BREAKING:
ঘরের মাঠে সুরুচি-বধ মহামেডানের, তবুও চিন্তার ভাজ কপালে ডার্বি হারের পর জয়ে ফেরার মিশন বিসিসিআই-এর সেন্টার অব এক্সিলেন্সে তামিম ইকবাল চেন্নাই ছেড়ে ইংল্যান্ডের হেড কোচ ফ্লেমিং, ফের টেস্ট অধিনায়ক জো রুট নীরজের সঙ্গে ফাইনালে রোহিত-যশবীরও, জ্যাভলিনে ভারতের ট্রিপল ধামাকা সিলসের পেসে ছারখার পাকিস্তান, ১২০ রানে শেষ বাবরদের ইনিংস ১ আগস্ট ইস্টবেঙ্গলের ১০৭-তম প্রতিষ্ঠা দিবস চরম নির্যাতন ও দারিদ্র্যকে হারিয়ে সোনা, অদম্য ইচ্ছাশক্তির নতুন নাম শর্মিলা ধনকর মোহনবাগান-ইউনাইটেড নাটকীয় ম্যাচে ২ লাল কার্ড! সুহেলের গোলে জয় মোহনবাগানের ডুরান্ডে উড়ন্ত সূচনা মহামেডানের গ্লাসগোর রিং ও বারবেলে ভারতের জয়গাথা ফুটবলের রাজা এবার পর্দায়, নতুন ড্রামা সিরিজে সিআরসেভেন-আঁরি জুটি দিল্লিতে আফগানদের ‘হোম’ সিরিজ অনিশ্চিত, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের হাতে মাছ ধরার ছিপে জড়িয়ে ব্যাধপাড়ার জীবন-জীবিকা বর্ষায় বেহাল ক্যানিং জামতলা রাজ্য সড়ক ডেঙ্গু রুখতে রানাঘাট পৌরসভার অভিনব উদ্যোগ, বিদ্যালয়ে কর্মশালা ও কুইজ প্রতিযোগিতা তৃনমূল নেতার পুকুর থেকে উদ্ধার একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র জাল পরিচয়পত্র-সহ সাগরদিঘীতে ধৃত বাংলাদেশি যুবক ফেনসিডিল পাচারের আগেই সীমান্তে আটক চক্র আবগারি কর্মী সেজে চায়ের দোকানে হানা অনাস্থায় অপসারিত জঙ্গিপুরের পুরপ্রধান ঘরে বসে টাকা নিচ্ছেন তৃণমূল নেতা, মালদহে ‘প্রতিজ্ঞা অভিযান’-এর সূচনা, উচ্চশিক্ষা-পেশা নির্বাচনে পড়ুয়াদের পাশে জেলা প্রশাসন বিপ্লবী কানাইলাল ভট্টাচার্যের ৯৬তম আত্মাহুতি দিবস পালন জয়নগরে  চুঁচুড়ায় পঞ্চায়েত মন্ত্রী, ভিবি-জি রামজী প্রকল্প ও বন্যা মোকাবিলায় বৈঠক ডুরান্ডে নতুন চ্যালেঞ্জ! সোমবার যুবভারতীতে এফসি বেনারস ভাগপতের বিরুদ্ধে নামছে মহামেডান বিশ্বকাপ আউট, ক্লাব ইন: বেজে গেল ক্লাব ফুটবলের দামামা, আগস্টে লড়াই শুরু কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের জয়যাত্রা: মীরাবাই ও ঋষিকান্তের রেকর্ড গড়া পারফরম্যান্স বৈভবের ব্যাটে আগুন! জিম্বাবুয়েকে ৩-০-তে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ ভারতের ‘জাগ্রত প্রহরী’ প্রকাশে নতুন অধ্যায়, ২২তম সাহিত্য সেতুতে সম্মানিত গুণীজন লোহরপুরের প্রখ্যাত আলেম মাওলানা নুরুল ইসলাম কাশেমী আর নেই হাবড়ায় ২ চানাচুর কারখানায় খাদ্য সুরক্ষা দফতরের হানা, বাজেয়াপ্ত বিপুল সামগ্রী রায়চকে বিশ্ব ম্যানগ্রোভ দিবস উদযাপন ও কুলতলীতে আন্তর্জাতিক বাদাবন দিবস পালন শঙ্করপুর ট্রলার দুর্ঘটনায় নিহত মৎস্যজীবীদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা সহায়তা মুখ্যমন্ত্রীর বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সামশেরগঞ্জের বিধায়ক নুর আলম রবীন্দ্র নজরুল জন্ম শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান ও বিনামূল্যে বিশ্বমানের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পরিষেবা মৎস্য কর্মাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও মারধরের অভিযোগ বারুইপুর থানায় ম্যানগ্রোভ রক্ষায় পর্যটনের ভূমিকা, কান্দি মহকুমা হাসপাতালে চালু ‘মা আহার’, ৫ টাকায় মিলছে মাছ-ভাত অবশেষে গ্রেফতার  উপপ্রধান নির্মল ঘোষ  শ্রাবণের দ্বিতীয় সোমবারে তারকেশ্বরমুখী পুণ্যার্থীদের ঢল, কড়া নিরাপত্তা বার নজির, জগদগুরু কৃপা সেবা মিশনের প্রথম রক্তদান শিবিরে ব্যাপক সাড়া ভয়েস পাবলিক স্কুলে আন্তঃক্যাম্পাস ইলোকিউশন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সবজি বিক্রেতা থেকে কমনওয়েলথে পদক! ডার্বির রঙ সবুজ মেরুন, সাহালের গোলে ফ্যাকাশে লাল হলুদ ঈশান-ঝড়ে উড়ে গেল জিম্বাবুয়ে, বোলিংয়ে নজর কাড়লেন অভিষেক অপরাজেয় সুফিয়া: বীর জওয়ানদের উৎসর্গ করে ৫ হাজার কিমি পথ জয়ের লক্ষ্যে ১০টি খেলাতেও ১০০টা স্বপ্ন: লভলিনা-নীরজদের হাত ধরে ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে ভারত নিজ ভূমে পরবাসী! দিল্লিতে ভারতের বিরুদ্ধেই ‘হোম’ সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান গ্লাসগোর গ্যালারিতে ভারতের নতুন অধ্যায়: কমনওয়েলথ গেমসের রোমাঞ্চকর সূচনা ২০২৬ বিশ্বকাপের স্বপ্নের একাদশে মেসি-সহ আর কারা এশিয়ান গেমস ক্রিকেট: সরাসরি নকআউটে ভারত- পাকিস্তান, অপেক্ষায় আফগানিস্তান আজ জিতলেই সিরিজ পকেটে; নজরে বৈভব,মায়াঙ্ক, প্রিন্সরা ‘লাভ জিহাদ’ এর নামে হেনস্থা ও প্রাণনাশের হুমকি গুন্ডা দমন আইন ও বিচার-বহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে কলকাতায় নাগরিক কনভেনশন গাড়ির ব্যাটারি চুরি চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার ৫ অভিযুক্ত সুন্দরবনে মাছ ধরার নৌকায় অস্ত্র পাচারের ঘটনায় গ্রেফতার চার, উদ্ধার বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসস্ত্র  দীঘা জগন্নাথ মন্দিরে উল্টো রথযাত্রা ঘিরে ভক্তদের ঢল, ভক্তিমুখর পরিবেশে পালিত মহোৎসব উল্টোরথের রশিতে প্রথম টান গুপ্তিপাড়ায়, ভক্তসমাগমে মুখর ৩৬ ফুটের ঐতিহ্যের রথযাত্রা ওন্দায় তৃণমূল নেতাকে ‘ডিম থেরাপি’ ‘লাভ জিহাদ’ এর নামে হেনস্থা ও প্রাণনাশের হুমকি, জনগণনার কাজে যুক্ত হলে ‘অন্ ডিউটি ‘ হবে কিনা ধন্দে সরকারি কর্মী ও শিক্ষকরা গুন্ডা দমন আইন ও বিচার-বহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে কলকাতায় নাগরিক কনভেনশন নীতি আয়োগের তালিকায় নদীয়া: সেপ্টেম্বরেই শুরু মূল্যায়ন, সেরা হলে মিলবে ১০ কোটির বিশেষ ফান্ড গাড়ির ব্যাটারি চুরি চক্রের পর্দাফাঁস, মোট পাঁচ অভিযুক্ত গ্রেফতার, উদ্ধার ১৫টি চুরি যাওয়া ব্যাটারি সুন্দরবনে মাছ ধরার নৌকায় অস্ত্র পাচারের ঘটনায় গ্রেফতার চার, উদ্ধার বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসস্ত্র  পুলিশের ধাওয়ায় মাঝ নদীতে পাথরবোঝাই ট্রাক্টর ফেলে চম্পট জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রের নথি খতিয়ে দেখতে হুগলি-চুঁচুড়া ও বৈদ্যবাটি পুরসভায় পুলিশি অভিযান হেরিটেজ কলেজের রক্তদান শিবির ও গুণীজন সংবর্ধনা  গোবিন্দপুর রেল দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণ তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, দিলেন চাকরির আশ্বাস মেজর সত্য গুপ্ত: নেতাজীর বিপ্লবী অভিযাত্রার এক অবিস্মরণীয় সহযোদ্ধা যন্তরমন্তরে ৬ বছরের শিশুর মন্তব্য ঘিরে আলোচনা লাঠির ঘায়ে কি আস্থা ফেরে? নিট বিতর্ক: গণতন্ত্রের কঠিন পরীক্ষা ক্ষমতার অহংকার ইতিহাসের কাছে কখনো জয়ী হয়নি অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পেয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতে বিক্ষোভ, সহায়ককে মারধরের অভিযোগ সেবকে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা! নন্দী সেতুর নিচে পড়ল গাড়ি, নিহত ২, আহত ৩ নিটে ৬২১ নম্বর, অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক ৪৮৭৪: চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নপূরণের পথে রায়নার কৃষক-কন্যা বিপাশা হারারেতে টি-টোয়েন্টি যুদ্ধ, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ভারতের প্রথম পরীক্ষা রানাঘাট বিজ্ঞান মঞ্চের উদ্যোগে সফলভাবে পালিত হলো অরণ্য সপ্তাহ কর্মসূচি চন্দননগরে ৭০ হাজার চারা বিতরণের দাবি বন দপ্তরের বাঁকুড়ায় এসএফআই-এর প্রতীকী অনশন, শিক্ষা ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের দাবি বাঘ সংরক্ষণ বিষয়ক কর্মশালা  নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ছাত্র-যুবদের প্রতীকী অনশন চাকরি বিক্রির অভিযোগে অনুব্রত মণ্ডল-সহ ৬ জনের নামে মামলা ধুলিয়ানে সম্প্রীতির মঞ্চে নানা ধর্মের প্রতিনিধিরা, ঐক্য-সৌহার্দ্যের বার্তা সদ্ভাবনা মঞ্চের সময়ের ক্যানভাসে স্বপ্নের তুলি, নিউ জার্সিতে ফেরান তোরেসের মহাকাব্যিক অমরত্ব ট্রফি জয়ের পাশাপাশি একগুচ্ছ ব্যক্তিগত পুরষ্কার জিতলেন স্পেনের খেলোয়াড়রা গলি থেকে রাজপথ-লামিনে ইয়ামালের উত্থানের গল্প দৈনিক জনকণ্ঠের পাতায় দাম পেল না রোহিতের দুরন্ত শতরান, ইংল্যান্ডের কাছে ম্যাচ ও সিরিজ হারলো ভারত মালদা মুসলিম ইনস্টিটিউটে সভা ও বই প্রকাশ প্রথম বছরেই নিটে সাফল্য, কালিয়াচক ক্রিসেন্ট অ্যাকাডেমির জোড়া কৃতিত্ব কুলপির নাসিফার স্বর্ণপদক জয় মদ্যপ গেটম্যানের গাফিলতিতে রেল দুর্ঘটনা, চার শিশু-সহ নিহত ৫ অবসান হল একটি যুগের, জীবনাবসান স্যর গ্যারি সোবার্সের পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার অন্ধকার, ডোপ টেস্টে ধরা পড়লেন মহম্মদ নওয়াজ একগুচ্ছ রেকর্ডের সামনে ফুটবলের বরপুত্র, ফাইনালেই গড়তে পারেন ১১ রেকর্ড! রিশাদের ঘূর্নি আর তানজিদ, তামিমের ব্যাটিংয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল টাইগাররা কাজে এল না বিরাটের দারুন ব্যাটিং, রুটের ব্যাটে হার ভারতের, সিরিজে সমতা ফেরাল ব্রিটিশরা গ্রন্থাগারিক দিবসের প্রাক্কালে ‘রবীন্দ্র দৃষ্টিতে গ্রন্থাগার’ শীর্ষক আলোচনা সভা জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে আজ আবারও মাঠে সাদাকালো শিবির, সামনে এরিয়ান

দ্বিচারিতা ও কপটতা ছাড়লেই শান্তি ফিরবে বিশ্বে

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ১০:৪৭ | আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ১০:৪৭

মাহবুবুল হক

আরও পড়ুন:

গাজা-সহ ফিলিস্তিন তথা মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল পাশ্চাত্য সভ্যতার সাহায্য ও সহযোগিতায় গত শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে যে ক্রমাগত ধ্বংসলীলা ও গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে, তার ওপর দুই ধরনের চিন্তা-ভাবনা ও জ্ঞান-গবেষণা আছে। একটি হল পাশ্চাত্য সভ্যতার সেক্যুলার স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো যাতে ঐক্যবদ্ধভাবে প্যান ইসলামিজমে জমতে না পারে, সে কারণে আল-আকসা মসজিদের চারপাশে ইসরাইল রাষ্ট্রের সম্প্রসারণে সবসময় লেগে থাকা। আল্লাহ তায়ালা তো মক্কার কাবা শরীফকে মুসলমানদের কেন্দ্র বানিয়েছেন। সুতরাং তারা মক্কাকেন্দ্রিক হোক, আল-আকসা থেকে দূরে থাকুক। দীর্ঘ ৮০ বছর ধরে এই প্রক্রিয়া চলছে। এটা শুধুই ইসরাইলের বিষয় নয়, বিষয়টি সেক্যুলার বিশ্বের। সেক্যুলার বিশ্বের স্বার্থ এখানে দারুণভাবে জড়িত।

আরও পড়ুন:

এই কারণে এখানকার দ্বন্দ্ব-সংগ্রাম-যুদ্ধ সবকিছুকে ক্রুসেড বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়া সরাসরি ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে পরিচালিত। সারা বিশ্ব জানে, পাশ্চাত্যের তথাকথিত সেক্যুলার সভ্যতা বিগত ৮০ বছর ধরে মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোকে কী কী প্রক্রিয়ায় সেক্যুলারে পরিণত করা হয়েছে। কোনো দেশকে রাজতান্ত্রিক, কোনো দেশকে সমাজতান্ত্রিক এবং কোনো দেশকে সেনাতান্ত্রিক করা হয়েছে। পাশ্চাত্য সভ্যতাকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ সভ্যতা হল গির্জা ও রাজার দ্বন্দ্বে জড়িয়ে ধর্ম থেকে দূরে চলে যাওয়া নাসারা ও ইহুদিদের মনগড়া কথিত সম্মিলিত সভ্যতা। এসব আসলে সভ্যতা নয়, বরং অসভ্যতা। এই তথাকথিত সভ্যতা আবার দুই ভাগে বিভক্ত ছিল, ক্যাপিটালিজম (পুঁজিবাদ) ও কমিউনিজম (সমাজতন্ত্র)।

আরও পড়ুন:

ক্যাপিটালিজমের কেন্দ্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কমিউনিজমের কেন্দ্র ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। দুই মতবাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, বিবাদ-বিসম্বাদ লেগেই ছিল। কিন্তু অবাক করা কাণ্ড, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টির জন্য পুঁজিবাদের সর্দার বা মাতব্বররা মধ্যপ্রাচ্যে কমিউনিজমের সর্দার সোভিয়েত ইউনিয়নকে সুযোগ করে দিয়েছিল। এ সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার কারণে কমিউনিজম অন্তত দুটি দেশের ওপর নিজেদের লাঠি ঘোরাতে পেরেছিল। ইরাক ও লিবিয়া। দেশ দুটি ছিল বলতে গেলে সেনাতান্ত্রিক। পাশ্চাত্য সভ্যতা ভালভাবে উপলব্ধি করেছে, রাজতন্ত্র এবং সামরিকতন্ত্রকে বজায় রাখলে তাদের অনেক বেশি সুবিধা হবে।

আরও পড়ুন:

একটি দেশের রাজা-বাদশাহ বা সামরিক শাসককে কোন রকমে বোঝাতে পারলেই কেল্লাফতে। গণতন্ত্র থাকলে জনগণ, সংবিধান, আদালত ইত্যাদি অনেকের কাছে দায়বদ্ধতা বা জবাবদিহি করতে হয়। রাজতন্ত্র বা সেনাতন্ত্রে এত হ্যাপা নেই। এই দুই ধরনের দেশের সাথে আলোচনা বা চুক্তি করা খুব সহজ। চুটকিতে সবকিছু হয়ে যায়। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ কখনো থেমে থাকেনি। নানা ছুতা-নাতায় এক মুসলিম দেশের সাথে আরেক মুসলিম দেশের যুদ্ধ প্রায় লেগেই ছিল। কখনো সেখানে স্থায়ী শান্তি আসেনি। ফলে জামাল উদ্দিন আফগানির প্যান ইসলামিজম ষাটের দশকের মধ্যে ঝিমিয়ে পড়ে। দুনিয়ার মুসলিম এক হও… আরো কিছুদিন পাক-ভারত-বাংলাদেশ উপমহাদেশে উচ্চকিত থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় এই স্লোগানের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। দেশভেদে তারা তাদের মতো যুদ্ধ ও শান্তি বজায় রেখে কোনো না কোনোভাবে নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রেখে চলছিল। যেটা ইসলামের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না।

আরও পড়ুন:

যদিও মুসলিম দেশগুলো তাদের বন্ধু সেক্যুলার রাষ্ট্রের কর্ণধারদের উপদেশ ও পরামর্শে বহু আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইসলামিক বা মুসলিম সংগঠনের অস্তিত্ব সবসময় বজায় ছিল। কিন্তু কার্যত কোনো সংগঠনেই ব্যাপক অর্থে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারেনি। সৌদি আরব, কুয়েত ও কাতার মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা নির্মাণের জন্য, বাড়িঘর তৈরির জন্য এবং শ্রমিক-সহ নিম্নশ্রেণির মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য বেশ কিছু কাজ করেছে। ইসলামের শ্রমনীতি মেনে একাজ হয়নি। এটা পারস্পরিক ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বার্থে হয়েছে। এই মুসলিম দেশগুলো শুধু মুসলিমদের কর্মসংস্থান করে, এমনটা নয়। মুসলিম উম্মাহর সদস্য হওয়া আর মুসলিম দেশের জনগণকে সাহায্য-সহযোগিতা করা এক বিষয় নয়। দুটিকে এক করে দেখা ঠিক হবে না।
পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশের সাথে মুসলিম দেশগুলোর চুক্তি আছে। তারপর এক এক করে প্রায় শেষ হয়ে গেল আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেন ও ফিলিস্তিন-সহ কত দেশ! কিন্তু ইসরাইলের তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। অথচ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে গৃহযুদ্ধ লাগানোর সকল অপকর্ম চালিয়ে এসেছে পশ্চিমারা। নিজদের অস্ত্রের গোডাউন খালি করার জন্য এবং নতুন নতুন অস্ত্র তৈরি ও সরবরাহের জন্য যুদ্ধ ও গৃহযুদ্ধ লাগিয়ে রেখেছে তারা। তাদের প্রয়োজনে মুসলিম দেশগুলোর সরকার পরিবর্তন বা উৎখাত করতে তারা যত রকম নষ্টামি করেছে। প্রকাশ্যে যা করছে, তা হয়ত বিশ্ববাসী দেখছে। কিন্তু গোপনে যা করছে, তা সাধারণ মানুষ কিছুই টের পাচ্ছে না। যখন জানতে পারা যাচ্ছে, তখন সবকিছু শেষ। এভাবে তারা মিশর, সুদান, তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া ও পাকিস্তানকে ধ্বংস করেছে। ইরানকে ধ্বংস করার জন্য তারা প্রকাশ্য ও গোপনে যা করার, তা সবই করেছে এবং এখনও করছে।

আরও পড়ুন:

এই পরিস্থিতিকে হাঙ্কিনটন বলেছেন, ‘ক্রাইসিস অব সিভিলাইজেশন’। কিন্তু আমরা তো কোনো তথাকথিত ক্রাইসিস দেখছি না। আমরা দেখছি ‘ডেমলিশিং অব আদার সিভিলাইজেশন’ হিসেবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে অন্য সভ্যতার এই ধ্বংসলীলা কার্যকর রয়েছে। যদি তাই না হবে, তাহলে সেক্যুলার সভ্যতা সবই মরীচিকা। প্রতিপক্ষ তো তৈরি করতে হবে। সেজন্যই দেশে দেশে তৈরি করা হচ্ছে ড্যামি প্রতিপক্ষ। এটা হল অতি সংক্ষেপে গত প্রায় ১০০ বছরের খতিয়ান।

আরও পড়ুন:

মুসলিম দেশগুলো একের পর এক ধ্বংস হচ্ছে পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের পাশাপাশি নিজেদের মুনাফিকির কারণে। তারা আল্লাহর সাথে মুনাফিকি করছে। তারা দুনিয়া পরস্তি হয়ে গেছে। গদির জন্য তারা শত্রুর সাথেও হাত মেলাচ্ছে। তাদের জন্যই মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে লাখা লাখো বনি আদম শাহাদাত বরণ করছে। কিন্তু তাদের কোনো চৈতন্য নেই, আফসোস নেই, কোনো পেরেশানি নেই। তারা নিজেরা কী করে আরো দীর্ঘকাল ক্ষমতায় টিকে থাকবে, সেই চিন্তায় তারা অস্থির!

আরও পড়ুন:

পশ্চিমারা চোরকে বলছে চুরি কর, আর গৃহস্থকে বলছে সজাগ থাক। এখন গাজাকে পুরোপুরি কব্জা করে নেওয়াই তাদের লক্ষ্য। এটা হলে তারা ক্রমে ফিলিস্তিন, তারপর প্রতিবেশি মুসলিম দেশগুলোকেও ধীরে ধীরে গ্রাস করে নেবে। মহান আল্লাহর কঠিনতম শাস্তি বা আযাব গজব থেকে বাঁচতে হলে মুসলিম দেশগুলোকে তথাকথিত সেক্যুলার পশ্চিমা সভ্যতার ছোঁয়া থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তাওবাহ করে তাদের নিজস্ব জীবন ব্যবস্থা, সংস্কৃতি ও ইসলামী সভ্যতার দিকে ফিরে আসতে হবে। আরব জাতীয়তাবাদ এবং মুসলিম জাতীয়তাবাদকে ভুলে যেতে হবে। আল্লাহর জমিনে আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করতে হবে। তবেই যদি মহান আল্লাহ মুসলিমদের সহায় রহবে, মুসলিম দুনিয়াকে রক্ষা করেন।

আরও পড়ুন:

হাইলাইট

আরও পড়ুন:

রাজা-বাদশাহ বা সামরিক শাসককে কোন রকমে বোঝাতে পারলেই কেল্লাফতে। গণতন্ত্র থাকলে জনগণ, সংবিধান, আদালত ইত্যাদি অনেকের কাছে দায়বদ্ধতা বা জবাবদিহি করতে হয়। রাজতন্ত্র বা সেনাতন্ত্রে এত হ্যাপা নেই। এদের সাথে আলোচনা বা চুক্তি করা সহজ। তাই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ কখনো থেমে থাকেনি। কখনো সেখানে স্থায়ী শান্তি আসেনি। মুসলিম দেশগুলো ধ্বংস হচ্ছে পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের পাশাপাশি নিজেদের মুনাফিকির কারণে। তারা দুনিয়া পরস্তি হয়ে গেছে। গদির জন্য শত্রুর সাথেও হাত মেলাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে শাহাদাতের বন্যা বয়ে গেলেও তাদের চৈতন্য নেই, আফসোস নেই, কোনো পেরেশানি নেই। তারা নিজেরা কী করে আরো দীর্ঘকাল ক্ষমতায় টিকে থাকবে, সেই চিন্তায় তারা বিভোর!

আরও পড়ুন
Copyright © Jano Kantho
Developed by eTech Builder