BREAKING:
পরাজিত মহামেডান, সাদাকালো শিবিরকে হারিয়ে দুরন্ত জয় পিয়ারলেসের সুন্দরবনের জলবায়ু বিপন্নতা নিয়ে কাকদ্বীপে মিডিয়া ওয়ার্কশপ NEET-২০২৬ উত্তীর্ণ কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা ফারাক্কায় সোনাল দিনুশার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ম্যাচ বাঁচাল শ্রীলঙ্কা,সিরিজ সেরা পাড়িক্কল ব্যান্ডেলে এখন থেকে জমবে ‘কারিম’স’-এর আসর, দিল্লির স্বাদ এবার হাতের নাগালে রাখির বন্ধনে সম্প্রীতির বার্তা, দৃষ্টিহীন ও বিশেষভাবে সক্ষমদের মুখে হাসি সম্পত্তি জালিয়াতি মামলায় পুলিশি অ্যাকশন: গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, আইনি পদক্ষেপে স্বস্তি বৃদ্ধা মণিকা চক্রবর্তীর চূড়াভান্ডারে পালাবদলের বোর্ড, প্রধান কল্পনা  উপপ্রধান অনিতা! আবির-মিষ্টিতে উচ্ছ্বাস কর্মী-সমর্থকদের দেগঙ্গায় আট দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে মাদকবিরোধী সচেতনতার বার্তা গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গরুর দৌড়,যা মৈই ছাড়া নামেই খ্যাত দ্বিতীয় টেস্টে আজ মুখোমুখি ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা,থাকছে বৃষ্টির ভ্রুকুটি। চড়া দামের খাঁড়া; ভারতের ক্রিকেট টাইটেল স্পনসরশিপ নিয়ে জটিলতায় বিসিসিআই একদিনে পড়লো ১৮ উইকেটে। হেডিংলিতে লজ্জার হার,ইংরেজ পেসারদের কাছে মুখ থুবড়ে পড়লো পাক ব্যাটিং। প্রতিশোধ বনাম শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই: ডুরান্ড ফাইনালে মহারণের অপেক্ষায় যুবভারতী রাজীব গান্ধীর জন্মদিনে ফুটবল প্রতিযোগিতা ও কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা বকেয়া বেতনের জট কাটেনি, পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে অস্থায়ী কর্মীরা কোটি টাকার প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার প্রাক্তন পুরপ্রধান, আদালতে জামিন সম্পত্তির লোভে বাবাকে খুন, চন্দননগর আদালতে যাবজ্জীবন ছেলে-বৌমার ভারত-ব্রাজিল মহাদ্বৈরথের প্রস্তুতি তুঙ্গে: যুবভারতী পরিদর্শনে ব্রাজিলের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল টাইব্রেকারে নর্থইস্টকে হারিয়ে ফাইনালে মোহনবাগান! শিরোপার মঞ্চে এবার কলকাতা ডার্বি” হেডিংলিতে পেস-ঝড়ে বিধ্বস্ত পাকিস্তান ১৭১ রানে অল-আউট, প্রথম দিনেই এগিয়ে ইংল্যান্ড চম্পাহাটির বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে জখম অন্তত ৫ শ্রমিক ভোটাধিকার পুনর্বহাল ও নাগরিক পরিষেবা রক্ষার দাবিতে ডায়মন্ড হারবারে মিছিল জয়নগর কুলতলি গ্রামীণ হাসপাতালে বেহাল সরকারি আবাসন মীনা মঞ্চের উদ্যোগে মাদ্রাসায় প্রজেক্ট বিতরণ ডুরান্ড কাপ সেমিফাইনাল সুথারের অতিমানবিক পারফরম্যান্স,গল-এ প্রথম টেস্টে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সিরিজে এগোলো ভারত দক্ষিণ আফ্রিকাকে হাফ ডজন গোলে উড়িয়ে সেমিফাইনালের আরও কাছে ভারত মাদক, জুয়া-সাট্টা ও নারী নির্যাতন রুখতে বহড়ুতে সচেতনতা সভা জয়নগরে বিজেপি যুব মোর্চার প্রতিবাদ মিছিল প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন জয়নগর মজিলপুর, হাঁটু সমান জলে দুর্ভোগ সমাজসেবায় কানাড়া ব্যাঙ্ক, শিক্ষা ও গ্রামোন্নয়নে নতুন উদ্যোগ নবোদয় সাহিত্য পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন ও স্বাধীনতা দিবস পালন মালদহে চালু আয়ুষ্মান ভারত, স্বাস্থ্য পরিষেবায় নতুন দিশার আশাবাদ জুট মিল শ্রমিকদের ব্যাতিক্রমী স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নেতাজির অপমানের প্রতিবাদে মালদহে এসএফআইয়ের ‘আজাদি র‍্যালি’ বেলডাঙ্গা হাইস্কুলে SIO-র আয়োজনে বসেআঁকো প্রতিযোগিতা স্বাধীনতা দিবসে অনবদ্য জয় দিয়ে হকি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ভারত আজ কোয়ার্টারের মহারণ! অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস,ডারউইনে ৯ উইকেটে অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি ও একজন দিব্যাঙ্গ মানুষের যন্ত্রনা ‘হর ঘর তিরঙ্গা’য় সাইকেল নিয়ে ধূপগুড়ির রাজপথ পরিক্রমা করলেন মহকুমা শাসক শ্রদ্ধা সুব্বা ব্যান্ডেলে এবার খাদ্যরসিকদের জন্য দিল্লির কারিম’স নেতাজিকে ঘিরে বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে, অনন্ত মহারাজকে ভর্ৎসনা  কার্তিক মহারাজের বনকর্মীদের তৎপরতায় বাঁচল বাজপাখির প্রাণ  অবশেষে সেলিমার দিল্লি যাত্রা, বিধায়কের সহায়তায় মালদহের রেশম চাষের ইতিহাস ও বর্তমান সরকারের উদ্যোগ ওয়েটল্যান্ডে চলল বুলডোজার, ভাঙড়ে বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন বনগাঁ সীমান্তে গ্রেফতার এক পাকিস্তানি ভোট শেষ, তবু খুলল না স্কুল! চার মাস ধরে থমকে পড়াশোনা প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করার দাবি, এসডিওকে স্মারকলিপি গরু শনাক্তে হাটে উত্তেজনা: চোর না ভিকটিম, কেন মামলা না করার সিদ্ধান্ত মালিকের  ছাত্রীর মায়ের সঙ্গে শিক্ষকের ‘ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের’ অভিযোগে উত্তাল স্কুল চার দিন পানীয় জল নেই ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে, চত্বরজুড়ে আবর্জনার স্তূপ ফালাকাটায় উদ্ধার মা গণ্ডারের মৃতদেহ, তীব্র চাঞ্চল্য   অপেক্ষার অবসান, দীর্ঘদিন পর টেস্ট দলে ফিরলেন সরফরাজ খান ক্রিকেটে আবারও রাজনীতির কালোছায়া লাভলিনা-মীরাবাই-নরেন্দ্র’র গল্প শুনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী সাহালের হ্যাটট্রিকে সিআইএসএফকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে পরের রাউন্ডে মোহনবাগান বড় ধাক্কা ভারতীয় শিবিরে, ছিটকে গেলেন সাই সুদর্শন খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও ওয়ার্কলোড সামলাতে বিশেষ পদক্ষেপ থম্পসনের তোপে থরহরি কম্পন বাংলাদেশ শিবিরে, ৫৪ রানে শেষ টাইগাররা ক্যালকাটা পুলিশকে ২-০ গোলে হারিয়ে শীর্ষে মহামেডান গুজরাট, মুম্বইয়ের পর কি এবার কলকাতা? হার্দিকের সম্ভাব্য নতুন ঠিকানা নিয়ে জোর চর্চা জয়ের লক্ষ্যে ক্যালকাটা পুলিশের মুখোমুখি মহামেডান স্পোর্টিং সিএফএলে আবার অঘটন, এবার ভবানীপুরের কাছে হার বাগানের টানা দ্বিতীয়বার অস্ট্রেলিয়ার সেরা ক্রিকেটার ট্রাভিস হেড বাইশ গজে আবার মহারণ, এশিয়া কাপে ৫ সেপ্টেম্বর ভারত-পাক মুখোমুখি বৃষ্টিতে ভেসে গেল আয়ারল্যান্ডের বিশ্বকাপের স্বপ্ন, খেলতে হবে বাছাইপর্ব ইস্তাম্বুলে বীরের বেশে সালাহ, ঐতিহাসিক চুক্তিতে শুরু নতুন অধ্যায় ​ক্ষমা চেয়ে পদে বহাল ইনফান্তিনো ২৫ কোটির প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরপর চেক বাউন্স! মহামেডান থেকে ‘বিতাড়িত’ হুমায়ুন, অথৈ জলে ক্লাব সাজিদের ঘূর্নি আর বাবরের ব্যাটে তিন বছর পর বিদেশের মাটিতে টেস্ট জয় পাকিস্তানের আংরাভাষা ২ নং পঞ্চায়েতে প্রধান-সহ আট তৃণমূল সদস্যের দলত্যাগ মছলন্দপুর রেলগেট থেকেই ভাঙা রাস্তা নতুন ট্রেন, প্ল্যাটফর্ম সংযুক্তিকরণ ও রেল প্রকল্পের দাবিতে সরব যাত্রী ও নাগরিক সংগঠন টানা বৃষ্টিতে ফুলে-ফেঁপে উঠল ময়ূরাক্ষী,  বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পূর্ণবয়স্ক দাঁতাল হাতির মৃত্যু  চন্দনা বাউরীর মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ আশা কর্মীদের বেহাল দশা, পাকা রাস্তার দাবি ধুলিয়ান পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব কড়িয়ালি বনের সৌন্দর্যায়ন ও মিনি-জু হিসেবে গড়ে তোলার দাবি পাটচাষে আর লাভ নেই! দরপতনে দিশেহারা কৃষকরা মোজাফফর আহমেদের ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত তাইপেই ওপেনে ইতিহাস, ১৮ বছর পর ভারতকে খেতাব এনে দিলেন ১৭ বছরের তন্বী ​সীমানার মাইন থেকে গ্লাসগোর সোনা, সেনানায়ক সোমন রানার অদম্য রূপকথা সিএফএল-এ জয়ের ধারা বজায় রাখতে বিএসএসের বিরুদ্ধে নামছে ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ডে বড় অঘটন! নবাগত সমলেশ্বরীর কাছে ৩-২ গোলে হারল মহামেডান ডুরান্ডে গোলের বন্যা, সিআইএসএফকে ৮-০ গোলে বিধ্বস্ত করল ইস্টবেঙ্গল ২৪ বছর পর আফ্রিকায় বিশ্বকাপ, ৩ দেশ ১২ শহরের নাম চূড়ান্ত করল আইসিসি বিদায় রক্ষণের শিল্পী, প্রয়াত ইতালির বিশ্বকাপ জয়ী ফ্রাঙ্কো বারেসি স্বপ্ন সত্যি কলকাতায়; পুজোর আগেই যুবভারতীতে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে নামছে ভারত নীল ছেড়ে গেরুয়া, হকি বিশ্বকাপের আগে জার্সি বদল ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক ডার্বি জয়ের আত্মতুষ্টি নয়, জয়ের ছন্দে থাকাই চ্যালেঞ্জ মোহনবাগানের ভারতের ধ্রুপদী যোদ্ধার বিদায়, শান্ত নায়ক অজিঙ্ক রাহানের অবসর ঘরের মাঠে সুরুচি-বধ মহামেডানের, তবুও চিন্তার ভাজ কপালে ডার্বি হারের পর জয়ে ফেরার মিশন বিসিসিআই-এর সেন্টার অব এক্সিলেন্সে তামিম ইকবাল চেন্নাই ছেড়ে ইংল্যান্ডের হেড কোচ ফ্লেমিং, ফের টেস্ট অধিনায়ক জো রুট

সংঘের শতবর্ষ এবং ধর্মনিরপেক্ষের কর্তব্য

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রাত ১১:১৪ | আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রাত ১১:১৪

গৌতম রায়

আরও পড়ুন:

সংগঠনের শতবর্ষ পূর্তিকে কীভাবে ভারত ভাবনার সঙ্গে একাত্ম করে দিতে পারা যায় — সেটাই এখন হিন্দুত্ববাদীদের একমাত্র লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঠিক সে কারণেই শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই লক্ষাধিক জায়গায় হিন্দু সম্মেলনের নাম করে রাজনৈতিক হিন্দুদের একত্রিত করবার পরিকল্পনা করেছে আরএসএস। আরো অনেক রাজ্যেই এমন পরিকল্পনা তাদের আছে।

আরও পড়ুন:

দুর্গোৎসবের অন্তিম দিন বিজয়া দশমীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল উগ্র হিন্দু সম্প্রদায়িক, মৌলবাদী, ফ্যাসিস্ট সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ ১৯২৫ সালে। তারপর বিগত ১০০ বছর ধরে এই শারদ উৎসবের অন্তিম দিন, অর্থাৎ বিজয়া দশমীর দিনটি সংঘের পক্ষ থেকে তাদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী হিসেবে সাড়ম্বরে পালন করা হয়। সেই দিন সংঘ-প্রধান, যাকে তারা সরসংঘচালক বলে, সে সংঘের আগামী এক বছরের তথাকথিত সামাজিক কর্মসূচির একটা রূপরেখা সংঘকর্মীদের সামনে উপস্থাপিত করে। সংঘের এই তথাকথিত সামাজিক কর্মসূচি হল, হিন্দুত্ববাদীদের রাজনৈতিক কর্মসূচি। সংঘ কখনো প্রকাশ্যে নিজেদেরকে রাজনৈতিক সংগঠন বলে না। তারা দাবি করে, তারা সামাজিক সংগঠন।

আরও পড়ুন:

উগ্র হিন্দু সন্ত্রাসী সম্প্রদায়িক কর্মসূচিগুলিকে সামাজিক কর্মসূচির আড়ালে তারা জনমানসে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই সংঘের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, এই বিজয়া দশমীর দিন সামাজিক কর্মসূচির ছদ্মবেশে বিভিন্ন ধরনের উগ্র ফ্যাসিবাদী ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি তারা প্রকাশ্যে আনে।

আরও পড়ুন:

আসন্ন বিজয়া দশমী (১৪৩২ বঙ্গাব্দ / ২০২৫) উপলক্ষে এই ধরনের কর্মসূচিকে আরো উগ্রতার সঙ্গে ভারতবাসীর মনে গেঁথে দেওয়ার লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই সংঘ তাদের কর্মসূচি নির্দিষ্ট করে ফেলেছে। অতীতে কেবলমাত্র সংঘের সদর দপ্তর নাগপুরের রেশমবাগের ‘কেশব ভবন’ থেকেই সরসংঘচালকের বক্তৃতা দেওয়ার রেওয়াজ ছিল। সেই বক্তৃতার শ্রোতা ছিল সংঘ কর্মীরাই। সংঘের পরিমন্ডলের বাইরে কারো সে বক্তৃতা শোনার সুযোগ ছিল না। বস্তুত সংঘ তখন নিজেদেরকে একটা বিশেষ রকমের গোপনীয়তার চাদরে ঢেকে রাখতেই অভ্যস্থ ছিল। আমজনতার পক্ষে সংঘের কাজকর্ম সম্পর্কে জানার খুব একটা সুযোগও ছিল না। তাদের ভবিষৎ কর্মসূচিও সংঘের একান্ত পরিমন্ডলের বাইরে কেউ খুব একটা জানতে পারত না।

আরও পড়ুন:

কেন্দ্রে আরএসএস-এর রাজনৈতিক সংগঠন বিজেপির একক গরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর যখন নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হন, তারপর দূরদর্শন, বেতার ইত্যাদি সরকারি প্রচার মাধ্যমগুলিতে সরসংঘচালকের বিজয়া দশমীর বক্তৃতা সরাসরি সম্প্রচারিত হওয়া শুরু হয়। সংঘ ততদিনে নিজেদের বজ্র আঁটুনির ব্যাপারটাও কিছু আলগা করতে শুরু করেছিল। সাধারণ মানুষকে পূরভাবিত করতে সংঘ তাদের নানা কর্মকান্ডকে সাধারণের কাছে তুলে ধরতে শুরু করেছিল। গোপন সংগঠন হিসেবে কাজ করার অতীতের প্রবণতা থেকে আরএসএস তখন ধীরে ধীরে সরে আসতে শুরু করেছে।

আরও পড়ুন:

চলতি বছর (২০২৫) সংঘের শতবর্ষ উপলক্ষে দেশের বড় বড় শহরগুলিতেও সংঘের পক্ষ থেকে শতবর্ষ পূর্তি কর্মসূচিকে আরো প্রসারিত করার লক্ষ্যে হিন্দুত্ববাদীরা তাদের নিজেদের কার্যক্রমকে প্রসারিত করতে শুরু করেছে। এই প্রসারণ কান্ডের মধ্যে অতীতের মত কোনও ঢাক ঢাক গুড় গুড় আরএসএসের নেই। তাদের পক্ষ থেকে সংগঠনের অন্যতম মুখপাত্র সুনীল আম্বেদকর প্রকাশ্যে নিজেদের কর্মসূচি সম্পর্কে সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখ খুলেছেন। অতীতে কিন্তু এমনটা আরএসএস-কে ঘিরে দেখতে পাওয়া যেত না। হেডগেওয়ার, গোলওয়ালকার প্রমুখ যখন সংঘ-প্রধান ছিলেন, তখন একটা ভয়ংকর রকমের গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে আরএসএস-এর সমস্ত রকমের সামাজিকতার আড়ালে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হত। পরবর্তীতে বালাসাহেব দেওরস সংঘ-সুপ্রিমো হলে কোনও কোনও ক্ষেত্রে আরএসএসের কর্মসূচি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের জানার কিছুটা সুযোগ তৈরি হয়।

আরও পড়ুন:

এই সুযোগ কিন্তু সাধারণ মানুষের দ্বারা অর্জিত হয়নি। আরএসএস তাদের রাজনৈতিক প্রচার-প্রসারের স্বার্থে নিজেদের খবর যতটুকু সাধারণ মানুষকে জানাতে চেয়েছে, ততটুকুই কিন্তু সাধারণ মানুষের এই সংগঠনটির পক্ষে সম্পর্কে জানা সম্ভব হয়েছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঘিরে যখন তাঁর দলের মধ্যেই নানা ধরনের টানাপড়েন ঘটছে ছয়ের দশকের মধ্যবর্তী সময়ে, সেই সময়কালে কংগ্রেসের ভেতরকার দক্ষিণপন্থী-সাম্প্রদায়িক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে শ্রীমতী গান্ধীর যে দলীয় রাজনীতিতে কর্মকাণ্ড, তার সুযোগ গ্রহণ করার তাগিদে এই সময়ে আরএসএস কিছুটা নিজেদের সম্পর্কে সাধারণ মানুষের কাছে একটা গোপনীয়তার আবরণ ভেদ করার চেষ্টা করেছিল।

আরও পড়ুন:

নানা ধরনের সেবামূলক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তারা চেয়েছিল গান্ধীজীর হত্যাকারী হিসেবে হিন্দুত্ববাদীদের ঘিরে সাধারণ মানুষের যে ঘৃণা, তার উপশম ঘটাতে নিজেদেরকে ব্যবহার করতে। তাই তারা সাধারণ মানুষকে তাদের সম্পর্কে কিছু কিছু জানবার-বোঝবার সুযোগ এই সময় করে দিয়েছিল। পরবর্তীতে জরুরি অবস্থা বিরোধী আন্দোলনে আরএসএস-কে সঙ্গে নিয়ে জয়প্রকাশ নারায়ণ জাতীয় রাজনীতিতে যে কার্যক্রম ঘটিয়েছিলেন, তার দ্বারা সংঘ তাদের একটা বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরির চেষ্টা করে। সেটি কিন্তু আজকের জাতীয় রাজনীতিতে হিন্দুত্ববাদী ভাবধারা, তাদের ধারক-বাহক আরএসএস এবং তার রাজনৈতিক সংগঠন বিজেপির সংসদীয় রাজনীতিতে সাফল্য বা রাজনীতির মাঠে-ময়দানের সাফল্যকে এনে দেওয়ার ক্ষেত্রে একটা বিশেষ রকমের সহায়কের ভূমিকা পালন করেছিল।

আরও পড়ুন:

সামাজিক কর্মসূচির আড়ালে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ভারতীয়ত্বের নাম করে ভারতের জনজীবনে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে আরএসএস যেভাবে রাষ্ট্রপতির পদকেও ব্যবহার করেছে প্রণব মুখোপাধ্যায় অবসর গ্রহণের পরে, তা সমস্ত রকমের রাজনৈতিক শিষ্টাচারকে ছাপিয়ে গেছে। প্রণব মুখার্জীকে দিয়ে সংঘের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা তৈরির যে নতুন কর্মকাণ্ড এবং প্রয়াস আরএসএস নিয়েছিল, তাকে একটা সুসংবদ্ধ রূপ দিতে সংঘের শতবর্ষের প্রাক্কালে তারা প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে ব্যবহার করতে চলেছে।

আরও পড়ুন:

প্রণব বাবু নিজের রাজনৈতিক জীবনে কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তা সত্ত্বেও তিনি যেভাবে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অবসর গ্রহণের পর আরএসএসের সাংগঠনিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন, তা নিঃসন্দেহে তাঁর সমগ্র রাজনৈতিক জীবনের ধারাবাহিকতার সঙ্গে সঙ্গতি বিহীন। কিন্তু রামনাথ কোবিন্দের ক্ষেত্রে এমনটা নয়। কোবিন্দ হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির ধারাতেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনকে প্রসারিত করেছেন। কোবিন্দ প্রথম জীবনে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল প্রয়াত কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর সহকারী হিসেবে আইন ব্যবসার সঙ্গে সংযুক্ত ছিলেন। হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির সঙ্গে রামনাথের সংযোগ বহু প্রাচীন। রাষ্ট্রপতি পদ থেকে অবসর গ্রহণের পর তাঁকে দিয়ে যেভাবে আরএসএস বিজেপির কর্মসূচিতে রূপায়িত করতে, সরকারি ব্যবস্থাপনা মোদি সরকার চালিয়েছে, তেমনটা সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে কখনো ঘটেনি। রাষ্ট্রপতি পদে অবসর নেওয়া কোনও ব্যক্তিকে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি রূপায়ণের লক্ষ্যে কোনও কমিশনের প্রধান করেছে — এমনটাও রামনাথ কোবিন্দের আগে কখনো ভারতীয় রাজনীতিতে দেখতে পাওয়া যায় না। তাই এই রামনাথকে আরএসএস তাদের সংগঠনের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে সাংগঠনিক স্তরে আলাপ আলোচনার ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি প্রাধান্য দেবে — তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।

আরও পড়ুন:

সংঘের শতবর্ষ পালন উপলক্ষে যে প্রেক্ষিত আমাদের আশ্চর্য করে সেটি হল, পশ্চিমবঙ্গের বুকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংঘের কর্মসূচি। ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দিল্লি, ব্যাঙ্গালুরু, মুম্বাইতে সংঘের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক হিন্দুদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এগুলো বিজেপি বা ডাবল ইঞ্জিন শাসিত রাজ্য। তাই এর মধ্যে অবাক হওয়ার মতো কিছু নেই। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, আগামী ২১শে ডিসেম্বর ২০২৫ কলকাতায় আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আহুত সম্মেলন। আরএসএস-এর যখন ৭৫ বছর পূর্তি হয়েছিল, তখন পশ্চিমবঙ্গে ছিল সিপিআই (এম)-এর নেতৃত্বে বামফ্রন্ট সরকার। তখন কিন্তু ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংসজনিত পরিস্থিতিতে গোটা দেশব্যাপী আরএসএস ও বিজেপির রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছিল। তা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গে সংঘের ৭৫ বছর পূর্তিতে কোনও বড় ধরনের প্রকাশ্য সভা, বড় জমায়েত বা অনুষ্ঠান করার সাহস আরএসএস-এর হয়নি। কারণ, বাম জামানায় এরাজ্যের বুকে গেরুয়া শিবিরের তেমন কোন প্রভাবই ছিল না।

আরও পড়ুন:

কিন্তু মজার কথা হল, পশ্চিমবঙ্গে বিগত প্রায় ১৫ বছর ধরে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের বদান্যতায় আরএসএসের রাজনৈতিক ভিত্তি এখন এরাজ্যের বুকে এতটাই শক্তিপোক্ত হয়েছে যে, তারা এখন সংঘের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের বুকে রাজনৈতিক হিন্দুদের নিয়ে জমায়েত বা প্রকাশ্য সম্মেলন করার স্পর্ধা দেখাচ্ছে।

আরও পড়ুন:

প্রশ্ন হল, আজ থেকে কুড়ি বছর আগেও আরএসএস পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্য সভা করার সাহস দেখাতে পারত না। অথচ সেই পশ্চিমবঙ্গে কী এমন ঘটল যেখানে, গত প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্রমশ হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক সংগঠনের সংখ্যা ও শক্তি ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকল? তাদের তথাকথিত সামাজিক কর্মকান্ড, যেগুলো আসলে তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি, সেগুলো কীভাবে গত দেড় দশকে এতটা বল্গাহীন হতে পারল, যার জেরে সংঘের শতবর্ষ পালন পশ্চিমবঙ্গে এত জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে করার সাহস পাচ্ছে?

আরও পড়ুন:

আরএসএসের শতবর্ষ পালন ঘিরে যে সমস্ত সভা-সমাবেশ হবে; সেখানে স্থানীয় মানুষদের মধ্যে জনবিন্যাস, ধর্মান্তরণ ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে প্রচার চালানো হবে বলে ইতিমধ্যেই সংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বুঝতে এতটুকু অসুবিধে নেই যে, সংঘ চাইছে পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে শতবর্ষ উপলক্ষে বিভাজনের রাজনীতিকে তীব্র আকারে সমাজের বুকে গেঁথে দিতে।

আরও পড়ুন:

গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে পশ্চিমবঙ্গে ধর্মান্ধ সম্প্রদায়িকতাকে প্রসারিত করতে প্রতিযোগিতামূলক সাম্প্রদায়িকতা এই রাজ্যের সামাজিক বিন্যাসকে এমন একটা জায়গায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে, যার জেরে পশ্চিমবঙ্গের মতো একটি সমন্বয়ী মিশ্র সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা রাজ্যে এই ধরনের সম্প্রদায়িক দুরভিসন্ধি রাজনীতিকদের পক্ষে চালানো সম্ভব হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

বস্তুত শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের পর যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজনৈতিক হিন্দু রাজনীতিকদের কার্যত আঁস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, সেই সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকদের আজ রাজ্য রাজনীতিতে, সামাজিক জীবনে, সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এক অদ্ভুত পারস্পরিক প্রতিযোগিতা চলছে।

আরও পড়ুন:

পশ্চিমবঙ্গের বুকে আজ সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অধিকারের পক্ষে কথা বললে, তাকে নানাভাবে আক্রান্ত হতে হয়। এই আক্রমণ কেবল গেরুয়া শিবিরের ভেতর থেকে আসে না; চে গুয়েভারার ছবি দিয়ে নিজেদের প্রগতিশীল বলে দাবি করা অনেকেই আজ সংখ্যালঘু মুসলমানের স্বাধিকারের পক্ষে কথা বললে, সমাজ মাধ্যমে সেই বক্তাকে, মনুষ্যেতর আক্রমণ করে। সংখ্যালঘুর পক্ষে কথা বলার জন্য সাধারণ মানুষের ওপর পশ্চিমবঙ্গের বুকে যে ধরনের সামাজিক নির্যাতন নেমে আসছে — এই নির্যাতন হিন্দুত্ববাদীদের পাশাপাশি শাসকদল তৃণমূলের ছত্রছায়ায় থাকা কিছু লোকজন, এমনকি নিজেদের বামপন্থী বলে দাবি করা কিছু লোকজন, তারাও যেভাবে সংখ্যালঘুর পক্ষে দাঁড়ালে সেই মানুষকে বা সেই মানুষদের আক্রমণ করছে, তাতে একটা বিষয় খুব পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে যে, সামাজিক বিভাজনের অক্ষরেখাটি আজ পশ্চিমবঙ্গে একদম আগ্নেয়গিরির প্রান্তসীমায় এসে উপস্থিত হয়েছে। রাজ্যের বুকে যেমন ধর্ম-ভাষা-লিঙ্গ ইত্যাদি ভিত্তিক একজন সংখ্যালঘুর কোনও নিরাপত্তা নেই, তেমনি প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষ মানুষেরও কোনও নিরাপত্তা নেই।

আরও পড়ুন:

সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা প্রশ্নে বামপন্থীরা মুখে অত্যন্ত আন্তরিক। কিন্তু সেই আন্তরিকতার যে ব্যবহারিক প্রয়োগ তাঁরা বহুক্ষেত্রেই ঘটাতে পারছেন না, তাদের সেই অক্ষমতাটাও এখন ধীরে ধীরে পরিষ্কার হতে শুরু করেছে। এমতাবস্থায় আরএসএসের শতবর্ষ ঘিরে বিভাজনের অক্ষরেখাকে আরো তীব্র আর তীক্ষ্ণ করে তোলার লক্ষ্যে ভয়ংকর প্রচেষ্টা চলছে। ভোট সর্বস্ব রাজনীতির তাগিদ বা বাধ্যবাধকতার কারণে এই অশুভ প্রয়াসকে প্রতিহত করা কেবল প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক কর্মধারা দিয়ে সম্ভব নয়। তাই প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক ধারায় যারা চলতে অভ্যস্ত, তাদের অনেকেরই পক্ষে ভোট রাজনীতিকে অস্বীকার করে সমস্ত রকমের জঙ্গমতা কাটিয়ে প্রতিবেশীর পাশে দাঁড়ানো যথেষ্ট সমস্যাবহুল।

আরও পড়ুন:

এ কাজে দরকার বিশেষ রকমের সামাজিক প্রয়াস। সেই প্রয়াস নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিটি ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক দলের মধ্যে যে প্রগতিশীল, যথার্থ ধর্মনিরপেক্ষ মানুষজনেরা আছেন, তাঁদের সক্রিয় হওয়া বিশেষ প্রয়োজন। এই অংশের মানুষ সামাজিকভাবে সক্রিয় হলে সমাজে যারা বিভিন্ন ধরনের রাজনীতির ছত্রছায়ায় থেকে, ধর্মান্ধ-সাম্প্রদায়িক- মৌলবাদী শক্তির উদ্দেশ্য পূরণের কাজে নিয়োজিত রয়েছে, তারা সফল হতে পারবে না। সার্বিকভাবে তারা পরাজিত, ব্যর্থ হবে। প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও সমন্বয়ী চেতনাসম্পন্ন মানবিক তরিকার দ্বারা।

আরও পড়ুন:

 

( মতামত লেখকের নিজস্ব, লেখক প্রাবন্ধিক )

আরও পড়ুন
Copyright © Jano Kantho
Developed by eTech Builder