায় কোনভাবে না ঢোকে, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বিএলও-দের।
![]()
যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁরা প্রথমে জেলাশাসককে জানাবেন। তারপর সংশোধনী ক্ষেত্রে ৬, ৭ অথবা ৮ নং ফর্ম পূরণ করতে পারবেন।
১৮ বছর যাঁদের সদ্য হয়েছে তাঁদেরও ফর্ম দেওয়া হবে। ৬ নং ফর্ম পূরণ করে লিংক করবেন বিএলও-রা।
কম্পিউটার ম্যাচিং ও ম্যাপিংয়ের পর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন।
২০০৩ সালের তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের আর কোনও কাগজ বা নথি দিতে হবে না। কারও যদি নিজের নাম না থাকে কিন্তু বাবা-মায়ের নাম থাকে, তাহলেও আর কাগজ দিতে হবে না। এই ম্যাচিং ভোটাররা নিজেরাই করতে পারবেন।
অনলাইনে এনুমারেশন ফর্ম ফিল আপ করা যাবে। প্রবাসীদের সমস্যার কথা মাথায় রেখে অনলাইনে ফর্ম ফিল আপের সিদ্ধান্ত হবে। নিরক্ষর ভোটারদের সাহায্য করবেন বিএলও-রা। তিনবার করে প্রতিটি বাড়িতে যাবেন আধিকারিকরা।
মঙ্গলবার ২৮ তারিখ রাত ১২টা থেকে পুরনো ভোটার তালিকা ফ্রিজ করে দিল নির্বাচন কমিশন। তারপর থেকে পাওয়া যাবে এনুমারেশন ফর্ম। ওই ফর্মের ভিত্তিতে লিঙ্কিং ও ম্যাচিং করা হবে। সেই অনুযায়ী এসআইআর তালিকাভুক্ত হবে।
আইন অনুযায়ী ভোটের আগে এসআইআর করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট বিধানসভা এলাকার বাসিন্দা হতে হবে।
স্বাধীনতার ৪ বছর পর ১৯৫১ সালে প্রথমবার দেশে এসআইআর হয়েছিল। শেষবার ২০০২ সাল পর্যন্ত মোট ৮ বার এসআইআর হয়েছে।
সঠিক পদ্ধতিতে এসআইআর হয়েছে সেখানে।’’
























































































































