প্রয়াত কবি শেরিফ হোসেন! সাগরদিঘীর সাহিত্য মহলে শোকের ছায়া

রহমতুল্লাহ, সাগরদিঘী:
সাগরদিঘীর সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতে নেমে এসেছে গভীর শোক। বৃহস্পতিবার ৬৭ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক, সমাজসেবী ও ‘চিন্তন’ সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক শেরিফ হোসেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সমগ্র সাগরদিঘী মহলে।
সাহিত্যচর্চা, প্রবন্ধ রচনা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সাগরদিঘীর নাম রাজ্যের সীমা পেরিয়ে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। একসময় ব্যাংকের দায়িত্বশীল কর্মচারী হিসেবে কাজ করেছেন শেরিফ হোসেন। অবসরের পর স্থায়ীভাবে সাগরদিঘীতে বসবাস শুরু করে সাহিত্যচর্চাকে জীবনের প্রধান সাধনা হিসেবে গ্রহণ করেন। স্থানীয় গ্রন্থাগারের উন্নতির জন্য তিনি নিরলস পরিশ্রম করেছেন, বই পড়ায় মানুষকে উৎসাহিত করতেন, নবীন লেখকদের পাশে থেকেছেন দিকনির্দেশনা দিয়ে।
সহজ-সরল, ভদ্র ও মিশুক মানুষ হিসেবে সাগরদিঘীর বাজারে সকাল বা বিকেলে দেখা মিলত তাঁর। পরিচিত মানুষদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ে কখনও কার্পণ্য করতেন না। সাহিত্যসেবার পাশাপাশি সমাজসেবায়ও ছিল তাঁর আগ্রহ।
কয়েক বছর আগে তিনি তাঁর স্ত্রীকে হারান। তারপর থেকেই কিছুটা নিঃসঙ্গ হলেও সাহিত্যসঙ্গেই কাটিয়ে দিতেন সময়। গত কয়েক মাস ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। তবুও সম্প্রতি কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা ও বিশ্ব বেতার দিবসের অনুষ্ঠানে তাঁকে উপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছিল।
শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর সাগরদিঘীর ব্রাহ্মণী গ্রামের কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়। সাহিত্যপ্রেমী ও সংস্কৃতিকর্মীদের মতে, “শেরিফ হোসেনের প্রয়াণে সাগরদিঘীর সাহিত্য জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হলো।”
শুক্রবার সন্ধ্যা নিরবতা পালনের মধ্য দিয়ে স্মৃতিচারণ করেন অভিনেতা রবিন দত্ত, প্রাক্তন শিক্ষক-সচিন পাল, সবুজ বার্তা পত্রিকার সম্পাদক রহমাতুল্লাহ, রক্ত যোদ্ধা সঞ্জীব দাস।































































































































