BREAKING:
পরাজিত মহামেডান, সাদাকালো শিবিরকে হারিয়ে দুরন্ত জয় পিয়ারলেসের সুন্দরবনের জলবায়ু বিপন্নতা নিয়ে কাকদ্বীপে মিডিয়া ওয়ার্কশপ NEET-২০২৬ উত্তীর্ণ কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা ফারাক্কায় সোনাল দিনুশার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ম্যাচ বাঁচাল শ্রীলঙ্কা,সিরিজ সেরা পাড়িক্কল ব্যান্ডেলে এখন থেকে জমবে ‘কারিম’স’-এর আসর, দিল্লির স্বাদ এবার হাতের নাগালে রাখির বন্ধনে সম্প্রীতির বার্তা, দৃষ্টিহীন ও বিশেষভাবে সক্ষমদের মুখে হাসি সম্পত্তি জালিয়াতি মামলায় পুলিশি অ্যাকশন: গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, আইনি পদক্ষেপে স্বস্তি বৃদ্ধা মণিকা চক্রবর্তীর চূড়াভান্ডারে পালাবদলের বোর্ড, প্রধান কল্পনা  উপপ্রধান অনিতা! আবির-মিষ্টিতে উচ্ছ্বাস কর্মী-সমর্থকদের দেগঙ্গায় আট দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে মাদকবিরোধী সচেতনতার বার্তা গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গরুর দৌড়,যা মৈই ছাড়া নামেই খ্যাত দ্বিতীয় টেস্টে আজ মুখোমুখি ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা,থাকছে বৃষ্টির ভ্রুকুটি। চড়া দামের খাঁড়া; ভারতের ক্রিকেট টাইটেল স্পনসরশিপ নিয়ে জটিলতায় বিসিসিআই একদিনে পড়লো ১৮ উইকেটে। হেডিংলিতে লজ্জার হার,ইংরেজ পেসারদের কাছে মুখ থুবড়ে পড়লো পাক ব্যাটিং। প্রতিশোধ বনাম শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই: ডুরান্ড ফাইনালে মহারণের অপেক্ষায় যুবভারতী রাজীব গান্ধীর জন্মদিনে ফুটবল প্রতিযোগিতা ও কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা বকেয়া বেতনের জট কাটেনি, পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে অস্থায়ী কর্মীরা কোটি টাকার প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার প্রাক্তন পুরপ্রধান, আদালতে জামিন সম্পত্তির লোভে বাবাকে খুন, চন্দননগর আদালতে যাবজ্জীবন ছেলে-বৌমার ভারত-ব্রাজিল মহাদ্বৈরথের প্রস্তুতি তুঙ্গে: যুবভারতী পরিদর্শনে ব্রাজিলের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল টাইব্রেকারে নর্থইস্টকে হারিয়ে ফাইনালে মোহনবাগান! শিরোপার মঞ্চে এবার কলকাতা ডার্বি” হেডিংলিতে পেস-ঝড়ে বিধ্বস্ত পাকিস্তান ১৭১ রানে অল-আউট, প্রথম দিনেই এগিয়ে ইংল্যান্ড চম্পাহাটির বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে জখম অন্তত ৫ শ্রমিক ভোটাধিকার পুনর্বহাল ও নাগরিক পরিষেবা রক্ষার দাবিতে ডায়মন্ড হারবারে মিছিল জয়নগর কুলতলি গ্রামীণ হাসপাতালে বেহাল সরকারি আবাসন মীনা মঞ্চের উদ্যোগে মাদ্রাসায় প্রজেক্ট বিতরণ ডুরান্ড কাপ সেমিফাইনাল সুথারের অতিমানবিক পারফরম্যান্স,গল-এ প্রথম টেস্টে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সিরিজে এগোলো ভারত দক্ষিণ আফ্রিকাকে হাফ ডজন গোলে উড়িয়ে সেমিফাইনালের আরও কাছে ভারত মাদক, জুয়া-সাট্টা ও নারী নির্যাতন রুখতে বহড়ুতে সচেতনতা সভা জয়নগরে বিজেপি যুব মোর্চার প্রতিবাদ মিছিল প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন জয়নগর মজিলপুর, হাঁটু সমান জলে দুর্ভোগ সমাজসেবায় কানাড়া ব্যাঙ্ক, শিক্ষা ও গ্রামোন্নয়নে নতুন উদ্যোগ নবোদয় সাহিত্য পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন ও স্বাধীনতা দিবস পালন মালদহে চালু আয়ুষ্মান ভারত, স্বাস্থ্য পরিষেবায় নতুন দিশার আশাবাদ জুট মিল শ্রমিকদের ব্যাতিক্রমী স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নেতাজির অপমানের প্রতিবাদে মালদহে এসএফআইয়ের ‘আজাদি র‍্যালি’ বেলডাঙ্গা হাইস্কুলে SIO-র আয়োজনে বসেআঁকো প্রতিযোগিতা স্বাধীনতা দিবসে অনবদ্য জয় দিয়ে হকি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ভারত আজ কোয়ার্টারের মহারণ! অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস,ডারউইনে ৯ উইকেটে অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি ও একজন দিব্যাঙ্গ মানুষের যন্ত্রনা ‘হর ঘর তিরঙ্গা’য় সাইকেল নিয়ে ধূপগুড়ির রাজপথ পরিক্রমা করলেন মহকুমা শাসক শ্রদ্ধা সুব্বা ব্যান্ডেলে এবার খাদ্যরসিকদের জন্য দিল্লির কারিম’স নেতাজিকে ঘিরে বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে, অনন্ত মহারাজকে ভর্ৎসনা  কার্তিক মহারাজের বনকর্মীদের তৎপরতায় বাঁচল বাজপাখির প্রাণ  অবশেষে সেলিমার দিল্লি যাত্রা, বিধায়কের সহায়তায় মালদহের রেশম চাষের ইতিহাস ও বর্তমান সরকারের উদ্যোগ ওয়েটল্যান্ডে চলল বুলডোজার, ভাঙড়ে বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন বনগাঁ সীমান্তে গ্রেফতার এক পাকিস্তানি ভোট শেষ, তবু খুলল না স্কুল! চার মাস ধরে থমকে পড়াশোনা প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করার দাবি, এসডিওকে স্মারকলিপি গরু শনাক্তে হাটে উত্তেজনা: চোর না ভিকটিম, কেন মামলা না করার সিদ্ধান্ত মালিকের  ছাত্রীর মায়ের সঙ্গে শিক্ষকের ‘ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের’ অভিযোগে উত্তাল স্কুল চার দিন পানীয় জল নেই ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে, চত্বরজুড়ে আবর্জনার স্তূপ ফালাকাটায় উদ্ধার মা গণ্ডারের মৃতদেহ, তীব্র চাঞ্চল্য   অপেক্ষার অবসান, দীর্ঘদিন পর টেস্ট দলে ফিরলেন সরফরাজ খান ক্রিকেটে আবারও রাজনীতির কালোছায়া লাভলিনা-মীরাবাই-নরেন্দ্র’র গল্প শুনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী সাহালের হ্যাটট্রিকে সিআইএসএফকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে পরের রাউন্ডে মোহনবাগান বড় ধাক্কা ভারতীয় শিবিরে, ছিটকে গেলেন সাই সুদর্শন খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও ওয়ার্কলোড সামলাতে বিশেষ পদক্ষেপ থম্পসনের তোপে থরহরি কম্পন বাংলাদেশ শিবিরে, ৫৪ রানে শেষ টাইগাররা ক্যালকাটা পুলিশকে ২-০ গোলে হারিয়ে শীর্ষে মহামেডান গুজরাট, মুম্বইয়ের পর কি এবার কলকাতা? হার্দিকের সম্ভাব্য নতুন ঠিকানা নিয়ে জোর চর্চা জয়ের লক্ষ্যে ক্যালকাটা পুলিশের মুখোমুখি মহামেডান স্পোর্টিং সিএফএলে আবার অঘটন, এবার ভবানীপুরের কাছে হার বাগানের টানা দ্বিতীয়বার অস্ট্রেলিয়ার সেরা ক্রিকেটার ট্রাভিস হেড বাইশ গজে আবার মহারণ, এশিয়া কাপে ৫ সেপ্টেম্বর ভারত-পাক মুখোমুখি বৃষ্টিতে ভেসে গেল আয়ারল্যান্ডের বিশ্বকাপের স্বপ্ন, খেলতে হবে বাছাইপর্ব ইস্তাম্বুলে বীরের বেশে সালাহ, ঐতিহাসিক চুক্তিতে শুরু নতুন অধ্যায় ​ক্ষমা চেয়ে পদে বহাল ইনফান্তিনো ২৫ কোটির প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরপর চেক বাউন্স! মহামেডান থেকে ‘বিতাড়িত’ হুমায়ুন, অথৈ জলে ক্লাব সাজিদের ঘূর্নি আর বাবরের ব্যাটে তিন বছর পর বিদেশের মাটিতে টেস্ট জয় পাকিস্তানের আংরাভাষা ২ নং পঞ্চায়েতে প্রধান-সহ আট তৃণমূল সদস্যের দলত্যাগ মছলন্দপুর রেলগেট থেকেই ভাঙা রাস্তা নতুন ট্রেন, প্ল্যাটফর্ম সংযুক্তিকরণ ও রেল প্রকল্পের দাবিতে সরব যাত্রী ও নাগরিক সংগঠন টানা বৃষ্টিতে ফুলে-ফেঁপে উঠল ময়ূরাক্ষী,  বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পূর্ণবয়স্ক দাঁতাল হাতির মৃত্যু  চন্দনা বাউরীর মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ আশা কর্মীদের বেহাল দশা, পাকা রাস্তার দাবি ধুলিয়ান পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব কড়িয়ালি বনের সৌন্দর্যায়ন ও মিনি-জু হিসেবে গড়ে তোলার দাবি পাটচাষে আর লাভ নেই! দরপতনে দিশেহারা কৃষকরা মোজাফফর আহমেদের ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত তাইপেই ওপেনে ইতিহাস, ১৮ বছর পর ভারতকে খেতাব এনে দিলেন ১৭ বছরের তন্বী ​সীমানার মাইন থেকে গ্লাসগোর সোনা, সেনানায়ক সোমন রানার অদম্য রূপকথা সিএফএল-এ জয়ের ধারা বজায় রাখতে বিএসএসের বিরুদ্ধে নামছে ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ডে বড় অঘটন! নবাগত সমলেশ্বরীর কাছে ৩-২ গোলে হারল মহামেডান ডুরান্ডে গোলের বন্যা, সিআইএসএফকে ৮-০ গোলে বিধ্বস্ত করল ইস্টবেঙ্গল ২৪ বছর পর আফ্রিকায় বিশ্বকাপ, ৩ দেশ ১২ শহরের নাম চূড়ান্ত করল আইসিসি বিদায় রক্ষণের শিল্পী, প্রয়াত ইতালির বিশ্বকাপ জয়ী ফ্রাঙ্কো বারেসি স্বপ্ন সত্যি কলকাতায়; পুজোর আগেই যুবভারতীতে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে নামছে ভারত নীল ছেড়ে গেরুয়া, হকি বিশ্বকাপের আগে জার্সি বদল ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক ডার্বি জয়ের আত্মতুষ্টি নয়, জয়ের ছন্দে থাকাই চ্যালেঞ্জ মোহনবাগানের ভারতের ধ্রুপদী যোদ্ধার বিদায়, শান্ত নায়ক অজিঙ্ক রাহানের অবসর ঘরের মাঠে সুরুচি-বধ মহামেডানের, তবুও চিন্তার ভাজ কপালে ডার্বি হারের পর জয়ে ফেরার মিশন বিসিসিআই-এর সেন্টার অব এক্সিলেন্সে তামিম ইকবাল চেন্নাই ছেড়ে ইংল্যান্ডের হেড কোচ ফ্লেমিং, ফের টেস্ট অধিনায়ক জো রুট

দ্বিচারিতা ও কপটতা ছাড়লেই শান্তি ফিরবে বিশ্বে

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ১০:৪৭ | আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ১০:৪৭

মাহবুবুল হক

আরও পড়ুন:

গাজা-সহ ফিলিস্তিন তথা মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল পাশ্চাত্য সভ্যতার সাহায্য ও সহযোগিতায় গত শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে যে ক্রমাগত ধ্বংসলীলা ও গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে, তার ওপর দুই ধরনের চিন্তা-ভাবনা ও জ্ঞান-গবেষণা আছে। একটি হল পাশ্চাত্য সভ্যতার সেক্যুলার স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো যাতে ঐক্যবদ্ধভাবে প্যান ইসলামিজমে জমতে না পারে, সে কারণে আল-আকসা মসজিদের চারপাশে ইসরাইল রাষ্ট্রের সম্প্রসারণে সবসময় লেগে থাকা। আল্লাহ তায়ালা তো মক্কার কাবা শরীফকে মুসলমানদের কেন্দ্র বানিয়েছেন। সুতরাং তারা মক্কাকেন্দ্রিক হোক, আল-আকসা থেকে দূরে থাকুক। দীর্ঘ ৮০ বছর ধরে এই প্রক্রিয়া চলছে। এটা শুধুই ইসরাইলের বিষয় নয়, বিষয়টি সেক্যুলার বিশ্বের। সেক্যুলার বিশ্বের স্বার্থ এখানে দারুণভাবে জড়িত।

আরও পড়ুন:

এই কারণে এখানকার দ্বন্দ্ব-সংগ্রাম-যুদ্ধ সবকিছুকে ক্রুসেড বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়া সরাসরি ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে পরিচালিত। সারা বিশ্ব জানে, পাশ্চাত্যের তথাকথিত সেক্যুলার সভ্যতা বিগত ৮০ বছর ধরে মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোকে কী কী প্রক্রিয়ায় সেক্যুলারে পরিণত করা হয়েছে। কোনো দেশকে রাজতান্ত্রিক, কোনো দেশকে সমাজতান্ত্রিক এবং কোনো দেশকে সেনাতান্ত্রিক করা হয়েছে। পাশ্চাত্য সভ্যতাকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ সভ্যতা হল গির্জা ও রাজার দ্বন্দ্বে জড়িয়ে ধর্ম থেকে দূরে চলে যাওয়া নাসারা ও ইহুদিদের মনগড়া কথিত সম্মিলিত সভ্যতা। এসব আসলে সভ্যতা নয়, বরং অসভ্যতা। এই তথাকথিত সভ্যতা আবার দুই ভাগে বিভক্ত ছিল, ক্যাপিটালিজম (পুঁজিবাদ) ও কমিউনিজম (সমাজতন্ত্র)।

আরও পড়ুন:

ক্যাপিটালিজমের কেন্দ্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কমিউনিজমের কেন্দ্র ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। দুই মতবাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, বিবাদ-বিসম্বাদ লেগেই ছিল। কিন্তু অবাক করা কাণ্ড, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টির জন্য পুঁজিবাদের সর্দার বা মাতব্বররা মধ্যপ্রাচ্যে কমিউনিজমের সর্দার সোভিয়েত ইউনিয়নকে সুযোগ করে দিয়েছিল। এ সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার কারণে কমিউনিজম অন্তত দুটি দেশের ওপর নিজেদের লাঠি ঘোরাতে পেরেছিল। ইরাক ও লিবিয়া। দেশ দুটি ছিল বলতে গেলে সেনাতান্ত্রিক। পাশ্চাত্য সভ্যতা ভালভাবে উপলব্ধি করেছে, রাজতন্ত্র এবং সামরিকতন্ত্রকে বজায় রাখলে তাদের অনেক বেশি সুবিধা হবে।

আরও পড়ুন:

একটি দেশের রাজা-বাদশাহ বা সামরিক শাসককে কোন রকমে বোঝাতে পারলেই কেল্লাফতে। গণতন্ত্র থাকলে জনগণ, সংবিধান, আদালত ইত্যাদি অনেকের কাছে দায়বদ্ধতা বা জবাবদিহি করতে হয়। রাজতন্ত্র বা সেনাতন্ত্রে এত হ্যাপা নেই। এই দুই ধরনের দেশের সাথে আলোচনা বা চুক্তি করা খুব সহজ। চুটকিতে সবকিছু হয়ে যায়। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ কখনো থেমে থাকেনি। নানা ছুতা-নাতায় এক মুসলিম দেশের সাথে আরেক মুসলিম দেশের যুদ্ধ প্রায় লেগেই ছিল। কখনো সেখানে স্থায়ী শান্তি আসেনি। ফলে জামাল উদ্দিন আফগানির প্যান ইসলামিজম ষাটের দশকের মধ্যে ঝিমিয়ে পড়ে। দুনিয়ার মুসলিম এক হও… আরো কিছুদিন পাক-ভারত-বাংলাদেশ উপমহাদেশে উচ্চকিত থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় এই স্লোগানের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। দেশভেদে তারা তাদের মতো যুদ্ধ ও শান্তি বজায় রেখে কোনো না কোনোভাবে নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রেখে চলছিল। যেটা ইসলামের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না।

আরও পড়ুন:

যদিও মুসলিম দেশগুলো তাদের বন্ধু সেক্যুলার রাষ্ট্রের কর্ণধারদের উপদেশ ও পরামর্শে বহু আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইসলামিক বা মুসলিম সংগঠনের অস্তিত্ব সবসময় বজায় ছিল। কিন্তু কার্যত কোনো সংগঠনেই ব্যাপক অর্থে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারেনি। সৌদি আরব, কুয়েত ও কাতার মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা নির্মাণের জন্য, বাড়িঘর তৈরির জন্য এবং শ্রমিক-সহ নিম্নশ্রেণির মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য বেশ কিছু কাজ করেছে। ইসলামের শ্রমনীতি মেনে একাজ হয়নি। এটা পারস্পরিক ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বার্থে হয়েছে। এই মুসলিম দেশগুলো শুধু মুসলিমদের কর্মসংস্থান করে, এমনটা নয়। মুসলিম উম্মাহর সদস্য হওয়া আর মুসলিম দেশের জনগণকে সাহায্য-সহযোগিতা করা এক বিষয় নয়। দুটিকে এক করে দেখা ঠিক হবে না।
পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশের সাথে মুসলিম দেশগুলোর চুক্তি আছে। তারপর এক এক করে প্রায় শেষ হয়ে গেল আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেন ও ফিলিস্তিন-সহ কত দেশ! কিন্তু ইসরাইলের তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। অথচ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে গৃহযুদ্ধ লাগানোর সকল অপকর্ম চালিয়ে এসেছে পশ্চিমারা। নিজদের অস্ত্রের গোডাউন খালি করার জন্য এবং নতুন নতুন অস্ত্র তৈরি ও সরবরাহের জন্য যুদ্ধ ও গৃহযুদ্ধ লাগিয়ে রেখেছে তারা। তাদের প্রয়োজনে মুসলিম দেশগুলোর সরকার পরিবর্তন বা উৎখাত করতে তারা যত রকম নষ্টামি করেছে। প্রকাশ্যে যা করছে, তা হয়ত বিশ্ববাসী দেখছে। কিন্তু গোপনে যা করছে, তা সাধারণ মানুষ কিছুই টের পাচ্ছে না। যখন জানতে পারা যাচ্ছে, তখন সবকিছু শেষ। এভাবে তারা মিশর, সুদান, তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া ও পাকিস্তানকে ধ্বংস করেছে। ইরানকে ধ্বংস করার জন্য তারা প্রকাশ্য ও গোপনে যা করার, তা সবই করেছে এবং এখনও করছে।

আরও পড়ুন:

এই পরিস্থিতিকে হাঙ্কিনটন বলেছেন, ‘ক্রাইসিস অব সিভিলাইজেশন’। কিন্তু আমরা তো কোনো তথাকথিত ক্রাইসিস দেখছি না। আমরা দেখছি ‘ডেমলিশিং অব আদার সিভিলাইজেশন’ হিসেবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে অন্য সভ্যতার এই ধ্বংসলীলা কার্যকর রয়েছে। যদি তাই না হবে, তাহলে সেক্যুলার সভ্যতা সবই মরীচিকা। প্রতিপক্ষ তো তৈরি করতে হবে। সেজন্যই দেশে দেশে তৈরি করা হচ্ছে ড্যামি প্রতিপক্ষ। এটা হল অতি সংক্ষেপে গত প্রায় ১০০ বছরের খতিয়ান।

আরও পড়ুন:

মুসলিম দেশগুলো একের পর এক ধ্বংস হচ্ছে পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের পাশাপাশি নিজেদের মুনাফিকির কারণে। তারা আল্লাহর সাথে মুনাফিকি করছে। তারা দুনিয়া পরস্তি হয়ে গেছে। গদির জন্য তারা শত্রুর সাথেও হাত মেলাচ্ছে। তাদের জন্যই মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে লাখা লাখো বনি আদম শাহাদাত বরণ করছে। কিন্তু তাদের কোনো চৈতন্য নেই, আফসোস নেই, কোনো পেরেশানি নেই। তারা নিজেরা কী করে আরো দীর্ঘকাল ক্ষমতায় টিকে থাকবে, সেই চিন্তায় তারা অস্থির!

আরও পড়ুন:

পশ্চিমারা চোরকে বলছে চুরি কর, আর গৃহস্থকে বলছে সজাগ থাক। এখন গাজাকে পুরোপুরি কব্জা করে নেওয়াই তাদের লক্ষ্য। এটা হলে তারা ক্রমে ফিলিস্তিন, তারপর প্রতিবেশি মুসলিম দেশগুলোকেও ধীরে ধীরে গ্রাস করে নেবে। মহান আল্লাহর কঠিনতম শাস্তি বা আযাব গজব থেকে বাঁচতে হলে মুসলিম দেশগুলোকে তথাকথিত সেক্যুলার পশ্চিমা সভ্যতার ছোঁয়া থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তাওবাহ করে তাদের নিজস্ব জীবন ব্যবস্থা, সংস্কৃতি ও ইসলামী সভ্যতার দিকে ফিরে আসতে হবে। আরব জাতীয়তাবাদ এবং মুসলিম জাতীয়তাবাদকে ভুলে যেতে হবে। আল্লাহর জমিনে আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করতে হবে। তবেই যদি মহান আল্লাহ মুসলিমদের সহায় রহবে, মুসলিম দুনিয়াকে রক্ষা করেন।

আরও পড়ুন:

হাইলাইট

আরও পড়ুন:

রাজা-বাদশাহ বা সামরিক শাসককে কোন রকমে বোঝাতে পারলেই কেল্লাফতে। গণতন্ত্র থাকলে জনগণ, সংবিধান, আদালত ইত্যাদি অনেকের কাছে দায়বদ্ধতা বা জবাবদিহি করতে হয়। রাজতন্ত্র বা সেনাতন্ত্রে এত হ্যাপা নেই। এদের সাথে আলোচনা বা চুক্তি করা সহজ। তাই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ কখনো থেমে থাকেনি। কখনো সেখানে স্থায়ী শান্তি আসেনি। মুসলিম দেশগুলো ধ্বংস হচ্ছে পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের পাশাপাশি নিজেদের মুনাফিকির কারণে। তারা দুনিয়া পরস্তি হয়ে গেছে। গদির জন্য শত্রুর সাথেও হাত মেলাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে শাহাদাতের বন্যা বয়ে গেলেও তাদের চৈতন্য নেই, আফসোস নেই, কোনো পেরেশানি নেই। তারা নিজেরা কী করে আরো দীর্ঘকাল ক্ষমতায় টিকে থাকবে, সেই চিন্তায় তারা বিভোর!

আরও পড়ুন
Copyright © Jano Kantho
Developed by eTech Builder