BREAKING:
পরাজিত মহামেডান, সাদাকালো শিবিরকে হারিয়ে দুরন্ত জয় পিয়ারলেসের সুন্দরবনের জলবায়ু বিপন্নতা নিয়ে কাকদ্বীপে মিডিয়া ওয়ার্কশপ NEET-২০২৬ উত্তীর্ণ কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা ফারাক্কায় সোনাল দিনুশার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ম্যাচ বাঁচাল শ্রীলঙ্কা,সিরিজ সেরা পাড়িক্কল ব্যান্ডেলে এখন থেকে জমবে ‘কারিম’স’-এর আসর, দিল্লির স্বাদ এবার হাতের নাগালে রাখির বন্ধনে সম্প্রীতির বার্তা, দৃষ্টিহীন ও বিশেষভাবে সক্ষমদের মুখে হাসি সম্পত্তি জালিয়াতি মামলায় পুলিশি অ্যাকশন: গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, আইনি পদক্ষেপে স্বস্তি বৃদ্ধা মণিকা চক্রবর্তীর চূড়াভান্ডারে পালাবদলের বোর্ড, প্রধান কল্পনা  উপপ্রধান অনিতা! আবির-মিষ্টিতে উচ্ছ্বাস কর্মী-সমর্থকদের দেগঙ্গায় আট দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে মাদকবিরোধী সচেতনতার বার্তা গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গরুর দৌড়,যা মৈই ছাড়া নামেই খ্যাত দ্বিতীয় টেস্টে আজ মুখোমুখি ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা,থাকছে বৃষ্টির ভ্রুকুটি। চড়া দামের খাঁড়া; ভারতের ক্রিকেট টাইটেল স্পনসরশিপ নিয়ে জটিলতায় বিসিসিআই একদিনে পড়লো ১৮ উইকেটে। হেডিংলিতে লজ্জার হার,ইংরেজ পেসারদের কাছে মুখ থুবড়ে পড়লো পাক ব্যাটিং। প্রতিশোধ বনাম শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই: ডুরান্ড ফাইনালে মহারণের অপেক্ষায় যুবভারতী রাজীব গান্ধীর জন্মদিনে ফুটবল প্রতিযোগিতা ও কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা বকেয়া বেতনের জট কাটেনি, পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে অস্থায়ী কর্মীরা কোটি টাকার প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার প্রাক্তন পুরপ্রধান, আদালতে জামিন সম্পত্তির লোভে বাবাকে খুন, চন্দননগর আদালতে যাবজ্জীবন ছেলে-বৌমার ভারত-ব্রাজিল মহাদ্বৈরথের প্রস্তুতি তুঙ্গে: যুবভারতী পরিদর্শনে ব্রাজিলের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল টাইব্রেকারে নর্থইস্টকে হারিয়ে ফাইনালে মোহনবাগান! শিরোপার মঞ্চে এবার কলকাতা ডার্বি” হেডিংলিতে পেস-ঝড়ে বিধ্বস্ত পাকিস্তান ১৭১ রানে অল-আউট, প্রথম দিনেই এগিয়ে ইংল্যান্ড চম্পাহাটির বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে জখম অন্তত ৫ শ্রমিক ভোটাধিকার পুনর্বহাল ও নাগরিক পরিষেবা রক্ষার দাবিতে ডায়মন্ড হারবারে মিছিল জয়নগর কুলতলি গ্রামীণ হাসপাতালে বেহাল সরকারি আবাসন মীনা মঞ্চের উদ্যোগে মাদ্রাসায় প্রজেক্ট বিতরণ ডুরান্ড কাপ সেমিফাইনাল সুথারের অতিমানবিক পারফরম্যান্স,গল-এ প্রথম টেস্টে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সিরিজে এগোলো ভারত দক্ষিণ আফ্রিকাকে হাফ ডজন গোলে উড়িয়ে সেমিফাইনালের আরও কাছে ভারত মাদক, জুয়া-সাট্টা ও নারী নির্যাতন রুখতে বহড়ুতে সচেতনতা সভা জয়নগরে বিজেপি যুব মোর্চার প্রতিবাদ মিছিল প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন জয়নগর মজিলপুর, হাঁটু সমান জলে দুর্ভোগ সমাজসেবায় কানাড়া ব্যাঙ্ক, শিক্ষা ও গ্রামোন্নয়নে নতুন উদ্যোগ নবোদয় সাহিত্য পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন ও স্বাধীনতা দিবস পালন মালদহে চালু আয়ুষ্মান ভারত, স্বাস্থ্য পরিষেবায় নতুন দিশার আশাবাদ জুট মিল শ্রমিকদের ব্যাতিক্রমী স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নেতাজির অপমানের প্রতিবাদে মালদহে এসএফআইয়ের ‘আজাদি র‍্যালি’ বেলডাঙ্গা হাইস্কুলে SIO-র আয়োজনে বসেআঁকো প্রতিযোগিতা স্বাধীনতা দিবসে অনবদ্য জয় দিয়ে হকি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ভারত আজ কোয়ার্টারের মহারণ! অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস,ডারউইনে ৯ উইকেটে অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি ও একজন দিব্যাঙ্গ মানুষের যন্ত্রনা ‘হর ঘর তিরঙ্গা’য় সাইকেল নিয়ে ধূপগুড়ির রাজপথ পরিক্রমা করলেন মহকুমা শাসক শ্রদ্ধা সুব্বা ব্যান্ডেলে এবার খাদ্যরসিকদের জন্য দিল্লির কারিম’স নেতাজিকে ঘিরে বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে, অনন্ত মহারাজকে ভর্ৎসনা  কার্তিক মহারাজের বনকর্মীদের তৎপরতায় বাঁচল বাজপাখির প্রাণ  অবশেষে সেলিমার দিল্লি যাত্রা, বিধায়কের সহায়তায় মালদহের রেশম চাষের ইতিহাস ও বর্তমান সরকারের উদ্যোগ ওয়েটল্যান্ডে চলল বুলডোজার, ভাঙড়ে বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন বনগাঁ সীমান্তে গ্রেফতার এক পাকিস্তানি ভোট শেষ, তবু খুলল না স্কুল! চার মাস ধরে থমকে পড়াশোনা প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করার দাবি, এসডিওকে স্মারকলিপি গরু শনাক্তে হাটে উত্তেজনা: চোর না ভিকটিম, কেন মামলা না করার সিদ্ধান্ত মালিকের  ছাত্রীর মায়ের সঙ্গে শিক্ষকের ‘ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের’ অভিযোগে উত্তাল স্কুল চার দিন পানীয় জল নেই ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে, চত্বরজুড়ে আবর্জনার স্তূপ ফালাকাটায় উদ্ধার মা গণ্ডারের মৃতদেহ, তীব্র চাঞ্চল্য   অপেক্ষার অবসান, দীর্ঘদিন পর টেস্ট দলে ফিরলেন সরফরাজ খান ক্রিকেটে আবারও রাজনীতির কালোছায়া লাভলিনা-মীরাবাই-নরেন্দ্র’র গল্প শুনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী সাহালের হ্যাটট্রিকে সিআইএসএফকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে পরের রাউন্ডে মোহনবাগান বড় ধাক্কা ভারতীয় শিবিরে, ছিটকে গেলেন সাই সুদর্শন খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও ওয়ার্কলোড সামলাতে বিশেষ পদক্ষেপ থম্পসনের তোপে থরহরি কম্পন বাংলাদেশ শিবিরে, ৫৪ রানে শেষ টাইগাররা ক্যালকাটা পুলিশকে ২-০ গোলে হারিয়ে শীর্ষে মহামেডান গুজরাট, মুম্বইয়ের পর কি এবার কলকাতা? হার্দিকের সম্ভাব্য নতুন ঠিকানা নিয়ে জোর চর্চা জয়ের লক্ষ্যে ক্যালকাটা পুলিশের মুখোমুখি মহামেডান স্পোর্টিং সিএফএলে আবার অঘটন, এবার ভবানীপুরের কাছে হার বাগানের টানা দ্বিতীয়বার অস্ট্রেলিয়ার সেরা ক্রিকেটার ট্রাভিস হেড বাইশ গজে আবার মহারণ, এশিয়া কাপে ৫ সেপ্টেম্বর ভারত-পাক মুখোমুখি বৃষ্টিতে ভেসে গেল আয়ারল্যান্ডের বিশ্বকাপের স্বপ্ন, খেলতে হবে বাছাইপর্ব ইস্তাম্বুলে বীরের বেশে সালাহ, ঐতিহাসিক চুক্তিতে শুরু নতুন অধ্যায় ​ক্ষমা চেয়ে পদে বহাল ইনফান্তিনো ২৫ কোটির প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরপর চেক বাউন্স! মহামেডান থেকে ‘বিতাড়িত’ হুমায়ুন, অথৈ জলে ক্লাব সাজিদের ঘূর্নি আর বাবরের ব্যাটে তিন বছর পর বিদেশের মাটিতে টেস্ট জয় পাকিস্তানের আংরাভাষা ২ নং পঞ্চায়েতে প্রধান-সহ আট তৃণমূল সদস্যের দলত্যাগ মছলন্দপুর রেলগেট থেকেই ভাঙা রাস্তা নতুন ট্রেন, প্ল্যাটফর্ম সংযুক্তিকরণ ও রেল প্রকল্পের দাবিতে সরব যাত্রী ও নাগরিক সংগঠন টানা বৃষ্টিতে ফুলে-ফেঁপে উঠল ময়ূরাক্ষী,  বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পূর্ণবয়স্ক দাঁতাল হাতির মৃত্যু  চন্দনা বাউরীর মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ আশা কর্মীদের বেহাল দশা, পাকা রাস্তার দাবি ধুলিয়ান পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব কড়িয়ালি বনের সৌন্দর্যায়ন ও মিনি-জু হিসেবে গড়ে তোলার দাবি পাটচাষে আর লাভ নেই! দরপতনে দিশেহারা কৃষকরা মোজাফফর আহমেদের ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত তাইপেই ওপেনে ইতিহাস, ১৮ বছর পর ভারতকে খেতাব এনে দিলেন ১৭ বছরের তন্বী ​সীমানার মাইন থেকে গ্লাসগোর সোনা, সেনানায়ক সোমন রানার অদম্য রূপকথা সিএফএল-এ জয়ের ধারা বজায় রাখতে বিএসএসের বিরুদ্ধে নামছে ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ডে বড় অঘটন! নবাগত সমলেশ্বরীর কাছে ৩-২ গোলে হারল মহামেডান ডুরান্ডে গোলের বন্যা, সিআইএসএফকে ৮-০ গোলে বিধ্বস্ত করল ইস্টবেঙ্গল ২৪ বছর পর আফ্রিকায় বিশ্বকাপ, ৩ দেশ ১২ শহরের নাম চূড়ান্ত করল আইসিসি বিদায় রক্ষণের শিল্পী, প্রয়াত ইতালির বিশ্বকাপ জয়ী ফ্রাঙ্কো বারেসি স্বপ্ন সত্যি কলকাতায়; পুজোর আগেই যুবভারতীতে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে নামছে ভারত নীল ছেড়ে গেরুয়া, হকি বিশ্বকাপের আগে জার্সি বদল ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক ডার্বি জয়ের আত্মতুষ্টি নয়, জয়ের ছন্দে থাকাই চ্যালেঞ্জ মোহনবাগানের ভারতের ধ্রুপদী যোদ্ধার বিদায়, শান্ত নায়ক অজিঙ্ক রাহানের অবসর ঘরের মাঠে সুরুচি-বধ মহামেডানের, তবুও চিন্তার ভাজ কপালে ডার্বি হারের পর জয়ে ফেরার মিশন বিসিসিআই-এর সেন্টার অব এক্সিলেন্সে তামিম ইকবাল চেন্নাই ছেড়ে ইংল্যান্ডের হেড কোচ ফ্লেমিং, ফের টেস্ট অধিনায়ক জো রুট

সাপ্তাহিক মীযান পত্রিকার ৫৩ বছর পদার্পণ

প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২৫, সন্ধ্যা ৬:১৬ | আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, রাত ৯:২৮

মাওলানা মঈনুদ্দিন খান ফালাহী

আরও পড়ুন:

 

কলকাতা থেকে প্রকাশিত ইসলামী ঐতিহ্যবাহী সাপ্তাহিক মীযান পত্রিকা ৫২ বছর অতিক্রম করে ৫৩ বর্ষে পদার্পণ করল। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এত প্রাচীন আর কোনো পত্রিকা নেই। স্মৃতির সরণী বেয়ে মীযান পত্রিকার সেই গৌরবময় ইতিহাস রোমন্থন করলেন মাওলানা মঈনুদ্দিন খান ফালাহী।

আরও পড়ুন:

‘দাওয়াত’ পত্রিকার সম্পাদক জনাব মুসলিম সাহেবকে ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসে আমীরে জামাআত তথা মারকাযী নেতৃবৃন্দ কলকাতায় পাঠান একটি ট্রাস্ট গঠনের উদ্দেশ্যে। তিনি কলকাতা এসে মাসাধিককাল অবস্থান করে এ বিষয়ে তৎপরতা চালিয়ে জামাআত ছাড়া অন্যান্য মুসলিম নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে একটি ট্রাস্ট গঠন করেন। যার নাম রাখা হয় ‘বাংলা ইসলামী প্রকাশনী ট্রাস্ট’ বা ‘বি.আই.পি.টি’। এই ট্রাস্ট সমস্ত মিল্লাতের সম্পদ। তাই এর নাম ‘জামাআতে ইসলামী’ রাখা হয়নি। এরপর বিআইপিটি-র নামে একটি ডিড করে তার সদস্যদের মধ্যে জামাআতে ইসলামী হিন্দের বাইরের মিল্লাতের বিশেষ ব্যক্তিদেরকে শামিল করা হয়। জামাআতে ইসলামীর পশ্চিমবঙ্গ হালকা বা রাজ্য শাখা তার সকল পুস্তকাদি ও নগদ অর্থ সমেত প্রায় ৩৩ হাজার টাকার সম্পদ ওই ট্রাস্টকে দান করে। ১৯৭৩ সালের ৩ মে এই দলিল রেজিস্ট্রি হয়। বিআইপিটি-র প্রতিষ্ঠাতা কর্মকর্তা ও সদস্যদের নাম নিম্নে দেওয়া হল:-
১। মাওলানা ইউসুফ সাহেব (আমীরে জামাআত): চেয়ারম্যান
২। আব্দুল ফাত্তাহ সাহেব (আমীরে হালকা): ভাইস চেয়ারম্যান
৩। মাওলানা ইয়াকুব ঘোলায়ী সাহেব (সহকারী আমীরে হালকা): ভাইস চেয়ারম্যান
৪। সাইয়েদ আলি সাহেব (কলিকাতা): সেক্রেটারি
৫। মৌলবী সা’দ আলি খান সাহেব (শিবনগর, ২৪ পরগনা): সদস্য
৬। নূরুল ইসলাম খান সাহেব (চণ্ডীপুর, ২৪ পরগনা): সদস্য
৭। সেখ নাসীর আহমেদ সাহেব (হাওড়া): সদস্য
৮। মাওলানা সীরাজুল ইসলাম সাহেব (হাওড়া): সদস্য
৯। সৈয়দ বদরুদ্দোজা সাহেব (কলকাতা): সদস্য
১০। মাওলানা আতিকুর রহমান সাহেব (জমিয়তে উলেমা): সদস্য
১১। ইউসুফ সাহেব (সম্পাদক: রেডিয়ান্স, দিল্লি): সদস্য
১২। মুসলিম সাহেব (সম্পাদক: দাওয়াত পত্রিকা, দিল্লি): সদস্য
১৩। অধ্যাপক নিয়াজ সাহেব (কলকাতা): সদস্য

আরও পড়ুন:

জনাব নাসির আহমেদ, প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, মীযান পত্রিকা।

সাপ্তাহিক মীযান প্রচার অভিযান:

আরও পড়ুন:

বাংলা ইসলামী প্রকাশনী ট্রাস্ট বা বিআইপিটি গঠন হওয়ার পর তার প্রকাশনী সাপ্তাহিক ‘মীযান’ পত্রিকা প্রকাশনার জন্য ৩ লক্ষ টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে সারা বাংলায় প্রচার অভিযান চালানো হয়। এই কাজে সহায়তার জন্য সৈয়দ বদরুদ্দোজা সাহেব ও অন্যান্য বাংলার বিশিষ্ট নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের আবেদন-সহ প্রচার অভিযান চালানো হয়। এই প্রচার অভিযানে নাসীর আহমেদ সাহেবের লেখা একটি কবিতা খুবই কাজে আসে, যাতে তিনি মীযান ও বাংলা ইসলামী প্রকাশনী ট্রাস্টের কথা লিখেছিলেন। জামাআত আশা করেছিল, এই গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে দল-মত নির্বিশেষে পশ্চিমবাংলার সকল মুসলিম জামাআত ও সংগঠন সর্বতোভাবে সাহায্য সহযোগিতা করবে। কারণ, এটা মিল্লাতের কাজ হিসেবে জামাআতের বাইরের বাংলার নেতৃস্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ট্রাস্টে শামিল করা হয়েছিল। বহুদিন পূর্বে যে কাজ আরম্ভ হওয়ার কথা ছিল, সে কাজ সবেমাত্র আরম্ভ হচ্ছে। তাই সবাইকে এ কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রয়োজন ছিল। আর সত্য কথা বলতে কী, সাধারণ মুসলমানদের মধ্যে এ বিষয়ে আগ্রহ বা উৎসাহ ছিল প্রচুর। কিন্তু সেই তুলনায় মুসলিম জামাআত বা সংগঠনের নেতৃস্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ কোনপ্রকার সাহায্য সহযোগিতা করলেনই না। বরং ভিতরে ভিতরে প্রচুর বিরোধিতা আরম্ভ করে নিজ নিজ পরিসরে তাদের অনুগামীদের মাঝে প্রচার করতে থাকে যে, বাংলা ইসলামী প্রকাশনী ট্রাস্ট সমগ্র মিল্লাতের কোনো সংস্থা নয়; এটা কেবলমাত্র জামাআতে ইসলামী হিন্দ ও তার মুখপত্র হল ‘মীযান’। তাই এসব বিষয়ে সকলের সহযোগিতার প্রয়োজন নেই। তাদের ধারণা ছিল জামাআতে ইসলামীর পশ্চিমবঙ্গে যে জনশক্তি আছে, তার দ্বারা এতবড় কাজ করা সম্ভব হবে না। তাই তারা প্রথম প্রথম এটাকে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি ও জোরালোভাবে বিরোধিতা করেনি। কিন্তু ধীরে ধীরে তা প্রকাশ পায়।

আরও পড়ুন:

জামাআতে ইসলামী হিন্দ রাজ্য শাখা সর্বতোভাবে এই অভিযান সফল করার মানসিকতা নিয়ে সর্বস্তরের কর্মীরা ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ে। অন্যান্য জামাত বা সংগঠনের অসহযোগিতা ও বিরোধিতা সত্ত্বেও প্রায় ৭০ হাজার টাকা সংগৃহীত হয়, যা ট্রাস্টের লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক অনেক নীচে ছিল। এতদসত্ত্বেও জামাআতে ইসলামীর কর্মীরা আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে একাজে আরও তৎপরতা চালিয়ে যায়। জামাআতে ইসলামী রাজ্য শাখা সিদ্ধান্ত নেয়, যতই আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হোক না কেন, পত্রিকা ও প্রকাশনার কাজ অতি সত্ত্বর আরম্ভ করা হবে। পত্রিকা প্রকাশনার সাথে সাথে উন্নত মানের দ্বীনি পুস্তকাদি তৈরি, বিশেষ করে শিশুদের উপযোগী ইসলামী চিন্তাধারাকে সামনে রেখে বই-পুস্তক প্রণয়ন এবং প্রকাশের চেষ্টা করা হবে, যা সে সময় বাংলায় ছিল না বললেই চলে।
জামাআতে ইসলামীর পশ্চিমবঙ্গ প্রকাশনী হতে যে সমস্ত পুস্তকগুলি পূর্বে প্রকাশিত হচ্ছিল, সেগুলির সঙ্গে তাফহীমুল কুরআন ও হাদীস সংকলন বাংলায় ছাপানোর সিদ্ধান্ত হয়। জামাআতে ইসলামীর নয়, জামাআতের বাইরের ভাল ইসলামী পুস্তকাদি প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যেমন মাওলানা সুলায়মান নাদবী ও মাওলানা আবুল হাসান নাদবী (আলীমিঞা) প্রমুখের লিখিত ইসলাম সম্পর্কে ভাল পুস্তকগুলি ছাপা হবে। এক বছরের মধ্যে শিশুদের জন্য ‘এসো জীবন গড়ি’, ‘প্রিয়নবীর প্রিয় কথা’, ‘ইসলামী শিক্ষার প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ’ ছাপা হল। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিপুল উৎসাহ দেখা গেল। অনেক মুসলিম পরিচালিত বিদ্যালয় তাদের সিলেবাসে এই পুস্তকগুলি অন্তর্ভুক্ত করে পঠন-পাঠনের ব্যবস্থা করে।

আরও পড়ুন:

সাপ্তাহিক মীযান প্রকাশ:

আরও পড়ুন:

বিআইপিটি-র সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হল ‘সাপ্তাহিক মীযান’। ইতিপূর্বে ‘পশ্চিমবঙ্গ ইসলামী সাহিত্য সমিতি’ নামক যে প্রতিষ্ঠান গঠন করা হয়েছিল এবং যাদের প্রচেষ্টায় মাসিক মীযান প্রকাশিত হচ্ছিল, যার মালিকানা ছিল মূলত ‘পশ্চিমবঙ্গ ইসলামী সাহিত্য সমিতি’, ১৯৭৩ সালের মে মাসে ‘পশ্চিমবঙ্গ ইসলামী সাহিত্য সমিতি’ সর্বসম্মতিক্রমে মাসিক মীযান-এর স্বত্ত্ব বিআইপিটি-কে নিঃশর্তে দান করে। তারপর ওই বছর ৩ আগস্ট (১৯৭৩) সাপ্তাহিক ‘মীযান’ পত্রিকা প্রকাশনার দিন ঘোষণা করা হয়। এর পরপরই বাংলার অন্যান্য জামাআত প্রকাশ্যে জামাআতে ইসলামীর বিরোধিতা আরম্ভ করে, যা এতদিন অনেকটা গোপনে চলছিল। অনেকটা সরকারি সহযোগিতায় সাপ্তাহিক মীযান পত্রিকা প্রকাশের এক সপ্তাহ পূর্বে অতি দ্রুততার সঙ্গে ‘সাপ্তাহিক ইনসানিয়াত’ পত্রিকা প্রকাশ করে। একথা মনে রাখতে হবে যেখানে পশ্চিমবঙ্গ হতে অমুসলমানদের হাজারেরও বেশি মাসিক, সাপ্তাহিক ও দৈনিক পত্র-পত্রিকা প্রকাশিত হয়, সেখানে মুসলমানদের দু-দশটা পত্রিকা বের হবে – এটা স্বাভাবিক ও ভাল দিক। কিন্তু যদি তার উদ্দেশ্য হয় একে অপরের বিরোধিতা করা, একে অপরের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো, তাহলে সেটা হবে ক্ষতিকর ও ভুল পদক্ষেপ; বরং উদ্দেশ্য হতে হবে একে অপরের সাহায্য ও সহযোগিতার মনোভাব। প্রতিযোগিতার মনোভাব পরিহার করে সহযোগিতার মাধ্যমে ইসলামের সুমহান দিকগুলি আপামর জনসাধারণের সামনে তুলে ধরতে হবে। এইভাবে ইসলামের খিদমত করা সকলের একান্ত লক্ষ্য-উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। অচিরেই এদের ইসলামী খিদমতের স্বরূপ প্রকাশ পায়। তা হল জামাআতে ইসলামী ও মাওলানা মওদূদী মুহতারামের বিরোধিতা করা। পরবর্তীকালে এদের পরিণতি কী হয়েছিল তা বাংলার জনগণ মাত্র অবগত। এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।

আরও পড়ুন:

জনাব ডা. রইসউদ্দীন, সাবেক সম্পাদক, মীযান পত্রিকা

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ১৯৭৩ সালের ৩ আগস্ট সাপ্তাহিক মীযান ১২ পৃষ্ঠার প্রকাশিত হয়। এর পূর্বে আইনগত কারণে আরও দুটি সংখ্যা বের করা হয়েছিল সীমিত সংখ্যায় ও সীমিত পরিসরে। প্রকৃতপক্ষে ৩ আগস্ট ১৯৭৩ সংখ্যাই হল সাপ্তাহিক মীযান পত্রিকার সূচনাকাল, যা ছাপা হয়েছিল ৩ হাজার কপি। আশা করা হয়েছিল, অন্তত দু-হাজার কপি বিক্রি হয়ে যাবে। বাকি যে হাজার খানেক কপি থেকে যাবে, সেটা পরে প্রচারের কাজে লাগবে। কিন্তু আল্লাহ পাকের অপার রহমতে ৩ হাজার কপি মাত্র ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে বিক্রয় হয়ে যায়, যা ছিল কল্পনার অতীত। এ বিষয়ে আল্লাহ পাকের যতই শুকরিয়া আদায় করা যায়, তা কমই হবে।
ঘটনা হল এই যে, ঘোষণা করা হয়েছিল, ৩ আগস্ট ১৯৭৩ বেলা দু-ঘটিকা হতে সাপ্তাহিক মীযান পত্রিকার বিক্রয় আরম্ভ হবে। যথাসময়ে তা বিক্রয় আরম্ভ হয় এবং সন্ধ্যার পূর্বেই তা শেষ হয়ে যায়। মাগরিবের নামাযের পর বেশকিছু সংখ্যক লোক পত্রিকা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যান। পরে খবর পাওয়া গেল ওই পত্রিকা এক একটা কপি বাজারে ৫ টাকায় লোক কিনেছে। সাপ্তাহিক মীযান পত্রিকার সম্পাদক নাসীর আহমেদ সাহেব আমার নিকট এক ইন্টারভিউয়ে তাঁর ওই সময়ের স্মৃতিচারণকালে সাপ্তাহিক মীযান সম্পর্কে বলেন, প্রত্যেক সপ্তাহে মীযান পত্রিকার সংখ্যা বাড়ানো হতে থাকে এবং প্রত্যেক সপ্তাহে তার চাহিদা পূরণ করতে আমরা পারিনি। সাপ্তাহিক পত্রিকার ইতিহাসে এ এক বিরল ঘটনা। মীযান পত্রিকা ছিল বাংলার মুসলমানের আশা, আকাঙ্খার প্রতীক। তাই মানুষের অধীর আগ্রহ থাকত এবং এই পত্রিকা বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা সংগ্রহ করতে তৎপর হয়ে যেত। মীযান পত্রিকার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ছিল ইসলামের সুমহান আদর্শকে মানুষের সামনে তুলে ধরা এবং ইসলামের আদর্শ ও নীতি নৈতিকতার আদলে মানব সমাজকে গড়ে তোলা মানুষের কল্যাণে। কারো বিরোধিতা করার হীন উদ্দেশ্য কখনোই নয়। প্রথম দিকে সাপ্তাহিক মীযান ১২ পৃষ্ঠা প্রকাশ হত। মূল্য ছিল ৩৫ পয়সা। মাসে একটা বিশেষ সংখ্যা বের হত ১৬ পৃষ্ঠার, মূল্য ছিল ৫০ পয়সা। পরে কাগজের মূল্য অতি মাত্রায় বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে (যে কাগজের মূল্য ছিল ৩০ টাকা মাত্র, তা একলাফে বেড়ে হয় ১১০ টাকা। তাও সময়মতো পাওয়া যেত না)। তখন পর্যন্ত মীযানের কাগজ বা নিউজপ্রিন্ট কোটা পাওয়া যায়নি। তাই বাধ্য হয়ে মীযানের কলেবর কমিয়ে ৮ পৃষ্ঠা করা হল, মূল্য ৪০ পয়সা।

আরও পড়ুন:

জনাব রহমত আলী খান, সাবেক সম্পাদক, মীযান পত্রিকা।

মীযান-এর জন্য বরাদ্দ কাগজের কোটা:

আরও পড়ুন:

বহু চেষ্টায় মীযানের কাগজের কোটা পাওয়া গেল। কিন্তু সমস্যা দেখা দিল ৪০ হাজার টাকার কাগজ সরকার দেবে, ওই কোটার কাগজ সম্পূর্ণ তুলে নিতে হবে একসঙ্গে। সময় মাত্র এক মাস। যদি এক মাসের মধ্যে ওই টাকা জমা না করা হয় তাহলে কোটা বাতিল হয়ে যাবে। আবার সেই টাকা তোলার অভিযানে সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ে। ঘোষণা করা হল এককালীন ঋণ বা দান উভয়ই গ্রহণ করা হবে। অতি কষ্টে যথা সময়ে কোটার অর্থ সংগ্রহ করা হল এবং সম্পূর্ণ কাগজ তোলার ব্যবস্থা করা হল। এ বিষয়ে কলকাতার উর্দূভাষী জামাআতকর্মী ও মুসলমানদের সাহায্য সহযোগিতা তুলনাহীন।
ওই কাগজ পাবার পর আরেক সমস্যা দেখা দেয়। ওই বিপুল পরিমাণ কাগজ রাখা ও সংরক্ষণ করা। অর্থ সংগ্রহ অভিযান ও কোটায় কাগজ পাওয়া এবং তারপর তার সংরক্ষণ বিষয়ে জামাআত কর্মীদের তৎপরতা, প্রচেষ্টা, আন্তরিকতা, ত্যাগ ও কুরবানীর ইতিহাস বেশ বড়। সেগুলো সম্পূর্ণ বর্ণনা করতে গেলে একটা পৃথক পুস্তকের প্রয়োজন। যাহোক, এই অভিযানে যাদের কাছ থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছিল, যথাসময়ে তা হিসাব করে পরিশোধ করে দেওয়া হয়।
অচিরেই মীযান প্রকাশের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়ে যায়। যা পশ্চিমবাংলা তথা ভারতের সীমা ছাড়িয়ে বাংলাদেশ, নেপাল, সৌদি আরব ও আরব বিশ্বের অন্যান্য দেশ লন্ডন, আমেরিকা যেতে থাকে। সাপ্তাহিক মীযানের সব কাজ ২২/১ ধর্মতলা স্ট্রীট, জামাআতে ইসলামী হিন্দের অফিস থেকেই চলত। যেখানে মীযান পত্রিকার স্থান ছিল খুবই অপ্রতুল। মীযান পত্রিকা তথা বিআইপিটি-র জন্য একটি স্বতন্ত্র অফিস খুব জরুরি হয়ে পড়ে। অর্থাভাবে উপযুক্ত জায়গা পাওয়া খুবই কঠিন। এমতাবস্থায় প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্ট সেক্রেটারি সৈয়দ আলি সাহেব নিজ ব্যবসা ও অন্যান্য কাজের চাপে পড়ে তার পক্ষে মীযান পত্রিকা ও ট্রাস্টের জন্য সময় দেওয়া খুব মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। ফলে তিনি সেক্রেটারি পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। এ বিষয়ে আমীরে হালকা ও জামাআতের কর্মকর্তাদের অবগত করেন তিনি।

আরও পড়ুন:

মোহাম্মদ নূরউদ্দীন, সাবেক সম্পাদক, মীযান পত্রিকা।

ট্রাস্ট সেক্রেটারি পরিবর্তন:

আরও পড়ুন:

আমীরে হালকা ও জামাআতের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ও ট্রাস্টিরা মিলে সিদ্ধান্ত নেন, মুহাম্মদ জাফর সাহেবকে ট্রাস্টের সেক্রেটারি করা হোক। তিনি সেক্রেটারি হবার পর সাপ্তাহিক মীযান ও ট্রাস্টের অন্যান্য বিষয়গুলি খতিয়ে দেখে সমস্যাগুলি দূর করার চেষ্টা করেন। সর্বপ্রথম সবথেকে বড় যে সমস্যা তাঁর সামনে আসে তা হল, ট্রাস্ট ও মীযানের জন্য একটা পৃথক অফিস। এ জন্য যদি কোনো ভাল জায়গার ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে সব সমস্যার সমাধান সহজ হয়ে যাবে। তিনি এই বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে প্রচেষ্টা চালান। তাঁর আন্তরিক তৎপরতা ও প্রচেষ্টা আল্লাহপাক কবুল করুন। তাই তিনি ২২/১ ধর্মতলা স্ট্রীট বর্তমান লেনিন সরণী, যেখানে রাজ্য জামাআত অফিস অবস্থিত, তার অতি নিকটে ওই চত্ত্বরে একটি বাড়ির সন্ধান পান। যা বর্তমান মীযান অফিস এবং বিআইপিটি-র অফিসও বটে। ২৭-বি লেনিন সরণী, বাংলা ইসলামী ট্রাস্ট ও প্রকাশনালয় অবস্থিত। এই বাড়িটি ট্রাস্ট ও মীযানের জন্য লিজ নেন। বাংলা ইসলামী প্রকাশনী ট্রাস্ট ও মীযান পত্রিকার জন্য এটা সবথেকে বড় পদক্ষেপ। (সেইসঙ্গে বাংলা ইসলামী প্রকাশনী ট্রাস্টের জন্য একটি প্রেস বা ছাপাখানা, বাইন্ডিংখানা তৈরি করেছিলেন এই বিল্ডিংয়েই। এই প্রেসের নাম ছিল বিআইপিটি প্রেস। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, বিশেষ কারণে সেই প্রেস ও বাইন্ডিংখানা পরে বন্ধ হয়ে যায়)। তার এই কাজের জন্য আল্লাহ তায়ালার নিকট দোওয়া জানাই। আল্লাহ তাঁকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। বর্তমানে ওই বাড়িটিকে আরও সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে সর্বাঙ্গীন সুন্দর করার চেষ্টা করেছেন প্রাক্তন আমীরে হালকা মাওলানা আব্দুর রফিক সাহেব, তাঁর শূরার সদস্যগণ, ট্রাস্টিগণ ও মীযান তথা বিআইপিটি-র কর্মীবৃন্দ। তাঁদের সবাইকে মুবারকবাদ জানাই ও জাযায়ে খায়েরের দোওয়া করি। মীযান একটি অতি উচ্চ মানের সাপ্তাহিক পত্রিকা, যা সকল মানুষকে কল্যাণের পথে দিশারী। তাই এই পত্রিকাটি পাঠ করার জন্য সর্বস্তরের মানুষকে আহ্বান জানাই। মুহাম্মদ জাফর সাহেব ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন না। ১৯৭৪ সালে ট্রাস্টের অন্যতম সদস্য সৈয়দ বদরুদ্দোজা সাহেব ইন্তেকাল করেন। বদরুদ্দোজা সাহেব ও জাফর সাহেব কলকাতার তালতলা অঞ্চলে একই এলাকায় থাকতেন। বৃদ্ধ অবস্থায় বদরুদ্দোজা সাহেবকে প্রভুত সাহায্য সহযোগিতা করেন তিনি। বদরুদ্দোজা সাহেবের ইন্তেকালে তাঁর কাফন-দাফনের সকল দায়-দায়িত্ব মুহাম্মদ জাফর সাহেব গ্রহণ করেন ও তাঁকে সর্বতোভাবে সাহায্য করেন জামাআত কর্মীগণ। বদরুদ্দোজা সাহেবের পুত্রগণ বিদেশে থাকায় অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়। তাঁর ইন্তেকালে বিআইপিটি-র একটা সদস্যপদ শূন্য হয়। ওই পদে মুহাম্মদ জাফর সাহেবকে ট্রাস্টের সদস্য করা হয়। পরে তিনি ট্রাস্টের সেক্রেটারিও হন।

আরও পড়ুন:

ডা. মসিহুর রহমান, বর্তমান সম্পাদক, মীযান পত্রিকা।

১৯৭৩ সালে সাপ্তাহিক মীযান পত্রিকা ধারাবাহিকভাবে বের হওয়ায় জামাআতে ইসলামী হিন্দ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য শাখার প্রচার-প্রসার ব্যাপক বৃদ্ধি পায়। ফলে সারা বাংলায় জামাআতে ইসলামী হিন্দ এর নাম প্রচার হয়ে যায়। রাজ্যের সব জেলায় সংগঠন গড়ে ওঠে। রুকনের সংখ্যাও অনেকগুণ বেড়ে যায়।

আরও পড়ুন
Copyright © Jano Kantho
Developed by eTech Builder