BREAKING:
সিলসের পেসে ছারখার পাকিস্তান, ১২০ রানে শেষ বাবরদের ইনিংস ১ আগস্ট ইস্টবেঙ্গলের ১০৭-তম প্রতিষ্ঠা দিবস চরম নির্যাতন ও দারিদ্র্যকে হারিয়ে সোনা, অদম্য ইচ্ছাশক্তির নতুন নাম শর্মিলা ধনকর মোহনবাগান-ইউনাইটেড নাটকীয় ম্যাচে ২ লাল কার্ড! সুহেলের গোলে জয় মোহনবাগানের ডুরান্ডে উড়ন্ত সূচনা মহামেডানের গ্লাসগোর রিং ও বারবেলে ভারতের জয়গাথা ফুটবলের রাজা এবার পর্দায়, নতুন ড্রামা সিরিজে সিআরসেভেন-আঁরি জুটি দিল্লিতে আফগানদের ‘হোম’ সিরিজ অনিশ্চিত, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের হাতে মাছ ধরার ছিপে জড়িয়ে ব্যাধপাড়ার জীবন-জীবিকা বর্ষায় বেহাল ক্যানিং জামতলা রাজ্য সড়ক ডেঙ্গু রুখতে রানাঘাট পৌরসভার অভিনব উদ্যোগ, বিদ্যালয়ে কর্মশালা ও কুইজ প্রতিযোগিতা তৃনমূল নেতার পুকুর থেকে উদ্ধার একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র জাল পরিচয়পত্র-সহ সাগরদিঘীতে ধৃত বাংলাদেশি যুবক ফেনসিডিল পাচারের আগেই সীমান্তে আটক চক্র আবগারি কর্মী সেজে চায়ের দোকানে হানা অনাস্থায় অপসারিত জঙ্গিপুরের পুরপ্রধান ঘরে বসে টাকা নিচ্ছেন তৃণমূল নেতা, মালদহে ‘প্রতিজ্ঞা অভিযান’-এর সূচনা, উচ্চশিক্ষা-পেশা নির্বাচনে পড়ুয়াদের পাশে জেলা প্রশাসন বিপ্লবী কানাইলাল ভট্টাচার্যের ৯৬তম আত্মাহুতি দিবস পালন জয়নগরে  চুঁচুড়ায় পঞ্চায়েত মন্ত্রী, ভিবি-জি রামজী প্রকল্প ও বন্যা মোকাবিলায় বৈঠক ডুরান্ডে নতুন চ্যালেঞ্জ! সোমবার যুবভারতীতে এফসি বেনারস ভাগপতের বিরুদ্ধে নামছে মহামেডান বিশ্বকাপ আউট, ক্লাব ইন: বেজে গেল ক্লাব ফুটবলের দামামা, আগস্টে লড়াই শুরু কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের জয়যাত্রা: মীরাবাই ও ঋষিকান্তের রেকর্ড গড়া পারফরম্যান্স বৈভবের ব্যাটে আগুন! জিম্বাবুয়েকে ৩-০-তে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ ভারতের ‘জাগ্রত প্রহরী’ প্রকাশে নতুন অধ্যায়, ২২তম সাহিত্য সেতুতে সম্মানিত গুণীজন লোহরপুরের প্রখ্যাত আলেম মাওলানা নুরুল ইসলাম কাশেমী আর নেই হাবড়ায় ২ চানাচুর কারখানায় খাদ্য সুরক্ষা দফতরের হানা, বাজেয়াপ্ত বিপুল সামগ্রী রায়চকে বিশ্ব ম্যানগ্রোভ দিবস উদযাপন ও কুলতলীতে আন্তর্জাতিক বাদাবন দিবস পালন শঙ্করপুর ট্রলার দুর্ঘটনায় নিহত মৎস্যজীবীদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা সহায়তা মুখ্যমন্ত্রীর বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সামশেরগঞ্জের বিধায়ক নুর আলম রবীন্দ্র নজরুল জন্ম শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান ও বিনামূল্যে বিশ্বমানের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পরিষেবা মৎস্য কর্মাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও মারধরের অভিযোগ বারুইপুর থানায় ম্যানগ্রোভ রক্ষায় পর্যটনের ভূমিকা, কান্দি মহকুমা হাসপাতালে চালু ‘মা আহার’, ৫ টাকায় মিলছে মাছ-ভাত অবশেষে গ্রেফতার  উপপ্রধান নির্মল ঘোষ  শ্রাবণের দ্বিতীয় সোমবারে তারকেশ্বরমুখী পুণ্যার্থীদের ঢল, কড়া নিরাপত্তা বার নজির, জগদগুরু কৃপা সেবা মিশনের প্রথম রক্তদান শিবিরে ব্যাপক সাড়া ভয়েস পাবলিক স্কুলে আন্তঃক্যাম্পাস ইলোকিউশন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সবজি বিক্রেতা থেকে কমনওয়েলথে পদক! ডার্বির রঙ সবুজ মেরুন, সাহালের গোলে ফ্যাকাশে লাল হলুদ ঈশান-ঝড়ে উড়ে গেল জিম্বাবুয়ে, বোলিংয়ে নজর কাড়লেন অভিষেক অপরাজেয় সুফিয়া: বীর জওয়ানদের উৎসর্গ করে ৫ হাজার কিমি পথ জয়ের লক্ষ্যে ১০টি খেলাতেও ১০০টা স্বপ্ন: লভলিনা-নীরজদের হাত ধরে ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে ভারত নিজ ভূমে পরবাসী! দিল্লিতে ভারতের বিরুদ্ধেই ‘হোম’ সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান গ্লাসগোর গ্যালারিতে ভারতের নতুন অধ্যায়: কমনওয়েলথ গেমসের রোমাঞ্চকর সূচনা ২০২৬ বিশ্বকাপের স্বপ্নের একাদশে মেসি-সহ আর কারা এশিয়ান গেমস ক্রিকেট: সরাসরি নকআউটে ভারত- পাকিস্তান, অপেক্ষায় আফগানিস্তান আজ জিতলেই সিরিজ পকেটে; নজরে বৈভব,মায়াঙ্ক, প্রিন্সরা ‘লাভ জিহাদ’ এর নামে হেনস্থা ও প্রাণনাশের হুমকি গুন্ডা দমন আইন ও বিচার-বহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে কলকাতায় নাগরিক কনভেনশন গাড়ির ব্যাটারি চুরি চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার ৫ অভিযুক্ত সুন্দরবনে মাছ ধরার নৌকায় অস্ত্র পাচারের ঘটনায় গ্রেফতার চার, উদ্ধার বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসস্ত্র  দীঘা জগন্নাথ মন্দিরে উল্টো রথযাত্রা ঘিরে ভক্তদের ঢল, ভক্তিমুখর পরিবেশে পালিত মহোৎসব উল্টোরথের রশিতে প্রথম টান গুপ্তিপাড়ায়, ভক্তসমাগমে মুখর ৩৬ ফুটের ঐতিহ্যের রথযাত্রা ওন্দায় তৃণমূল নেতাকে ‘ডিম থেরাপি’ ‘লাভ জিহাদ’ এর নামে হেনস্থা ও প্রাণনাশের হুমকি, জনগণনার কাজে যুক্ত হলে ‘অন্ ডিউটি ‘ হবে কিনা ধন্দে সরকারি কর্মী ও শিক্ষকরা গুন্ডা দমন আইন ও বিচার-বহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে কলকাতায় নাগরিক কনভেনশন নীতি আয়োগের তালিকায় নদীয়া: সেপ্টেম্বরেই শুরু মূল্যায়ন, সেরা হলে মিলবে ১০ কোটির বিশেষ ফান্ড গাড়ির ব্যাটারি চুরি চক্রের পর্দাফাঁস, মোট পাঁচ অভিযুক্ত গ্রেফতার, উদ্ধার ১৫টি চুরি যাওয়া ব্যাটারি সুন্দরবনে মাছ ধরার নৌকায় অস্ত্র পাচারের ঘটনায় গ্রেফতার চার, উদ্ধার বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসস্ত্র  পুলিশের ধাওয়ায় মাঝ নদীতে পাথরবোঝাই ট্রাক্টর ফেলে চম্পট জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রের নথি খতিয়ে দেখতে হুগলি-চুঁচুড়া ও বৈদ্যবাটি পুরসভায় পুলিশি অভিযান হেরিটেজ কলেজের রক্তদান শিবির ও গুণীজন সংবর্ধনা  গোবিন্দপুর রেল দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণ তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, দিলেন চাকরির আশ্বাস মেজর সত্য গুপ্ত: নেতাজীর বিপ্লবী অভিযাত্রার এক অবিস্মরণীয় সহযোদ্ধা যন্তরমন্তরে ৬ বছরের শিশুর মন্তব্য ঘিরে আলোচনা লাঠির ঘায়ে কি আস্থা ফেরে? নিট বিতর্ক: গণতন্ত্রের কঠিন পরীক্ষা ক্ষমতার অহংকার ইতিহাসের কাছে কখনো জয়ী হয়নি অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পেয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতে বিক্ষোভ, সহায়ককে মারধরের অভিযোগ সেবকে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা! নন্দী সেতুর নিচে পড়ল গাড়ি, নিহত ২, আহত ৩ নিটে ৬২১ নম্বর, অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক ৪৮৭৪: চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নপূরণের পথে রায়নার কৃষক-কন্যা বিপাশা হারারেতে টি-টোয়েন্টি যুদ্ধ, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ভারতের প্রথম পরীক্ষা রানাঘাট বিজ্ঞান মঞ্চের উদ্যোগে সফলভাবে পালিত হলো অরণ্য সপ্তাহ কর্মসূচি চন্দননগরে ৭০ হাজার চারা বিতরণের দাবি বন দপ্তরের বাঁকুড়ায় এসএফআই-এর প্রতীকী অনশন, শিক্ষা ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের দাবি বাঘ সংরক্ষণ বিষয়ক কর্মশালা  নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ছাত্র-যুবদের প্রতীকী অনশন চাকরি বিক্রির অভিযোগে অনুব্রত মণ্ডল-সহ ৬ জনের নামে মামলা ধুলিয়ানে সম্প্রীতির মঞ্চে নানা ধর্মের প্রতিনিধিরা, ঐক্য-সৌহার্দ্যের বার্তা সদ্ভাবনা মঞ্চের সময়ের ক্যানভাসে স্বপ্নের তুলি, নিউ জার্সিতে ফেরান তোরেসের মহাকাব্যিক অমরত্ব ট্রফি জয়ের পাশাপাশি একগুচ্ছ ব্যক্তিগত পুরষ্কার জিতলেন স্পেনের খেলোয়াড়রা গলি থেকে রাজপথ-লামিনে ইয়ামালের উত্থানের গল্প দৈনিক জনকণ্ঠের পাতায় দাম পেল না রোহিতের দুরন্ত শতরান, ইংল্যান্ডের কাছে ম্যাচ ও সিরিজ হারলো ভারত মালদা মুসলিম ইনস্টিটিউটে সভা ও বই প্রকাশ প্রথম বছরেই নিটে সাফল্য, কালিয়াচক ক্রিসেন্ট অ্যাকাডেমির জোড়া কৃতিত্ব কুলপির নাসিফার স্বর্ণপদক জয় মদ্যপ গেটম্যানের গাফিলতিতে রেল দুর্ঘটনা, চার শিশু-সহ নিহত ৫ অবসান হল একটি যুগের, জীবনাবসান স্যর গ্যারি সোবার্সের পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার অন্ধকার, ডোপ টেস্টে ধরা পড়লেন মহম্মদ নওয়াজ একগুচ্ছ রেকর্ডের সামনে ফুটবলের বরপুত্র, ফাইনালেই গড়তে পারেন ১১ রেকর্ড! রিশাদের ঘূর্নি আর তানজিদ, তামিমের ব্যাটিংয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল টাইগাররা কাজে এল না বিরাটের দারুন ব্যাটিং, রুটের ব্যাটে হার ভারতের, সিরিজে সমতা ফেরাল ব্রিটিশরা গ্রন্থাগারিক দিবসের প্রাক্কালে ‘রবীন্দ্র দৃষ্টিতে গ্রন্থাগার’ শীর্ষক আলোচনা সভা জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে আজ আবারও মাঠে সাদাকালো শিবির, সামনে এরিয়ান রুক্ষ মাটিতে মিয়াওয়াকি বনাঞ্চল, ছায়া ঘেরা স্কুলেই চলছে পাঠ মেহতাবের কাছে আটকাল মোহনবাগান,পয়েন্ট ভাগাভাগি খিদিরপুরের সাথে খারেজী মাদ্রাসার বর্তমান অবস্থা, সমস্যা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বারুইপুরের সূর্যপুরের স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে প্রতিবাদ মিছিল জয়নগরে জন্ম শতবর্ষের আলোয় মহানায়ক উত্তমকুমার 

অসীম সরকারের মিথ্যাচার বনাম প্রকৃত তথ্য

প্রকাশিত: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, বিকাল ৪:২২ | আপডেট: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, বিকাল ৪:২৮
নদীয়া জেলার হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম কুমার সরকার পবিত্র জীবনবিধান কুরআন সম্পর্কে যে কুরুচিকর এবং জঘন্য মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করেছেন, তা সোশ্যাল মিডিয়ার বদৌলতে দেশ-বিদেশ জেনে গেছে। তাঁর ভাইরাল হওয়া ভিডিও থেকে যতটুকু শুনেছি, তাতে তিনি বলেছেন, পৃথিবীতে আসল কুরআন নাকি আর কোথাও নেই! কারণ, আসল কুরআন বদরের যুদ্ধের সময় পুড়ে ছাই হয়ে যায়! এরপর তিনি দাবি করেন, পি.কে হিট্টির ইতিহাসে লেখা আছে, ২৭ জন শয়তান মিলে এই কুরআন লিখেছে! যদিও পি.কে হিট্টির কোন বইতে একথা লেখা আছে, সে বইটির নাম তিনি বলেননি। শুধু তাই নয়, পি.কে হিট্টির নামটাও সঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারেননি! যারা ইসলামের ইতিহাস পড়েছেন, তারা জানেন পি.কে হিট্টির লেখা একটি বিখ্যাত বই আছে, যার নাম 'হিস্ট্রি অফ দ্য অ্যারাবস'। অসীমবাবু সম্ভবত এই বইটি দেখেননি, কারো মুখে শুনে হয়ত সাংবাদিকদের কাছে নিজেকে শিক্ষিত প্রমাণ করার জন্য বইটির লেখকের নাম উল্লেখ করেছেন।

এম আমিনুল আম্বিয়া

আরও পড়ুন:

নদীয়া জেলার হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম কুমার সরকার পবিত্র জীবনবিধান কুরআন সম্পর্কে যে কুরুচিকর এবং জঘন্য মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করেছেন, তা সোশ্যাল মিডিয়ার বদৌলতে দেশ-বিদেশ জেনে গেছে। তাঁর ভাইরাল হওয়া ভিডিও থেকে যতটুকু শুনেছি, তাতে তিনি বলেছেন, পৃথিবীতে আসল কুরআন নাকি আর কোথাও নেই! কারণ, আসল কুরআন বদরের যুদ্ধের সময় পুড়ে ছাই হয়ে যায়! এরপর তিনি দাবি করেন, পি.কে হিট্টির ইতিহাসে লেখা আছে, ২৭ জন শয়তান মিলে এই কুরআন লিখেছে! যদিও পি.কে হিট্টির কোন বইতে একথা লেখা আছে, সে বইটির নাম তিনি বলেননি। শুধু তাই নয়, পি.কে হিট্টির নামটাও সঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারেননি! যারা ইসলামের ইতিহাস পড়েছেন, তারা জানেন পি.কে হিট্টির লেখা একটি বিখ্যাত বই আছে, যার নাম ‘হিস্ট্রি অফ দ্য অ্যারাবস’। অসীমবাবু সম্ভবত এই বইটি দেখেননি, কারো মুখে শুনে হয়ত সাংবাদিকদের কাছে নিজেকে শিক্ষিত প্রমাণ করার জন্য বইটির লেখকের নাম উল্লেখ করেছেন।
এরপর তিনি বলেছেন, কুরআনে লেখা আছে, হে মুসলমানেরা! কাফেরদের (অমুসলমান) যেখানেই পাবে হত্যা করবে, বন্দী করবে এবং নির্মমভাবে অত্যাচার করবে! এরপর তিনি দাবি করেন, ওনার কাছে যে কুরআন আছে, সেটি তাজ কোম্পানির কুরআন। গো-মাংস ভক্ষণ না করলে সেই কুরআন সংগ্রহ করা যায় না। মোটামুটি অসীম সরকারের বক্তব্য এমনটাই শোনা গেছে।
এবার আসুন, তাঁর বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে একটু আলোচনা করি। কুরআন সংকলনের ইতিহাস যারা জানেন, তারা অবগত আছেন, কুরআন কোন বই বা পুস্তক আকারে অবতীর্ণ হয়নি, প্রয়োজন অনুসারে জিবরীল ফেরেশতার মাধ্যমে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর কাছে ঐশীবাণী আকারে দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছিল। নবী (সা.)-এর সাহাবা বা সাথীরা সেই কথাগুলিকে বিভিন্নভাবে সংরক্ষণ করতেন। কেউ চামড়ায় লিখে রাখতেন, কেউ পাথরে খোদাই করে রাখতেন, কেউ মুখস্ত করে নিতেন।
বদর যুদ্ধের সময়ে পাণ্ডুলিপি বা কপি আকারে পৃথিবীতে কোথাও কুরআন ছিল না। তখনও সম্পূর্ণ কুরআন নাযিল হয়নি। দ্বিতীয় হিজরীতে বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে, কিন্তু কুরআন তারপরও আট বছর ধরে পর্যায়ক্রমে নাযিল হয়েছে। নবীজি (সা.)-এর জীবদ্দশায় সমগ্র কুরআন একত্রিত করে কপি আকারে সংরক্ষিত হয়নি। ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা.)-এর যুগে প্রথম সমস্ত লেখাকে সংগ্রহ করে কপি আকারে তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে চতুর্থ খলিফা হযরত উসমান (রা.)-এর সময় প্রথম কপিকে সামনে রেখে আরো অনেকগুলো কপি তৈরি করা হয়। অতএব বোঝা গেল বদরের যুদ্ধে কুরআনের কপি পুড়ে যাওয়ার ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট।
যে কপির কোন অস্তিত্বই যখন ছিল না, সেটা পুড়ে যাওয়ার প্রশ্ন বতুলতা মাত্র। এরপর তিনি পি.কে হিট্টির নামে দাবি করেছেন, তার ইতিহাসে নাকি লেখা আছে ২৭ জন শয়তান মিলে এই কুরআন লিখেছে! ইসলামের ইতিহাস এবং আরবের ইতিহাস চর্চাকারী প্রত্যেক শিক্ষিত ব্যক্তি পি.কে হিট্টির অর্থাৎ ফিলিপ.কে. হিট্টির লেখা বই History of the Arabs পড়েছেন। ওই বই পড়ে আজও পর্যন্ত অসীম সরকারের মতো এমন দাবি কেউ কস্মিনকালেও করেননি। বইটি ইন্টারনেটে সার্চ করলে যে কোন ব্যক্তি নিজেও পড়ে দেখতে পারেন, সেখানে এমন কোন কথা লেখা নেই। যে ব্যক্তি পি.কে হিট্টির নামটা পর্যন্ত ঠিকঠাক উচ্চারণ করতে পারেন না, তার লেখা বইয়ের নামটাও জানেন না, তিনি এমন একটা কাল্পনিক দাবি করেছেন, যে দাবির পক্ষে ইসলামের কোন শত্রুর বই থেকেও কোনো উদ্ধৃতি তিনি দিতে পারবেন না। ইসলামের শত্রু সালমান রুশদি স্যাটানিক ভার্সেস লিখে এমন এক ধোঁয়াশা সৃষ্টি করতে চেয়েছিল; কিন্তু তিনিও সমগ্র কুরআন সম্পর্কে এমন কথা বলতে পারেননি। স্যাটানিক ভার্সেসেও এমন কথা লেখা নেই।
এরপর অসীমবাবু দাবি করেছেন, তাঁর কাছে যে তাজ কোম্পানির কুরআন আছে, গরু না খেলে সেই কুরআন সংগ্রহ করা যায় না। তাহলে তার বক্তব্যের মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারছি, তিনি গরু খেয়েই ওই কুরআন সংগ্রহ করেছেন! তিনি নিজেকে গো-মাংস ভক্ষণকারী হিসেবে প্রমাণ দিলেন। তার কথা শুনে যে গো-মাতার ভক্তরা তাকে নিয়ে লাফাচ্ছে, তাদের তো এটা ভাবা দরকার ছিল, যে ব্যক্তি গো-মাতাকে ভক্ষণ করে, সেই ব্যক্তির কথা বিশ্বাস করা যায় কিনা? যাহোক, এবারে আমি কুরআন সম্পর্কে তাঁর যে মূল অভিযোগ, সে বিষয়ে আলোকপাত করব।
তিনি একটি পোস্টে কুরআনের একটি পাতার ছবি দিয়ে তার বক্তব্যের সমর্থনে প্রমাণ পেশ করতে চেয়েছেন যে, কুরআনে লেখা আছে, কাফেরদের যেখানে পাবে, সেখানেই হত্যা করো, বন্দী করো ইত্যাদি। তার ভক্তেরা এতে খুবই খুশি হলেও তিনি যে আসলে বড় মূর্খ, সেটা তিনি নিজেই প্রমাণ করেছেন। কারণ, তিনি কুরআনের যে আয়াতের অনুবাদের ছবি দিয়েছেন, সেটি কুরআনের সূরা তাওবা-র পাঁচ নম্বর আয়াত। অথচ তিনি যদি সত্যিকার পড়াশোনা জানতেন, তাহলে নিশ্চয়ই পাঁচ নম্বর আয়াতের আগে-পরে ৪ এবং ৬ নম্বর আয়াত তাঁর চোখে পড়ত। তাহলে তিনি বুঝতে পারতেন কুরআন অমুসলিমদের হত্যা করতে বলছে না; বরং তাদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করার জোরালো নির্দেশ দিয়েছে।

আরও পড়ুন:


কুরআনের সূরা তাওবা-র ৫ নম্বর আয়াত নিয়ে ইসলাম বিরোধীদের প্রোপাগান্ডা যুগ যুগ ধরে ধরে জারি রয়েছে এবং আজও চলেছে, কিন্তু সত্যের অনুসারীরা সঠিকটা জানতে পারার পরে অনেক ক্ষেত্রে তারা নিজেরাই সত্য প্রচারে লিপ্ত হয়েছেন, এমন উদাহরণ অনেক রয়েছে। যেমন কানপুরের অধিবাসী স্বামী লক্ষ্মী শংকরাচার্য। তাঁর পিতা-মাতা দু’জনেই নামজাদা অধ্যাপক ছিলেন, তিনি নিজেও শিক্ষিত, প্রথম জীবনে প্রচণ্ড ইসলাম-বিরোধী ছিলেন। কুরআনের সূরা তাওবা-র ৫ নম্বর আয়াতকে অবলম্বন করে তিনি ইসলাম-বিরোধী বই লিখে ইসলামকে সন্ত্রাসবাদী ধর্ম হিসেবে আখ্যায়িতও করেছিলেন। তাঁর সেই বই হিন্দুত্ববাদীরা ব্যাপক আকারে প্রচার করেছিল। কিন্তু এই আয়াতের সঠিক ব্যাখ্যা জানার পরে তিনি নতুন বই লিখেছিলেন, যে বইটার নাম ইসলাম সন্ত্রাসবাদী ধর্ম নয় বরং একটি আদর্শ (ইসলাম আতঙ্ক নেহি, আদর্শ হ্যায়)। এই বইটি ভারতবর্ষ ছাড়াও বিভিন্ন দেশে বহু ভাষায় অনুবাদ ও প্রচার হয়েছে। আগ্রহী পাঠকেরা গুগল থেকেও পড়তে পারেন। সূরা তাওবা-র তিনটি আয়াতের অনুবাদ পড়লে বুঝতে পারবেন, কাদেরকে কোন প্রেক্ষিতে হত্যা করতে বলা হয়েছে, এবং এর মধ্যে মানবিকতার কেমন নজির স্থাপন করা হয়েছে।
মনে রাখতে হবে, কুরআনের কোন আয়াত বা সূরা প্রেক্ষাপট ছাড়া অবতীর্ণ হয়নি, প্রতিটি সূরা বা আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার নেপথ্যে প্রেক্ষাপট রয়েছে। তেমনি সূরা তওবা-র প্রথম কয়েকটি আয়াত অবতীর্ণ হওয়ারও একটি বিশেষ প্রেক্ষাপট রয়েছে, সেটি আগে জানা দরকার। মক্কার মুশরিকদের সঙ্গে মুসলিমদের এক ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল, ইসলামের ইতিহাসে যেটাকে ‘হুদাইবিয়ার সন্ধি’ বলা হয়। সেই চুক্তি অনুযায়ী উভয় পক্ষ কেউ কাউকে আক্রমণ করবে না, কোন পক্ষের সহযোগী পক্ষকেও কেউ আক্রমণ করবে না। কিন্তু দেখা গেল, এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার কিছুকাল পর থেকেই মক্কার মুশরিকরা চুক্তির শর্তগুলি লংঘন করতে শুরু করল, তারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হল, মুসলিমদেরকে হত্যা করতে লাগল। এই প্রেক্ষাপটে সূরা তাওবা-র প্রথম কয়েকটি আয়াত অবতীর্ণ হল। প্রথম আয়াতেই ঘোষণা দেওয়া হল, যারা চুক্তিভঙ্গ করেছে, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা হল। কিন্তু এও বলা হল যে, যারা চুক্তিতে অটল আছে, তাদের ক্ষেত্রে চুক্তির পূর্ণ সম্মান বজায় রাখা হবে। যারা চুক্তি না মেনে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে, তাদেরকে চুক্তি অনুযায়ী শান্তির পথে ফিরে আসার জন্য চার মাস সময় দেওয়া হবে। এই চার মাস সময় পাওয়ার পরেও যদি তারা শান্তির পথে ফিরে না আসে, ষড়যন্ত্র অব্যাহত রাখে, হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে, তাহলে চুক্তি ভঙ্গকারীদেরকে যেখানে পাবে, তাদের ষড়যন্ত্রের বিনিময়ে সেখানেই তাদেরকে বন্দী ও হত্যা করবে।
এরপর ৬ নম্বর আয়াতে মানবিকতার চূড়ান্ত নজির স্থাপন করে বলা হল, এই সমস্ত ষড়যন্ত্রীরা এত বড় অপরাধ করার পরেও যদি তোমার কাছে আশ্রয় চায়, তাহলে তাকে আশ্রয় দাও। শুধু আশ্রয় নয়; এরপরে তাদের প্রতি আরো দরদ দেখিয়ে বলা হল, যারা আশ্রয় চায়, তাদেরকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দাও। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন মানবিকতার নজির আর কোথাও পাওয়া যাবে কি? আধুনিক পৃথিবীতে প্রমাণিত অপরাধীদেরকে যুদ্ধ অপরাধের কারণে কখনোই ক্ষমা করা হয় না, আশ্রয় চাইলেও তাদেরকে হত্যা করা হয়। অথচ ইসলামের উদারতার শিক্ষা এটাই যে, যুদ্ধাপরাধীরাও যদি আশ্রয় চায়, তাদেরকে আশ্রয় দিয়ে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দাও। অথচ এই আয়াতকে পাশ কাটিয়ে দুই আয়াতের মাঝখানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে ইসলাম সম্পর্কে যেভাবে এত বড় মিথ্যাচার করা হল, তা কল্পনাও করা যায় না!
কুরআন অবতীর্ণ হয়েছিল হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর উপরে, তিনি কুরআনের নির্দেশ সবথেকে বেশি বুঝেছিলেন এবং সেই নির্দেশ তিনি কার্যকর করে দেখিয়েছিলেন। ইসলামের ইতিহাসের পাঠক মাত্রই জানেন, কাফেরদের সঙ্গে শান্তিচুক্তি ভঙ্গ হওয়ার পরে নবীজি যখন মক্কা বিজয় করলেন, সে সময় তিনি মক্কায় সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন। কাউকে হত্যা করতে বলেননি। অমুসলিমদের হত্যা করা যদি কুরআনের বিধান হয়, তাহলে মক্কা বিজয়ের পরে একজন অমুসলিমও সেখানে বেঁচে থাকার কথা নয়। আসলে কুরআন বিশেষ প্রেক্ষাপটে বিশেষ সময়ে শুধুমাত্র যারা যুদ্ধ অপরাধী ছিল, সেই ষড়যন্ত্রকারীদেরকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিল।
কুরআন তো মানব হত্যাকে সবথেকে বড় অপরাধ বলে ঘোষণা করেছে। সূরা মায়েদা-র ৩২ নম্বর আয়াতে ঘোষণা করা হয়েছে, ”একজন মানুষকে যে ব্যক্তি হত্যা করল, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকেই হত্যা করল!” এই আয়াতে মানুষের জীবনের কতটা মূল্য কুরআন দিয়েছে, সেটা ভেবে অবাক হতে হয়। সেই কুরআন কখনো নির্বিচারে মানুষ হত্যার কথা বলতে পারে না। সেই কুরআনের সবথেকে বড় অনুসারী নবীজি (সা.) সারা জীবন সেটা প্রমাণ করে গেছেন। কুরআনের সূরা মুমতাহিনা-র ৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন, যারা তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে না, তাদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করতে হবে। কোন অমুসলিমের উপরে ইসলাম জবরদস্তি করাকে হারাম করে দিয়েছে, সূরা বাকারা-র ২৫৬ নম্বর আয়াতে এ সম্পর্কে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে।
মনে রাখতে হবে, সূরা তাওবা সাধারণ পরিস্থিতিতে অবতীর্ণ হওয়া কোন সূরা নয়, বরং এটি একটি যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে অবতীর্ণ হওয়া সূরা, যে সূরার মধ্যে সন্ধি বা চুক্তি ভঙ্গকারী, ষড়যন্ত্রকারী, হত্যাকারীদের সম্পর্কে কেমন নীতি গ্রহণ করা হবে, সেটাই বর্ণনা করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে সূরা তাওবা-র পাঁচ নম্বর আয়াতে শুধুমাত্র সেই সমস্ত মুশরিকদেরকে হত্যার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যারা শান্তি চুক্তি ভঙ্গ করেছিল, যারা নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করছিল, এবং যারা শান্তির পথে বাধা সৃষ্টি করেছিল। আন্তর্জাতিক কোন আইনে এই সমস্ত যুদ্ধাপরাধীদের হত্যা করা কখনোই অবৈধ হতে পারে না। যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে কেমন আচরণ করা হয়, সেটা বর্তমানেও বিভিন্ন দেশে প্রত্যক্ষ করছি। যুদ্ধাপরাধীদেরকে অনেক ক্ষেত্রে বিচারের নামে প্রহসন চালিয়ে কিংবা বিচার বহির্ভূতভাবে হত্যা করা হচ্ছে! অথচ কুরআন যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে কত মানবিক আচরণ করতে বলেছে! যে, তারা যদি আশ্রয় প্রার্থনা করে, তাহলে তাদের আশ্রয় দিয়ে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দাও। এই মানবিক কথাগুলো অসীম সরকার দেখতে পেল না! তার মনে কুরআনের প্রতি কতখানি বিদ্বেষ রয়েছে, সেটা বোঝা যায় তার কথায়। যখন সে বলে, এই কুরআনের ওপরে সে প্রস্রাব করতে চায়! এবং কুরআনকে সে পুড়িয়ে দিতে চায়! আসলে অসীম সরকার মতুয়াদের সমর্থন হারিয়ে ইসলামবিরোধী হিন্দুদের সমর্থন লাভের আশায় কুরআনের বিরুদ্ধে এখন প্রোপাগান্ডা শুরু করেছে।
কুরআনের বিরুদ্ধে এই চক্রান্ত আজকের নতুন নয়, যুগ যুগ ধরেই ইসলাম বিরোধীরা এটা করে চলেছে। কিন্তু সেই চক্রান্তের ফল অনেক ক্ষেত্রে উল্টো হয়েছে। চক্রান্তকারীরা নিজেদের চক্রান্তের কাছে পরাজিত হয়ে শেষে ইসলাম গ্রহণ করেছে। এমনই একজন ছিলেন কানাডার ডঃ গ্যারি মিলার। তিনি কুরআনের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখার জন্য কুরআন অধ্যয়ন শুরু করেছিলেন। শেষে তিনি স্বীকার করেছেন, কুরআনের মধ্যে ভুল খুঁজে না পেয়ে শেষে আমি ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য হলাম। অসীম সরকার যদি কুরআনের আলো নাও পায়, তবু তার এই বিতর্কের ফলে বহু মানুষ কুরআনের আলো লাভ করবে আশা করা যায়। এর ফলে অনেকেই কুরআন পড়ার চেষ্টা করবে, কুরআনের বক্তব্য জানবে এবং বুঝবে। আখেরে কুরআনের প্রচার আরো বাড়বে এবং মানুষ প্রকৃত সত্য জানতে পেরে কুরআন-মুখী হবে বলে আমি আশাবাদী।
(মতামত লেখকের নিজস্ব)

আরও পড়ুন
Copyright © Jano Kantho
Developed by eTech Builder