BREAKING:
ঘরের মাঠে সুরুচি-বধ মহামেডানের, তবুও চিন্তার ভাজ কপালে ডার্বি হারের পর জয়ে ফেরার মিশন বিসিসিআই-এর সেন্টার অব এক্সিলেন্সে তামিম ইকবাল চেন্নাই ছেড়ে ইংল্যান্ডের হেড কোচ ফ্লেমিং, ফের টেস্ট অধিনায়ক জো রুট নীরজের সঙ্গে ফাইনালে রোহিত-যশবীরও, জ্যাভলিনে ভারতের ট্রিপল ধামাকা সিলসের পেসে ছারখার পাকিস্তান, ১২০ রানে শেষ বাবরদের ইনিংস ১ আগস্ট ইস্টবেঙ্গলের ১০৭-তম প্রতিষ্ঠা দিবস চরম নির্যাতন ও দারিদ্র্যকে হারিয়ে সোনা, অদম্য ইচ্ছাশক্তির নতুন নাম শর্মিলা ধনকর মোহনবাগান-ইউনাইটেড নাটকীয় ম্যাচে ২ লাল কার্ড! সুহেলের গোলে জয় মোহনবাগানের ডুরান্ডে উড়ন্ত সূচনা মহামেডানের গ্লাসগোর রিং ও বারবেলে ভারতের জয়গাথা ফুটবলের রাজা এবার পর্দায়, নতুন ড্রামা সিরিজে সিআরসেভেন-আঁরি জুটি দিল্লিতে আফগানদের ‘হোম’ সিরিজ অনিশ্চিত, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের হাতে মাছ ধরার ছিপে জড়িয়ে ব্যাধপাড়ার জীবন-জীবিকা বর্ষায় বেহাল ক্যানিং জামতলা রাজ্য সড়ক ডেঙ্গু রুখতে রানাঘাট পৌরসভার অভিনব উদ্যোগ, বিদ্যালয়ে কর্মশালা ও কুইজ প্রতিযোগিতা তৃনমূল নেতার পুকুর থেকে উদ্ধার একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র জাল পরিচয়পত্র-সহ সাগরদিঘীতে ধৃত বাংলাদেশি যুবক ফেনসিডিল পাচারের আগেই সীমান্তে আটক চক্র আবগারি কর্মী সেজে চায়ের দোকানে হানা অনাস্থায় অপসারিত জঙ্গিপুরের পুরপ্রধান ঘরে বসে টাকা নিচ্ছেন তৃণমূল নেতা, মালদহে ‘প্রতিজ্ঞা অভিযান’-এর সূচনা, উচ্চশিক্ষা-পেশা নির্বাচনে পড়ুয়াদের পাশে জেলা প্রশাসন বিপ্লবী কানাইলাল ভট্টাচার্যের ৯৬তম আত্মাহুতি দিবস পালন জয়নগরে  চুঁচুড়ায় পঞ্চায়েত মন্ত্রী, ভিবি-জি রামজী প্রকল্প ও বন্যা মোকাবিলায় বৈঠক ডুরান্ডে নতুন চ্যালেঞ্জ! সোমবার যুবভারতীতে এফসি বেনারস ভাগপতের বিরুদ্ধে নামছে মহামেডান বিশ্বকাপ আউট, ক্লাব ইন: বেজে গেল ক্লাব ফুটবলের দামামা, আগস্টে লড়াই শুরু কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের জয়যাত্রা: মীরাবাই ও ঋষিকান্তের রেকর্ড গড়া পারফরম্যান্স বৈভবের ব্যাটে আগুন! জিম্বাবুয়েকে ৩-০-তে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ ভারতের ‘জাগ্রত প্রহরী’ প্রকাশে নতুন অধ্যায়, ২২তম সাহিত্য সেতুতে সম্মানিত গুণীজন লোহরপুরের প্রখ্যাত আলেম মাওলানা নুরুল ইসলাম কাশেমী আর নেই হাবড়ায় ২ চানাচুর কারখানায় খাদ্য সুরক্ষা দফতরের হানা, বাজেয়াপ্ত বিপুল সামগ্রী রায়চকে বিশ্ব ম্যানগ্রোভ দিবস উদযাপন ও কুলতলীতে আন্তর্জাতিক বাদাবন দিবস পালন শঙ্করপুর ট্রলার দুর্ঘটনায় নিহত মৎস্যজীবীদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা সহায়তা মুখ্যমন্ত্রীর বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সামশেরগঞ্জের বিধায়ক নুর আলম রবীন্দ্র নজরুল জন্ম শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান ও বিনামূল্যে বিশ্বমানের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পরিষেবা মৎস্য কর্মাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও মারধরের অভিযোগ বারুইপুর থানায় ম্যানগ্রোভ রক্ষায় পর্যটনের ভূমিকা, কান্দি মহকুমা হাসপাতালে চালু ‘মা আহার’, ৫ টাকায় মিলছে মাছ-ভাত অবশেষে গ্রেফতার  উপপ্রধান নির্মল ঘোষ  শ্রাবণের দ্বিতীয় সোমবারে তারকেশ্বরমুখী পুণ্যার্থীদের ঢল, কড়া নিরাপত্তা বার নজির, জগদগুরু কৃপা সেবা মিশনের প্রথম রক্তদান শিবিরে ব্যাপক সাড়া ভয়েস পাবলিক স্কুলে আন্তঃক্যাম্পাস ইলোকিউশন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সবজি বিক্রেতা থেকে কমনওয়েলথে পদক! ডার্বির রঙ সবুজ মেরুন, সাহালের গোলে ফ্যাকাশে লাল হলুদ ঈশান-ঝড়ে উড়ে গেল জিম্বাবুয়ে, বোলিংয়ে নজর কাড়লেন অভিষেক অপরাজেয় সুফিয়া: বীর জওয়ানদের উৎসর্গ করে ৫ হাজার কিমি পথ জয়ের লক্ষ্যে ১০টি খেলাতেও ১০০টা স্বপ্ন: লভলিনা-নীরজদের হাত ধরে ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে ভারত নিজ ভূমে পরবাসী! দিল্লিতে ভারতের বিরুদ্ধেই ‘হোম’ সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান গ্লাসগোর গ্যালারিতে ভারতের নতুন অধ্যায়: কমনওয়েলথ গেমসের রোমাঞ্চকর সূচনা ২০২৬ বিশ্বকাপের স্বপ্নের একাদশে মেসি-সহ আর কারা এশিয়ান গেমস ক্রিকেট: সরাসরি নকআউটে ভারত- পাকিস্তান, অপেক্ষায় আফগানিস্তান আজ জিতলেই সিরিজ পকেটে; নজরে বৈভব,মায়াঙ্ক, প্রিন্সরা ‘লাভ জিহাদ’ এর নামে হেনস্থা ও প্রাণনাশের হুমকি গুন্ডা দমন আইন ও বিচার-বহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে কলকাতায় নাগরিক কনভেনশন গাড়ির ব্যাটারি চুরি চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার ৫ অভিযুক্ত সুন্দরবনে মাছ ধরার নৌকায় অস্ত্র পাচারের ঘটনায় গ্রেফতার চার, উদ্ধার বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসস্ত্র  দীঘা জগন্নাথ মন্দিরে উল্টো রথযাত্রা ঘিরে ভক্তদের ঢল, ভক্তিমুখর পরিবেশে পালিত মহোৎসব উল্টোরথের রশিতে প্রথম টান গুপ্তিপাড়ায়, ভক্তসমাগমে মুখর ৩৬ ফুটের ঐতিহ্যের রথযাত্রা ওন্দায় তৃণমূল নেতাকে ‘ডিম থেরাপি’ ‘লাভ জিহাদ’ এর নামে হেনস্থা ও প্রাণনাশের হুমকি, জনগণনার কাজে যুক্ত হলে ‘অন্ ডিউটি ‘ হবে কিনা ধন্দে সরকারি কর্মী ও শিক্ষকরা গুন্ডা দমন আইন ও বিচার-বহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে কলকাতায় নাগরিক কনভেনশন নীতি আয়োগের তালিকায় নদীয়া: সেপ্টেম্বরেই শুরু মূল্যায়ন, সেরা হলে মিলবে ১০ কোটির বিশেষ ফান্ড গাড়ির ব্যাটারি চুরি চক্রের পর্দাফাঁস, মোট পাঁচ অভিযুক্ত গ্রেফতার, উদ্ধার ১৫টি চুরি যাওয়া ব্যাটারি সুন্দরবনে মাছ ধরার নৌকায় অস্ত্র পাচারের ঘটনায় গ্রেফতার চার, উদ্ধার বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসস্ত্র  পুলিশের ধাওয়ায় মাঝ নদীতে পাথরবোঝাই ট্রাক্টর ফেলে চম্পট জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রের নথি খতিয়ে দেখতে হুগলি-চুঁচুড়া ও বৈদ্যবাটি পুরসভায় পুলিশি অভিযান হেরিটেজ কলেজের রক্তদান শিবির ও গুণীজন সংবর্ধনা  গোবিন্দপুর রেল দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণ তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, দিলেন চাকরির আশ্বাস মেজর সত্য গুপ্ত: নেতাজীর বিপ্লবী অভিযাত্রার এক অবিস্মরণীয় সহযোদ্ধা যন্তরমন্তরে ৬ বছরের শিশুর মন্তব্য ঘিরে আলোচনা লাঠির ঘায়ে কি আস্থা ফেরে? নিট বিতর্ক: গণতন্ত্রের কঠিন পরীক্ষা ক্ষমতার অহংকার ইতিহাসের কাছে কখনো জয়ী হয়নি অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পেয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতে বিক্ষোভ, সহায়ককে মারধরের অভিযোগ সেবকে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা! নন্দী সেতুর নিচে পড়ল গাড়ি, নিহত ২, আহত ৩ নিটে ৬২১ নম্বর, অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক ৪৮৭৪: চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নপূরণের পথে রায়নার কৃষক-কন্যা বিপাশা হারারেতে টি-টোয়েন্টি যুদ্ধ, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ভারতের প্রথম পরীক্ষা রানাঘাট বিজ্ঞান মঞ্চের উদ্যোগে সফলভাবে পালিত হলো অরণ্য সপ্তাহ কর্মসূচি চন্দননগরে ৭০ হাজার চারা বিতরণের দাবি বন দপ্তরের বাঁকুড়ায় এসএফআই-এর প্রতীকী অনশন, শিক্ষা ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের দাবি বাঘ সংরক্ষণ বিষয়ক কর্মশালা  নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ছাত্র-যুবদের প্রতীকী অনশন চাকরি বিক্রির অভিযোগে অনুব্রত মণ্ডল-সহ ৬ জনের নামে মামলা ধুলিয়ানে সম্প্রীতির মঞ্চে নানা ধর্মের প্রতিনিধিরা, ঐক্য-সৌহার্দ্যের বার্তা সদ্ভাবনা মঞ্চের সময়ের ক্যানভাসে স্বপ্নের তুলি, নিউ জার্সিতে ফেরান তোরেসের মহাকাব্যিক অমরত্ব ট্রফি জয়ের পাশাপাশি একগুচ্ছ ব্যক্তিগত পুরষ্কার জিতলেন স্পেনের খেলোয়াড়রা গলি থেকে রাজপথ-লামিনে ইয়ামালের উত্থানের গল্প দৈনিক জনকণ্ঠের পাতায় দাম পেল না রোহিতের দুরন্ত শতরান, ইংল্যান্ডের কাছে ম্যাচ ও সিরিজ হারলো ভারত মালদা মুসলিম ইনস্টিটিউটে সভা ও বই প্রকাশ প্রথম বছরেই নিটে সাফল্য, কালিয়াচক ক্রিসেন্ট অ্যাকাডেমির জোড়া কৃতিত্ব কুলপির নাসিফার স্বর্ণপদক জয় মদ্যপ গেটম্যানের গাফিলতিতে রেল দুর্ঘটনা, চার শিশু-সহ নিহত ৫ অবসান হল একটি যুগের, জীবনাবসান স্যর গ্যারি সোবার্সের পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার অন্ধকার, ডোপ টেস্টে ধরা পড়লেন মহম্মদ নওয়াজ একগুচ্ছ রেকর্ডের সামনে ফুটবলের বরপুত্র, ফাইনালেই গড়তে পারেন ১১ রেকর্ড! রিশাদের ঘূর্নি আর তানজিদ, তামিমের ব্যাটিংয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল টাইগাররা কাজে এল না বিরাটের দারুন ব্যাটিং, রুটের ব্যাটে হার ভারতের, সিরিজে সমতা ফেরাল ব্রিটিশরা গ্রন্থাগারিক দিবসের প্রাক্কালে ‘রবীন্দ্র দৃষ্টিতে গ্রন্থাগার’ শীর্ষক আলোচনা সভা জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে আজ আবারও মাঠে সাদাকালো শিবির, সামনে এরিয়ান

ঐতিহাসিক জাবালে নূর ও হেরা গুহা

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০২৫, সকাল ১০:৫১ | আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২৫, সকাল ১০:৫১

খান বাহাদুর সেখ

আরও পড়ুন:

নতুন পয়গাম: হেরা বা গারে হেরা বা হেরা গুহা, সৌদি আরবের মক্কায় জাবালে নূর পর্বতে অবস্থিত একটি গুহা। আল্লাহ তাআলার নাযিল করা পবিত্র কুরআনের প্রথম আলোয় আলোকিত এই পাহাড় ও গুহা। যেখানে সর্বপ্রথম পবিত্র কুরআনের আয়াত নাযিল বা অবতীর্ণ হয়েছিল। যা পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আলাকের প্রথম পাঁচটি আয়াত এসেছিল ফেরেশতা জিবরাঈল (আ.)-এর কাছ থেকে। তাই এই পবিত্র গুহা মক্কার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ। এই গুহা ইসলামী ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী একটি স্থান। কারণ, এখানেই শেষনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর ইবাদতে ধ্যানমগ্ন থাকতেন এবং জিবরাইল (আ.) ফেরেশতার মাধ্যমে তাঁর ওপর প্রথম ওহী নাযিল হয়েছিল।

আরও পড়ুন:

প্রথম ওহী নাযিল: গারে হেরা হল সেই ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে সর্বপ্রথম পবিত্র কুরআনের আয়াত নাযিল হয় এবং নবী মুহাম্মদ (সা.) নবুয়ত লাভ করেন।
ইবাদতের স্থান: নবুয়ত লাভের পূর্বে নবী মুহাম্মদ (সা.) এই পবিত্র গুহায় আল্লাহ তায়ালার ইবাদতে মগ্ন থাকতেন। এটি পবিত্র মক্কা শরীফ বা মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় দুই মাইল দূরে অবস্থিত। হেরা গুহা দৈর্ঘ্যে ১২ ফুট এবং প্রস্থে ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি। এটি জাবালে নূর বা নূর পর্বতের চূড়ায় অবস্থিত। সেই সময় এই গুহায় ওঠা বা চড়া মোটেই সহজ ছিল না। কারণ, তখন ছিল না উপরে ওঠার কোনো সহজ পথ। এখন যেখানে ওঠতে শক্তিশালী ও সামর্থবান মানুষের ১ ঘণ্টারও বেশি লেগে যায়। প্রায় হাজার ফুট উচ্চতার ভয়ংকর পথ পাড়ি দিয়ে পাহাড়ের চূড়ায় ওঠতে বেশ কয়েকবার বিশ্রাম নিতে হয়। সমতল ভূমি থেকে পাহাড়ের ওপরের দিকে প্রায় ২০০-২৫০ ফুট পথ গাড়িতে যাওয়া যায়। সেখান থেকে ৮৯০ ফুট উচ্চতায় হেরা গুহা অবস্থিত। হেরা গুহায় যেতে আরও প্রায় ১০০ ফুট রাস্তা পাড়ি দিতে হয়। কেননা, পাহাড়ের চড়ূা থেকে বিপরীত দিকে একটু নিচে অবস্থিত হেরা গুহায় যাওয়া বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। হেরা গুহাটি পাহাড়ের সর্বোচ্চ চূড়ায় না হলেও সেখানে যেতে হলে সর্বোচ্চ চূড়ায় ওঠতে হয়। সেখানে ওঠা ছাড়া হেরা গুহায় যাওয়ার বিকল্প পথ নেই।

আরও পড়ুন:

প্রিয় নবী (সা.) যে গুহায় ইবাদাত বা ধ্যান করতেন, সেটি আকারে অনেক ছোট। ফলে সেখানে একজন মানুষেরই নড়াচড়া করতে কষ্ট হয়। অনেকেই প্রিয় নবী (সা.)-এর স্মৃতিবিজড়িত এই পাহাড় বা গুহা দেখতে যায় এবং হেরা গুহায় নামায বা সিজদাহ করেন। তবে সেখানে একজনের বেশি লোক নামায আদায় করা সম্ভব নয়। এই পাহাড়ের চূড়া সংলগ্ন হেরা গুহায় ৬১০ খ্রিস্টাব্দে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনুল কারিম নাযিল করেন। হেরা গুহা এত ছোট ও এর পরিসর এত কম যে, প্রথম দেখাতেই বিস্ময়কর মনে হবে। এ স্থানেই রাসুলুল্লাহ (সা.) ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। অথচ এর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা এতই কম যে, ভালভাবে সোজা হয়ে দাঁড়ানোও কষ্টকর। প্রিয় নবী (সা.) বর্ণনা করেন- ‘এক রাতে তাহাজ্জুদের সময় মানুষের আকৃতিতে একজন ফেরেশতা তাঁর কাছে আসেন এবং বলেন, ‘পড়ুন’। উত্তরে রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমি পড়তে জানি না’। তারপরও ফেরশতা তাকে আরও দু’বার পড়ার অনুরোধ করেন এবং দু’বারই প্রিয় নবী (সা.) জানালেন ‘আমি পড়তে জানি না’।

আরও পড়ুন:

শেষ পর্যন্ত ফেরেশতা হযরত জিবরিল (আ.) কুরআনের ৯৬ নং সুরার প্রথম ৫টি আয়াত তিলাওয়াত করলেন। যা ছিল প্রিয় নবী (সা.)-এর প্রতি নাযিলকৃত প্রথম ওহি। সূরা আলাক-এর সেই আয়াতগুলো ছিল এরকম:
১) পড়ুন আপনার পালনকর্তার নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।
২) সৃষ্টি করেছেন মানুষকে, জমাট রক্ত থেকে।
৩) পাঠ করুন, আপনার পালনকর্তা মহা দয়ালু।
৪) যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
৫) শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে, যা সে জানত না।

আরও পড়ুন:

ইসলাম-পূর্ব যুগে হেরা গুহা তেমন গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। এর নাম এসেছে হিরা বা রত্ন থেকে। পাহাড়ের ১৭৫০টি ধাপ অতিক্রম করে এই গুহায় পৌঁছানো যায়। এটি লম্বায় প্রায় ৩.৭ মিটার বা ১২ ফুট এবং প্রস্থে ১.৬০ মিটার বা ৫ ফু ৩ ইঞ্চি। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৭০ মিটার বা ৮৯০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। পবিত্র হজ্জ মুবারকের সময় আনুমানিক ৫-৬ হাজার দর্শনার্থী প্রতিদিন মহানবী (সা.)-এর স্মৃতিবিজড়িত এই পবিত্র গুহায় আরোহণ বা পরিদর্শন করেন। এই স্থানেই পবিত্র লাইলাতুল ক্কদর-এর রাতে, ফেরেশতা জিব্রাইল (আ.)-এর মাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি কুরআনের সর্বপ্রথম ওহী বা ঐশী প্রত্যাদেশ নাযিল বা অবতীর্ণ হয়েছিল। অধিকাংশ মুসলমান হজ ও উমরাহের সময় আগ্রহ এবং আধ্যাত্মিকতার টানে এখানে আসেন। কেউ কেউ এটিকে বিশেষ ইবাদাতগাহ বলেও মনে করেন।

আরও পড়ুন:

উল্লেখ্য, মহানবী (সা.)-এর ওপর প্রথম ওহী নাযিলের আগে তিনি আধ্যাত্মিক স্বপ্ন দেখতেন। এই স্বপ্নগুলোতে এমন সব ইঙ্গিত ছিল যে, তাঁর নবুয়ত শুরু হয়েছে এবং মক্কার পাথরগুলো তাঁকে সালাম দিয়ে অভ্যর্থনা জানাবে। এই স্বপ্নগুলো টানা প্রায় ছয় মাস ধরে চলেছিল। একাকিত্বের ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনের তাগিদে মহানবী (সা.) মক্কার পার্শ্ববর্তী পাথুরে পাহাড়ে নির্জনতা এবং ধ্যান (মুরাকাবা) করার জন্য নির্জন স্থান খুঁজছিলেন। তিনি প্রতি বছর এক মাসের জন্য এই গুহায় নির্জনতা (তাহান্নুস) অবলম্বন করতেন। তিনি খাদ্য নিয়ে যেতেন এবং তাঁর কাছে আগত দরিদ্রদের খাওয়াতেন। রসদের জন্য বাড়িতে ফিরে যাওয়ার আগে তিনি পবিত্র কাবা ঘর সাতবার প্রদক্ষিণ বা তাওয়াফ করতেন।

আরও পড়ুন
Copyright © Jano Kantho
Developed by eTech Builder