BREAKING:
পরাজিত মহামেডান, সাদাকালো শিবিরকে হারিয়ে দুরন্ত জয় পিয়ারলেসের সুন্দরবনের জলবায়ু বিপন্নতা নিয়ে কাকদ্বীপে মিডিয়া ওয়ার্কশপ NEET-২০২৬ উত্তীর্ণ কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা ফারাক্কায় সোনাল দিনুশার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ম্যাচ বাঁচাল শ্রীলঙ্কা,সিরিজ সেরা পাড়িক্কল ব্যান্ডেলে এখন থেকে জমবে ‘কারিম’স’-এর আসর, দিল্লির স্বাদ এবার হাতের নাগালে রাখির বন্ধনে সম্প্রীতির বার্তা, দৃষ্টিহীন ও বিশেষভাবে সক্ষমদের মুখে হাসি সম্পত্তি জালিয়াতি মামলায় পুলিশি অ্যাকশন: গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, আইনি পদক্ষেপে স্বস্তি বৃদ্ধা মণিকা চক্রবর্তীর চূড়াভান্ডারে পালাবদলের বোর্ড, প্রধান কল্পনা  উপপ্রধান অনিতা! আবির-মিষ্টিতে উচ্ছ্বাস কর্মী-সমর্থকদের দেগঙ্গায় আট দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে মাদকবিরোধী সচেতনতার বার্তা গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গরুর দৌড়,যা মৈই ছাড়া নামেই খ্যাত দ্বিতীয় টেস্টে আজ মুখোমুখি ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা,থাকছে বৃষ্টির ভ্রুকুটি। চড়া দামের খাঁড়া; ভারতের ক্রিকেট টাইটেল স্পনসরশিপ নিয়ে জটিলতায় বিসিসিআই একদিনে পড়লো ১৮ উইকেটে। হেডিংলিতে লজ্জার হার,ইংরেজ পেসারদের কাছে মুখ থুবড়ে পড়লো পাক ব্যাটিং। প্রতিশোধ বনাম শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই: ডুরান্ড ফাইনালে মহারণের অপেক্ষায় যুবভারতী রাজীব গান্ধীর জন্মদিনে ফুটবল প্রতিযোগিতা ও কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা বকেয়া বেতনের জট কাটেনি, পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে অস্থায়ী কর্মীরা কোটি টাকার প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার প্রাক্তন পুরপ্রধান, আদালতে জামিন সম্পত্তির লোভে বাবাকে খুন, চন্দননগর আদালতে যাবজ্জীবন ছেলে-বৌমার ভারত-ব্রাজিল মহাদ্বৈরথের প্রস্তুতি তুঙ্গে: যুবভারতী পরিদর্শনে ব্রাজিলের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল টাইব্রেকারে নর্থইস্টকে হারিয়ে ফাইনালে মোহনবাগান! শিরোপার মঞ্চে এবার কলকাতা ডার্বি” হেডিংলিতে পেস-ঝড়ে বিধ্বস্ত পাকিস্তান ১৭১ রানে অল-আউট, প্রথম দিনেই এগিয়ে ইংল্যান্ড চম্পাহাটির বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে জখম অন্তত ৫ শ্রমিক ভোটাধিকার পুনর্বহাল ও নাগরিক পরিষেবা রক্ষার দাবিতে ডায়মন্ড হারবারে মিছিল জয়নগর কুলতলি গ্রামীণ হাসপাতালে বেহাল সরকারি আবাসন মীনা মঞ্চের উদ্যোগে মাদ্রাসায় প্রজেক্ট বিতরণ ডুরান্ড কাপ সেমিফাইনাল সুথারের অতিমানবিক পারফরম্যান্স,গল-এ প্রথম টেস্টে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সিরিজে এগোলো ভারত দক্ষিণ আফ্রিকাকে হাফ ডজন গোলে উড়িয়ে সেমিফাইনালের আরও কাছে ভারত মাদক, জুয়া-সাট্টা ও নারী নির্যাতন রুখতে বহড়ুতে সচেতনতা সভা জয়নগরে বিজেপি যুব মোর্চার প্রতিবাদ মিছিল প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন জয়নগর মজিলপুর, হাঁটু সমান জলে দুর্ভোগ সমাজসেবায় কানাড়া ব্যাঙ্ক, শিক্ষা ও গ্রামোন্নয়নে নতুন উদ্যোগ নবোদয় সাহিত্য পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন ও স্বাধীনতা দিবস পালন মালদহে চালু আয়ুষ্মান ভারত, স্বাস্থ্য পরিষেবায় নতুন দিশার আশাবাদ জুট মিল শ্রমিকদের ব্যাতিক্রমী স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নেতাজির অপমানের প্রতিবাদে মালদহে এসএফআইয়ের ‘আজাদি র‍্যালি’ বেলডাঙ্গা হাইস্কুলে SIO-র আয়োজনে বসেআঁকো প্রতিযোগিতা স্বাধীনতা দিবসে অনবদ্য জয় দিয়ে হকি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ভারত আজ কোয়ার্টারের মহারণ! অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস,ডারউইনে ৯ উইকেটে অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি ও একজন দিব্যাঙ্গ মানুষের যন্ত্রনা ‘হর ঘর তিরঙ্গা’য় সাইকেল নিয়ে ধূপগুড়ির রাজপথ পরিক্রমা করলেন মহকুমা শাসক শ্রদ্ধা সুব্বা ব্যান্ডেলে এবার খাদ্যরসিকদের জন্য দিল্লির কারিম’স নেতাজিকে ঘিরে বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে, অনন্ত মহারাজকে ভর্ৎসনা  কার্তিক মহারাজের বনকর্মীদের তৎপরতায় বাঁচল বাজপাখির প্রাণ  অবশেষে সেলিমার দিল্লি যাত্রা, বিধায়কের সহায়তায় মালদহের রেশম চাষের ইতিহাস ও বর্তমান সরকারের উদ্যোগ ওয়েটল্যান্ডে চলল বুলডোজার, ভাঙড়ে বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন বনগাঁ সীমান্তে গ্রেফতার এক পাকিস্তানি ভোট শেষ, তবু খুলল না স্কুল! চার মাস ধরে থমকে পড়াশোনা প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করার দাবি, এসডিওকে স্মারকলিপি গরু শনাক্তে হাটে উত্তেজনা: চোর না ভিকটিম, কেন মামলা না করার সিদ্ধান্ত মালিকের  ছাত্রীর মায়ের সঙ্গে শিক্ষকের ‘ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের’ অভিযোগে উত্তাল স্কুল চার দিন পানীয় জল নেই ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে, চত্বরজুড়ে আবর্জনার স্তূপ ফালাকাটায় উদ্ধার মা গণ্ডারের মৃতদেহ, তীব্র চাঞ্চল্য   অপেক্ষার অবসান, দীর্ঘদিন পর টেস্ট দলে ফিরলেন সরফরাজ খান ক্রিকেটে আবারও রাজনীতির কালোছায়া লাভলিনা-মীরাবাই-নরেন্দ্র’র গল্প শুনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী সাহালের হ্যাটট্রিকে সিআইএসএফকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে পরের রাউন্ডে মোহনবাগান বড় ধাক্কা ভারতীয় শিবিরে, ছিটকে গেলেন সাই সুদর্শন খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও ওয়ার্কলোড সামলাতে বিশেষ পদক্ষেপ থম্পসনের তোপে থরহরি কম্পন বাংলাদেশ শিবিরে, ৫৪ রানে শেষ টাইগাররা ক্যালকাটা পুলিশকে ২-০ গোলে হারিয়ে শীর্ষে মহামেডান গুজরাট, মুম্বইয়ের পর কি এবার কলকাতা? হার্দিকের সম্ভাব্য নতুন ঠিকানা নিয়ে জোর চর্চা জয়ের লক্ষ্যে ক্যালকাটা পুলিশের মুখোমুখি মহামেডান স্পোর্টিং সিএফএলে আবার অঘটন, এবার ভবানীপুরের কাছে হার বাগানের টানা দ্বিতীয়বার অস্ট্রেলিয়ার সেরা ক্রিকেটার ট্রাভিস হেড বাইশ গজে আবার মহারণ, এশিয়া কাপে ৫ সেপ্টেম্বর ভারত-পাক মুখোমুখি বৃষ্টিতে ভেসে গেল আয়ারল্যান্ডের বিশ্বকাপের স্বপ্ন, খেলতে হবে বাছাইপর্ব ইস্তাম্বুলে বীরের বেশে সালাহ, ঐতিহাসিক চুক্তিতে শুরু নতুন অধ্যায় ​ক্ষমা চেয়ে পদে বহাল ইনফান্তিনো ২৫ কোটির প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরপর চেক বাউন্স! মহামেডান থেকে ‘বিতাড়িত’ হুমায়ুন, অথৈ জলে ক্লাব সাজিদের ঘূর্নি আর বাবরের ব্যাটে তিন বছর পর বিদেশের মাটিতে টেস্ট জয় পাকিস্তানের আংরাভাষা ২ নং পঞ্চায়েতে প্রধান-সহ আট তৃণমূল সদস্যের দলত্যাগ মছলন্দপুর রেলগেট থেকেই ভাঙা রাস্তা নতুন ট্রেন, প্ল্যাটফর্ম সংযুক্তিকরণ ও রেল প্রকল্পের দাবিতে সরব যাত্রী ও নাগরিক সংগঠন টানা বৃষ্টিতে ফুলে-ফেঁপে উঠল ময়ূরাক্ষী,  বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পূর্ণবয়স্ক দাঁতাল হাতির মৃত্যু  চন্দনা বাউরীর মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ আশা কর্মীদের বেহাল দশা, পাকা রাস্তার দাবি ধুলিয়ান পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব কড়িয়ালি বনের সৌন্দর্যায়ন ও মিনি-জু হিসেবে গড়ে তোলার দাবি পাটচাষে আর লাভ নেই! দরপতনে দিশেহারা কৃষকরা মোজাফফর আহমেদের ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত তাইপেই ওপেনে ইতিহাস, ১৮ বছর পর ভারতকে খেতাব এনে দিলেন ১৭ বছরের তন্বী ​সীমানার মাইন থেকে গ্লাসগোর সোনা, সেনানায়ক সোমন রানার অদম্য রূপকথা সিএফএল-এ জয়ের ধারা বজায় রাখতে বিএসএসের বিরুদ্ধে নামছে ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ডে বড় অঘটন! নবাগত সমলেশ্বরীর কাছে ৩-২ গোলে হারল মহামেডান ডুরান্ডে গোলের বন্যা, সিআইএসএফকে ৮-০ গোলে বিধ্বস্ত করল ইস্টবেঙ্গল ২৪ বছর পর আফ্রিকায় বিশ্বকাপ, ৩ দেশ ১২ শহরের নাম চূড়ান্ত করল আইসিসি বিদায় রক্ষণের শিল্পী, প্রয়াত ইতালির বিশ্বকাপ জয়ী ফ্রাঙ্কো বারেসি স্বপ্ন সত্যি কলকাতায়; পুজোর আগেই যুবভারতীতে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে নামছে ভারত নীল ছেড়ে গেরুয়া, হকি বিশ্বকাপের আগে জার্সি বদল ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক ডার্বি জয়ের আত্মতুষ্টি নয়, জয়ের ছন্দে থাকাই চ্যালেঞ্জ মোহনবাগানের ভারতের ধ্রুপদী যোদ্ধার বিদায়, শান্ত নায়ক অজিঙ্ক রাহানের অবসর ঘরের মাঠে সুরুচি-বধ মহামেডানের, তবুও চিন্তার ভাজ কপালে ডার্বি হারের পর জয়ে ফেরার মিশন বিসিসিআই-এর সেন্টার অব এক্সিলেন্সে তামিম ইকবাল চেন্নাই ছেড়ে ইংল্যান্ডের হেড কোচ ফ্লেমিং, ফের টেস্ট অধিনায়ক জো রুট

পরিবার সুখের হয় ধমনীর গুণে

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৫, দুপুর ২:৩৫ | আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৫, দুপুর ২:৩৫

মুদাসসির নিয়াজ

আরও পড়ুন:

নতুন পয়গাম: ব্যক্তির সমষ্টি হল পরিবার। আবার সমাজের ক্ষুদ্র সংস্করণ হল পরিবার। অর্থাৎ সমাজ গড়ে ওঠার প্রথম ও প্রধান উপাদান হল পরিবার। আর পরিবার তথা সমাজের প্রধান উপাদান হল মানুষ। তাই মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও স্নেহ ভালবাসার অটুট বন্ধনের মাধ্যমে গড়ে ওঠে পারিবারিক কাঠামো। মানব সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে পরিবারের গুরুত্ব অপরিসীম। পরিবারকে বলা হয় সমাজ তথা রাষ্ট্রের আয়না। একটি আদর্শ পরিবারের অন্যতম ক্রাইটেরিয়া হল সকলে মিলেমিশে একত্রে বসবাস করা। যদিও বর্তমানে পারিবারিক পরম্পরা, সম্পর্ক তথা বন্ধন ক্ষয়িষ্ণু।

আরও পড়ুন:

ফলে সামাজিক ক্ষেত্রে নানাবিধ উপসর্গ ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। তাই পরিবারে সবার সুখ, শান্তি ও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার প্রতি সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে, তবেই পরিবার সুসংহত হবে, সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর সমাজ গড়ে উঠবে। পাশ্চাত্যের পারিবারিক গঠন, কাঠামো ও বুনিয়াদ খুবই নড়বড়ে। পশ্চিমারা নিজেদেরকে আধুনিক সভ্যতার সূতিকাগার বলে দাবি করলেও তাদের পারিবারিক কাঠামো ও বন্ধন ভঙ্গুর বা শিথিল। অভিভাবকরা সন্তানদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। কারণ, অধিকাংশ পিতা-মাতার নৈতিক চরিত্রের ঠিক-ঠিকানা নেই।

আরও পড়ুন:

স্বাধীনতা ও অধিকারের নামে তারা যা ইচ্ছা তাই করে বেড়াচ্ছে। পরিণতিতে পরিবারের ভিত্তি নড়বড়ে হচ্ছে, বিবাহ-বহির্ভূত অবৈধ সম্পর্কের ফসল হিসেবে জারজ শিশুর জন্মহার লাগামছাড়া। লাওয়ারিশ-বেওয়ারিশে উজাড় হয়ে যাচ্ছে আমেরিকা-ইউরোপের দেশগুলো।
পরিবারের ভিত মজবুত করা, পরিবারকে ক্ষতিকারক সবকিছু থেকে হেফাজত করা এবং পারিবারিক বন্ধনকে মজবুত করার ওপর জোরালো তাগিদ দিয়েছে ইসলাম। একইসঙ্গে পরিবারের সদস্যদেরকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও দিয়েছে।

আরও পড়ুন:

ইসলাম নারীকে জননী, ভগিনী ও কন্যা হিসেবে পৃথক পৃথক মর্যাদা দিয়েছে। মা হিসেবে নারীকে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা দিয়ে বলা হয়েছে, আল্লাহ এবং নবী-রাসূলের পরই মায়ের অবস্থান। এমনকী বাবার থেকে মায়ের মর্যাদা তিনগুণ বেশি। মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের জান্নাত।
ইসলাম পিতা-মাতার ওপর সন্তান লালন-পালনের গুরুদায়িত্ব আরোপ করেছে। রাসূল (সা.) বলেন, তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। প্রত্যেককে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পুরুষ তার পরিবারের দায়িত্বশীল; স্ত্রী তার স্বামীর সংসারের দায়িত্বশীল; এদের প্রত্যেককে কেয়ামতের ময়দানে নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আরও পড়ুন:

ইসলাম পিতা-মাতাকে সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা-সম্মান করা, এহসান করা, তাদের সেবাযত্ন করা এবং মৃত্যু অবধি তাদের আনুগত্য করার নির্দেশ দিয়েছে। আল্লাহ বলেন: আর আপনার রব আদেশ দিয়েছেন তিনি ছাড়া অন্য কারো ইবাদত না করতে ও মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার করতে। তারা একজন বা উভয়ই তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হলে বিরক্ত হয়ে তাদেরকে ‘উহ’ পর্যন্ত বলো না, তাদেরকে ধমক দিও না। তাদের সাথে সম্মানসূচক কথা বল।

আরও পড়ুন:

ইসলাম পরিবারের ইজ্জত, সম্মান, পুতঃপবিত্রতা ও বংশধারা সুরক্ষিত করেছে। ইসলাম বিবাহের মাধ্যমে বৈধ সম্পর্কের তাগিদ দিয়েছে। ইসলামে বৈরাগ্যবাদ বা সন্ন্যাস-জীবন বৈধ নয়। পাশাপাশি নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, বিবাহ-বহির্ভূত সমস্ত রকম সম্পর্ক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ইসলাম মোতাবেক, সমাজ গঠনের মৌলিক উপাদান হল পরিবার। পরিবার একটি জাতির মেরুদণ্ড। আগামীর আদর্শ মানুষ গড়ার পাঠশালা হল আদর্শ, সমুন্নত ও সুসংহত পরিবার। তাই পরিবার গঠনের প্রতি ইসলাম খুবই গুরুত্ব আরোপ করেছে। পরিবারের মাধ্যমে সমাজের প্রত্যেক সদস্যের মধ্যে তৈরি হয় ভালবাসা ও হৃদ্যতার সম্পর্ক বা বন্ধন।

আরও পড়ুন:

নিষ্কলুষ জীবনযাপন ও মানবিক চাহিদা পূরণের বৈধ পরিসর হল পরিবার। পরিবার এক অনন্য শিক্ষাকেন্দ্র, যা পিতা-মাতা ও সন্তানকে সুশিক্ষিত করে তোলে। ভবিষ্যতে সেই সন্তান সুনাগরিক হয়ে ওঠে। সন্তানদের দ্বীনি শিক্ষা ও জ্ঞান দেওয়া আবশ্যক। তাদের আদব-কায়দা ও ইসলামী শিষ্টাচার, তাহজীব-তামদ্দুন, আখলাক গড়তে শিক্ষা দিতে হবে। বস্তুত ইসলামের সুমহান আদর্শ ও শিক্ষার মাধ্যমেই সবাই সুখে-শান্তিতে পরিবারের চৌহদ্দির মধ্যে বসবাস করতে পারবে।
মানব সমাজের ভিত্তি হল পরিবার, যা মূলত স্বামী-স্ত্রীকে আবর্তিত করেই শুরু হয়। পৃথিবীর প্রথম মানুষ ও প্রথম নবী হযরত আদম (আ.) এবং তার জীবনসঙ্গী হযরত হাওয়া (আঃ)-এর মাধ্যমে পৃথিবীতে সৃষ্টির ঊষালগ্নে প্রথম পরিবার গড়ে ওঠে। সৃষ্টির সূচনাকাল থেকে আজও এই পরিবার প্রথা চালু আছে। পরিবারে শান্তি-শৃংখলা থাকলে জীবন সুখময় হয়, অন্যথায় দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন:

এই পৃথিবী নামক গ্রহকে শিশুদের বাসযোগ্য করতে হলে সবার আগে দরকার আদর্শ পরিবার গঠন, যা হবে সুখ-শান্তির আকর ও আধার। আদর্শ পরিবার গড়ে উঠতে পারে একমাত্র ইসলামী নীতিমালা মেনেই। এর বাইরে গিয়ে অন্য কোনও সমাজ-সভ্যতা থেকে সংস্কৃতি আমদানি বা অনুসরণ-অনুকরণ, অনুশীলন ও অবলম্বন করলে, সেই পরিবার ক্যান্সারের মতো দূরারোগ্য ব্যাধির আকার নেবে, যার কোন প্রতিষেধক নেই।

আরও পড়ুন:

যে পরিবারে মেয়েদের পর্দা বা শালীন পোশাকের প্রচলন নেই, ছেলেরা বেহিসাবি ও বেপরোয়া জীবনযাপনে অভ্যস্ত, পরিবারে নামায-রোযার সিলসিলা নেই, কেউ হক কথা বলে না, হক পথে চলে না, কেউ কারো হক যথাযথ আদায় করে না, ইসলামের দিকনির্দেশনা মানে না – সেইসব পরিবার নরক গুলজার হতে বাধ্য।

আরও পড়ুন:

পক্ষান্তরে ইসলামের শাশ্বত বিধান ও নীতিমালা মেনে পরিবার গঠনে সচেষ্ট হলে সেই পরিবার নিঃসন্দেহে মরুদ্যান হয়ে উঠবে। পারিবারিক জীবন ব্যতিরেকে মানব-সভ্যতা কল্পনা করা যায় না। মানুষের অস্তিত্বের জন্য পারিবারিক জীবন অপরিহার্য। সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা, উন্নতি-অগ্রগতি ইত্যাদি সুষ্ঠু পারিবারিক ব্যবস্থার উপরে অনেকাংশে নির্ভরশীল। পারিবারিক কাঠামো বা বুনিয়াদ নড়বড়ে হলে, সেখানে ভাঙ্গন-বিপর্যয়-অবক্ষয় দেখা দিলে সমাজ জীবনে নানা অশান্তি, অচলাবস্থা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে। তাই ইসলামী নীতিমালার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা পরিবারই হচ্ছে কল্যাণকর সমাজের ভিত্তি।

আরও পড়ুন:

শিশুরা আদর্শবান হয়ে গড়ে ওঠে পরিবারের শিক্ষা থেকে। এজন্য সন্তানকে আল্লাহ-ভীতি, পরকালীন জবাবদিহিতা, মানবিক দায়িত্ব-কর্তব্য, আল্লাহর হক-বান্দার হক, পারস্পরিক সহানুভূতি ও সহমর্মিতার পাঠ শেখাতে হবে। তার আগে নিজেদেরকে এগুলো মেনে চলতে হবে। তবেই শিশুরা আমাদেরকে অনুসরণ, অনুকরণ করবে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বর্তমানে চিরচেনা পরিবার প্রথা একরকম বিলুপ্তির পথে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একান্নবর্তী পরিবার উঠে গিয়ে এখন হয়েছে অণু-পরিবার, ফ্ল্যাট কালচার। তার থেকেও খারাপ আকার নিয়েছে লিভ টুগেদার, সিঙ্গেল মাদার ইত্যাদি অভিশপ্ত কনসেপ্ট। একে মানবিক ও সামাজিক বিপর্যয় বললে অত্যুক্তি হবে না। নৈতিক অবক্ষয় ও বিপর্যয় রোধে ইসলামের নিদান-বিধানের বিকল্প নেই। এ পথেই রয়েছে সুষ্ঠু সমাধান। তাই ইসলাম সর্বাগ্রে ব্যক্তির ইসলাহ বা সংশোধনে গুরুত্ব আরোপ করেছে।

আরও পড়ুন:

পরিবারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হল একটা শিশুকে সামাজিক করে গড়ে তোলা এবং ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুন, ঈমান, আমল, আখলাক শিক্ষা দেওয়া। পরিবারের ধারা ও রীতিনীতির উপর ভিত্তি করে শিশুর মনোজগত তৈরী হয় এবং পরিবারে তার দৃষ্টিভঙ্গি ও ইতিবাচক জীবনবোধ ও জীবনদর্শন গড়ে ওঠে। সুতরাং শিশুদের সুষম শিক্ষা দিতে পরিবার বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাই
বাবা-মা তথা পরিবার হল পৃথিবীর পাঠশালা।

আরও পড়ুন:

পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও স্নেহ-মায়া-মমতার বন্ধনে আবদ্ধ একটি পরিবার বহু হৃদয়ের সমষ্টি, যেখানে আছে জীবনের প্রবাহ, আছে মায়া-মমতা, স্নেহ-ভালবাসা, মিলেমিশে থাকার বাসনা, নিরাপত্তা, সহনশীলতা এবং পরস্পরকে গ্রহণ করার মানসিকতা, উন্মুক্ত চেতনা। পরিবারের মূল চাবিকাঠি থাকে পিতা-মাতা বা অভিভাবকের হাতে। আর অধিকাংশ অভিভাবকই চান তাদের সন্তান ভালো মনের ও ভাল মানের মানুষ হোক। অর্থাৎ প্রকৃত অর্থে সত্যিকার মানুষ হোক। তাই সর্বাঙ্গ-সুন্দর একটি পরিবার গড়ে তুলতে পরিবারের ভূমিকা বা গুরুত্ব অপরিসীম।

আরও পড়ুন:

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, পরিবারের সদস্যরা যখন আল্লাহ প্রদত্ত দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন থাকবে, পরিবারে সবার মাঝে সুসম্পর্কের কারণে আল্লাহর রহমত, অনুগ্রহ-অনুকম্পা বর্ষিত হতে থাকবে। আর আল্লাহর রহমত, বরকত হলে সেই পরিবার হয়ে উঠবে যথার্থই আদর্শ। ইসলাম নির্দেশিত পারিবারিক জীবন হল আল্লাহ তাআলার বিশেষ নিয়ামত বা অনুগ্রহ। মানুষ আল্লাহ প্রদত্ত পারিবারিক জীবন-যাপনে অভ্যস্ত হলে সমাজ থেকে যৌন হেনস্থা, শ্লীলতাহানি, পরকীয়া, লিভটুগেদার, মাদকাসক্তি, ইভটিজিং, ধর্ষণ-অপহরণ, সমকামিতা, অবাধ যৌনতা-সহ সকল প্রকার অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড নির্মূল হবে। জীবনের পড়ন্ত বেলায় বৃদ্ধাশ্রমে ঠাঁই নিয়ে নীরবে অশ্রুপাতের মতো দুঃসহ বা অভিশপ্ত জীবনযন্ত্রণা থেকে রেহাই মিলবে। তাই একটি সুন্দর ও আদর্শ পরিবার গঠনের লক্ষ্যে ইসলামের নির্দেশাত্মক নীতিমালা মেনে চলা মুসলমানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য।

আরও পড়ুন:

পরিবার হল আত্মিক সম্পর্কের আঁতুড়ঘর। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে গড়ে ওঠে স্নেহ মমতা, ভালবাসা, সৌহার্দ এবং পারস্পরিক সম্পর্কের বন্ধন। অবশ্য সুপ্রাচীন কাল থেকে যে যৌথ পরিবারের অখণ্ড চিত্র আমাদের সামনে ছিল, এখন তা অনেকটাই ম্লান। শহরের মানচিত্র থেকে অনেক আগেই বিলীন হয়েছে যৌথ পরিবারের চলচিত্র। আগে গ্রামাঞ্চলে কিছু একান্নবর্তী পরিবার দেখা গেলেও এখন তা বিলুপ্ত প্রায়।

আরও পড়ুন:

পরিবার মানে দাদা-দাদী, আব্বা-মা, চাচা-চাচি, ভাই-বোন, সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে চলা। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, আমরা যেন এই চিরাচরিত ধারণা থেকে বেরিয়ে আসছি। যেন ক্রমেই স্বামী-স্ত্রী-সন্তান বা ‘হাম দো, হামারা এক’ এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ বা গণ্ডীবদ্ধ করে ফেলছি পরিবারকে। সেখানে মা-বাবা কিংবা দাদা-দাদীর ঠাঁই হচ্ছে না। জন্মদাতা মা-বাবাকে হয়ত নিঃসঙ্গ-অসহায় জীবন কাটাতে হচ্ছে গ্রামের বাড়ি কিংবা বৃদ্ধাশ্রমে।

আরও পড়ুন:

সবশেষে বলি, সুস্থ ও পুষ্ট সমাজের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবারের বিকল্প নেই। গৃহ বা পরিবার থেকে মানুষ যে নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ অর্জন করে, তা অতীব গুরুত্বপূর্ণ এবং একে পুরো জীবনের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। আল্লাহ তাআলা সমগ্র মুসলিম উম্মাহ তথা মানবজাতিকে সুন্দর, সুসংহত, সমুন্নত ও সুষম পরিবার গঠনের লক্ষ্যে সমাজের সর্বস্তরে কুরআন-হাদিসের সুমহান আদর্শকে বাস্তবায়িত করার তাওফিক দান করুন, আমিন।

আরও পড়ুন
Copyright © Jano Kantho
Developed by eTech Builder