পেনশনে অনেক পিছিয়ে ভারত, অ-সুখে প্রবীণরা; বৈশ্বিক সূচকে মোদির জামানায় ভারত ‘ডি’ গ্রেডে

নতুন পয়গাম, নয়াদিল্লি:
চাকরি থেকে অবসরের পর পেনশনই হল প্রবীণ মানুষদের শেষ ভরসা বা সম্বল। কিন্তু সমীক্ষা বলছে, দেশের প্রবীণ নাগরিকদের সার্বিক অবস্থা খুব একটা সুখকর নয়। পেনশন ব্যবস্থা, পরিষেবা ও পরিকাঠামো ঠিকঠাক না হওয়ায় পরিস্থিতি মোটেই ভাল নয়। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী তথা পেনশন হোল্ডাররা অ-সুখে ভুগছেন। দিনে দিনে তাদের অস্বস্তি বেড়েই চলেছে। সুরাহা কিছু হচ্ছে না। অনেক ঢাকঢোল পিটিয়ে ন্যাশনাল পেনশন স্কিমের প্রচার সেভাবে কার্যকর হয়নি দেশে। যার মাশুল দিতে হচ্ছে দেশের প্রবীণ মানুষজনকে। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব পেনশন সূচকে জানা গিয়েছে, ভারতের পেনশন ব্যবস্থার শ্রীহীন অবস্থার কথা। নরেন্দ্র মোদির জামানায় পেনশনে ভারতের কপালে জুটেছে ‘ডি’ গ্রেড।
আমেরিকার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা মার্সার সিএফএ ইনস্টিটিউট প্রকাশ করেছে ২০২৫ সালের গ্লোবাল পেনশন ইনডেক্স। বিশ্বজুড়ে সমীক্ষা চালিয়েছিল তারা। বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় ৬৫ শতাংশ এই সব পেনশন স্কিমের অধীনে। তিনটি মাপকাঠির নিরিখে চালানো সমীক্ষায় উঠে আসা তথ্য যাচাইয়ের পর ৪৩.৮ পয়েন্ট পেয়ে ‘ডি’ গ্রেড পেয়েছে ভারত, যেখানে আন্তর্জাতিক গড় ৬৪.৫ পয়েন্ট।
এক্ষেত্রে ৮৫.৪ পয়েনন্ট পেয়ে সবার শীর্ষে রয়েছে নেদারল্যান্ডস। তারপর আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, সিঙ্গাপুর ও ইসরাইল। শক্তপোক্ত ও দীর্ঘমেয়াদি পেনশন ব্যবস্থার সুফল হিসেবে এরা সব ‘এ’ গ্রেড পেয়েছে। ভারতের স্থান এতটা নীচে চলে যাওয়ার কারণ, এদেশের বহু বিভক্ত পেনশন প্রকল্প ও অসংগঠিত ক্ষেত্রে শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষায় সুযোগ খুবই কম। এই সমীক্ষাতেই অন্য এক সূচকে ভারত পেয়েছে ই গ্রেড, এবং আরেকটি সূচকে পেয়েছে সি গ্রেড।
























































































































