ক্ষুদ্র শিল্পের প্রসারে কেন্দ্রকে কাউন্সিল গড়ার প্রস্তাব

নতুন পয়গাম, কলকাতা: এমএসএমই মন্ত্রক চালু হলেও মাঝারি শিল্পকে যতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়, ক্ষুদ্র এবং ছোট শিল্পের প্রতি নজর ততটা পড়ে না। তাই এই মন্ত্রকের আওতায় আলাদা একটি কাউন্সিল তৈরি করা হোক, যেখানে শুধুমাত্র ক্ষুদ্র ও ছোটো শিল্পকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তার আগে অর্থমন্ত্রককে এই আর্জি জানাল ছোট শিল্পের সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ ‘ফেডারেশন অব অ্যাসোসিয়েশনস অব কটেজ অ্যান্ড স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ’। তাদের বক্তব্য, আলাদা কাউন্সিল থাকলে ছোট শিল্পগুলি যেমন সেখানে তাদের সমস্যার কথা জানাতে পারবে, তেমনই সরকার বা প্রশাসনের তরফেও আলাদাভাবে নজরদারি সম্ভব। শিল্পের সমস্যা ও দাবিগুলি নিয়ে আলোচনায় অনেকটাই সাহায্য করবে এই কাউন্সিল। ফেডারেশনের সভাপতি হিতাংশুকুমার গুহ বলেন, ‘ছোট শিল্পের ক্ষেত্রে এখনও বেশ কিছু প্রশাসনিক জটিলতা রয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম জিএসটি রিটার্ন।
তাদের দাবি, এক্ষেত্রে একটি মাত্র সরলীকৃত রিটার্ন ব্যবস্থা চালু করা হোক। রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত ত্রুটি থাকলে, লঘু পাপে যাতে গুরু দণ্ড না হয়, তার ব্যবস্থা করুক কেন্দ্র। এক্ষেত্রে যেন করদাতাকে অপরাধী হিসেবে না দেখা হয়। পাশাপাশি, বিভিন্ন পণ্য বিক্রির পর সরকারের তরফে যদি পণ্যের দাম নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে না মেলে, তাহলে সুদ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলেও দাবি ফেডারেশনের। ১৫ দিনের মধ্যে যদি সরকার তার বকেয়া না মেটায়, তাহলে সুদ প্রদান করতে হবে ছোট শিল্পকে।
তিনি আরো বলেন, ‘ছোট শিল্পের পণ্যের বাজার বাড়াতে জেম পোর্টাল চালু করেছে কেন্দ্র। সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি যখন কোনো পণ্য কেনে, তা কেনা হয় এই পোর্টাল থেকে।’ বড় শিল্পের পাশাপাশি যাতে ছোট শিল্পও এই পোর্টালের মাধ্যমে সরকারের কাছে পণ্য বিক্রি করতে পারে, তার জন্য কোটা সংরক্ষণ করা হয়েছে। কিন্তু এই পোর্টালে টেন্ডারে অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে বিরাট কোনও সুবিধা মেলে না ছোট শিল্পের জন্য। প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকতে এই খরচে কিছুটা আর্থিক সুবিধা দিক কেন্দ্র সরকার। কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে ক্ষুদ্র শিল্পের স্বার্থে এমনই একগুচ্ছ দাবি-দাওয়া পেশ করছে সংগঠন।







































































































