মাদ্রাসা ও এমএসকে-র পাঠ্যপুস্তকের তথ্য সংগ্রহ অনলাইনে

নিজস্ব প্রতিবেদন, নতুন পয়গাম:
২০২৬ সালের শিক্ষাবর্ষের জন্য সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মাদ্রাসা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা কেন্দ্রগুলির কাছ থেকে অনলাইনে পাঠ্যপুস্তকের তথ্য সংগ্রহ চলছে সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিষয়ক দফতরের নির্দেশে। প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের পক্ষ থেকে অনলাইনে আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, ক্যাটিগোরি-সহ নির্দিষ্ট কিছু তথ্য আপডেট করে রেজিস্ট্রেশন করতে বলা হয়েছে। তারপর ওটিপি বেসড সিস্টেমে প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সংখ্যা আপলোড করতে হবে। পোর্টালে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা আপলোড করার পর জেলার সংখ্যালঘু দফতর তা যাচাই করে ফাইনাল করবে।
এ বিষয়ে মাদ্রাসা টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান পাইক বলেন, অনলাইনে টেক্সট বইয়ের রিকুইজিশন জমা করার পদ্ধতি আগে থেকেই ছিল। ডোমা অফিসের মাধ্যমে তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া নতুনভাবে যুক্ত করা হয়েছে। তবে সমস্যা হল চলতি বছর বাংলার শিক্ষা পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা রিকুইজিশন হিসেবে জমা করলে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের সাথে অল্পবিস্তর সংখ্যার পার্থক্য থাকবে। বিশেষ করে পঞ্চম ও নবম শ্রেণির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে সংখ্যা জানানো সম্ভব নয়। যে এলাকায় প্রাথমিকে পঞ্চম শ্রেণি যুক্ত হয়েছে, সেখানে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির সম্ভাবনা রয়েছে। আবার এমএসকেগুলো থেকে অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীরা মধ্যমিক স্তরের মাদ্রাসায় নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়। তাই ২০২৫ এর রিকুইজিশন অনুযায়ীই ২০২৬ এর জন্য বই সরবরাহ করা হলে কিছু কিছু ক্লাসের ক্ষেত্রে সমস্যা হবে।
তিনি আরো বলেন, চলতি বছর বিএসপি পোর্টালের হিসেবে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুপাতের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা যে সংখ্যায় বই চাইবেন, তাকে মান্যতা দিয়ে ডোমা অফিস ফাইনাল করলে কিছুটা সমস্যা কমবে।










































































































